জাতীয়
বাস ভাড়া নির্ধারণে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বাস-মিনিবাসের ভাড়া পুনর্নির্ধারণে রবিবার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএ কার্যালয়ে বৈঠক করা হয়েছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ না হওয়ায় সোমবার (২০ এপ্রিল) বিআরটিএ থেকে এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দেওয়া হবে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের মূল্য এক টাকা বৃদ্ধি বা কমলে ভাড়া এক পয়সা বাড়ানো বা কমানোর রীতি দীর্ঘদিন ধরেই চলমান। এ ক্ষেত্রে ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বৃদ্ধির ফলে ভাড়া ১৫ পয়সা বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি এমএ বাতেন জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি অন্যান্য ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টিও আমলে নেওয়ার কথা বলেছেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ‘জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে পুঁজি করে বাস মালিক সমিতির সরকার সমর্থিত প্রভাবশালী নেতারা অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে সরকারের সঙ্গে মিলে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে।’
তিনি বলেন, ‘তিন দফা জ্বালানি তেলের দাম তিন টাকা হারে কমানোর পরিপ্রেক্ষিতে বাস ভাড়া তিন পয়সা হারে কমানো হয়েছে, দুই টাকা কমানোর পরিপ্রেক্ষিতে দুই পয়সা হারে কমানো হয়েছে। এবার প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৫ টাকা বৃদ্ধি হয়েছে। কাজেই আগের হিসাবে বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৫ পয়সা বৃদ্ধি হতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমলাতন্ত্রকে ম্যানেজ করে অতিরিক্ত ভাড়া বৃদ্ধি করা হলে সরকারের জনপ্রিয়তায় কমবে, জনরোষ তৈরি হবে।’
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিআরটিএর চেয়ারম্যান মীর আহমেদ তারিকুল ওমর। উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টরা।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি তেলের মূল্য এক টাকা বৃদ্ধি বা কমলে ভাড়া এক পয়সা বাড়ানো বা কমানোর রীতি দীর্ঘদিন ধরেই চলমান। এ ক্ষেত্রে ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বৃদ্ধির ফলে ভাড়া ১৫ পয়সা বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি এমএ বাতেন জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি অন্যান্য ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টিও আমলে নেওয়ার কথা বলেছেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ‘জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে পুঁজি করে বাস মালিক সমিতির সরকার সমর্থিত প্রভাবশালী নেতারা অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে সরকারের সঙ্গে মিলে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে।’
তিনি বলেন, ‘তিন দফা জ্বালানি তেলের দাম তিন টাকা হারে কমানোর পরিপ্রেক্ষিতে বাস ভাড়া তিন পয়সা হারে কমানো হয়েছে, দুই টাকা কমানোর পরিপ্রেক্ষিতে দুই পয়সা হারে কমানো হয়েছে। এবার প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১৫ টাকা বৃদ্ধি হয়েছে। কাজেই আগের হিসাবে বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৫ পয়সা বৃদ্ধি হতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমলাতন্ত্রকে ম্যানেজ করে অতিরিক্ত ভাড়া বৃদ্ধি করা হলে সরকারের জনপ্রিয়তায় কমবে, জনরোষ তৈরি হবে।’
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিআরটিএর চেয়ারম্যান মীর আহমেদ তারিকুল ওমর। উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টরা।
লোড হচ্ছে...