নারায়ণগঞ্জ
অতিরিক্ত বাস ভাড়া প্রত্যাহারে জেলা প্রশাসকের কাছে ছাত্র ফ্রন্টের স্মারকলিপি
NewsView5

নিউজভিউ
যুদ্ধপরিস্থিতিতে তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে গত ২৩ এপ্রিল সরকার দেশে গণপরিবহনের ভাড়া বাড়িয়েছে। এ সুযোগে বাস মালিকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে নিচ্ছে। মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার ও ছাত্রদের হাফ পাসের দাবিতে গতকাল ১০ মে (রোববার) সকাল ১১ টায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, গত ২৩ এপ্রিল সরকার দেশে গণপরিবহনের ভাড়া পুনঃনির্ধারণ করেছে। সেই নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জে প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মূল ভাড়ার ৫.১৯ শতাংশ।
এতে বলা হয়, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের বাসের ভাড়া ১ মে হতে ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ টাকা করা হয়েছে। মালিকদের হিসেব অনুযায়ী ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুট ১৯.৫ কিলোমিটার, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী যার ভাড়া বাড়ে ২ টাকা ১৫ পয়সা, সেখানে বাস মালিকরা বেশি নিচ্ছেন ২ টাকা ৮৫ পয়সা।
ছাত্র ফন্টের মতে ঢাকা-নারয়ণগঞ্জ রুটে ১৮ কিলোমিটার দূরত্ব। এতে ভাড়া বাড়ে ১ টাকা ৯৮ পয়সা। এই হিসেব অনুযায়ী ৩ টাকা ২ পয়সা বেশি নিচ্ছেন। যা অযৌক্তিক।
আরও বলা হয়, ৫ আগস্টের গণঅভ্যূত্থানের পরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য হাফ ভাড়া অর্থাৎ ৩০ টাকা করা হয়েছিলো। কিন্তু গত ১ মে থেকে ছাত্রদের কাছ থেকেও ৫ টাকা বেশি অর্থাৎ ৩৫ টাকা নেয়া হচ্ছে। ছাত্ররা প্রতিবাদ করলে তাদের সাথে অশোভন আচরণ করা হচ্ছে।
ছাত্রফ্রন্ট আরও বলে, এবার ভাড়া বৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বিভিন্ন অংশীজন যেমন, যাত্রী প্রতিনিধি, ছাত্র প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা করা হয়নি। অতীতে এ প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করা হতো। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির দোহাই দিয়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে যে ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে তা জনগণের স্বার্থবিরোধী।
স্মারকলিপিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট দুই দফা দাবি পেশ করেন। প্রথমটি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদায় বন্ধ করা আর শেষ দাবি হলো ছাত্রদের সপ্তাহে ৭ দিন হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করা।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, গত ২৩ এপ্রিল সরকার দেশে গণপরিবহনের ভাড়া পুনঃনির্ধারণ করেছে। সেই নির্ধারিত ভাড়া অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জে প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা ভাড়া বৃদ্ধি পেয়েছে, যা মূল ভাড়ার ৫.১৯ শতাংশ।
এতে বলা হয়, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের বাসের ভাড়া ১ মে হতে ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৫ টাকা করা হয়েছে। মালিকদের হিসেব অনুযায়ী ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুট ১৯.৫ কিলোমিটার, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী যার ভাড়া বাড়ে ২ টাকা ১৫ পয়সা, সেখানে বাস মালিকরা বেশি নিচ্ছেন ২ টাকা ৮৫ পয়সা।
ছাত্র ফন্টের মতে ঢাকা-নারয়ণগঞ্জ রুটে ১৮ কিলোমিটার দূরত্ব। এতে ভাড়া বাড়ে ১ টাকা ৯৮ পয়সা। এই হিসেব অনুযায়ী ৩ টাকা ২ পয়সা বেশি নিচ্ছেন। যা অযৌক্তিক।
আরও বলা হয়, ৫ আগস্টের গণঅভ্যূত্থানের পরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য হাফ ভাড়া অর্থাৎ ৩০ টাকা করা হয়েছিলো। কিন্তু গত ১ মে থেকে ছাত্রদের কাছ থেকেও ৫ টাকা বেশি অর্থাৎ ৩৫ টাকা নেয়া হচ্ছে। ছাত্ররা প্রতিবাদ করলে তাদের সাথে অশোভন আচরণ করা হচ্ছে।
ছাত্রফ্রন্ট আরও বলে, এবার ভাড়া বৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বিভিন্ন অংশীজন যেমন, যাত্রী প্রতিনিধি, ছাত্র প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা করা হয়নি। অতীতে এ প্রক্রিয়াটা অনুসরণ করা হতো। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির দোহাই দিয়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জে যে ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়েছে তা জনগণের স্বার্থবিরোধী।
স্মারকলিপিতে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট দুই দফা দাবি পেশ করেন। প্রথমটি ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদায় বন্ধ করা আর শেষ দাবি হলো ছাত্রদের সপ্তাহে ৭ দিন হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করা।
লোড হচ্ছে...