সারা দেশ
সড়কে চলে যাত্রী ওঠানামা
নেত্রকোনার বাসস্ট্যান্ড সংস্কারের অভাবে বেহাল
NewsView6

বাসস্ট্যান্ডের বর্তমান অবস্থা
নিউজভিউ ডেস্ক
প্রতিষ্ঠার ৩৮ বছর অতিবাহিত হয়েছে নেত্রকোনা শহরের হোসেনপুরে জেলার প্রধান বাসস্ট্যান্ড। এখান থেকে ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, বগুড়া এবং খুলনাসহ বিভিন্ন জেলায় বাস চলাচল করে থাকে। প্রতিদিন শতাধিক বাস এই স্ট্যান্ডে আসা যাওয়া করে। কিন্তু পরিবহন সেবার মান বলতে কিছুই নেই।
স্থানীয়রা জানান, বাসস্ট্যান্ডটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে বাস স্ট্যান্ডটির দুরাবস্থা এখন চরমে পৌঁছেছে। বছরের পর বছর ধরে এই বাসস্ট্যান্ডটির উন্নয়নে কর্তৃপক্ষের কোনো তৎপরতা নেই। ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে এই অবস্থা চরম আকার ধারণ করে।
যাত্রীরা এই অব্যবস্থার জন্য পরিচালনা কমিটির ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন। পরিবহন মালিক সমিতি বলছে, বাসস্ট্যান্ড উন্নয়নের দায়িত্ব পৌর কর্তৃপক্ষের।
যাত্রীরা বলছেন, যাত্রীসেবার সুযোগ সুবিধার জন্য বহু বছরের পুরোনো এই বাসস্ট্যান্ডটির সংস্কার যেমন হচ্ছে না, তেমনি ভালো বাস সার্ভিসেরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এখানে নেই কোনো বিশ্রামাগার ও টয়েলেটের ব্যবস্থা।
জানা যায়, নেত্রকোনা শহর থেকে আধা কিলোমিটার দূরে ময়মনসিংহ সড়কের হোসেনপুরে সরকারি জায়গায় ১৯৮৮ সালে জেলা প্রশাসন থেকে বাস স্ট্যান্ড নির্মাণ করা হয়। পরে বাসস্ট্যান্ড নেত্রকোনা পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে বাসস্ট্যান্ডটি হস্তান্তর করা হলে পৌর কর্তৃপক্ষ ১০ বছর আগে বাস রাখার স্থান এলাকা ইটের সোলিং করে দেয় এবং টিকিট কাউন্টার ও যাত্রী ছাওনি এবং বিশ্রামাগার নির্মাণ করে। কিন্তু তদারকি না থাকায় বিশ্রামাগারটি টয়লেটে পরিণত হয়েছে। ভেঙে পড়েছে যাত্রী ছাউনি ।
বাসস্ট্যান্ড সংস্কার বা উন্নয়নের বিষয়ে নেত্রকোনা পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মো. তাজেদুল ইসলাম ফারাস বলেন, বর্তমান কমিটি দায়ীত্ব নিয়েছে মাসখানেক হলো। নতুন কমিটি ইতিমধ্যে কিছু কাজ শুরু করেছে। কোনো কোনো বাস সার্ভিস নিজেরা কাউন্টার খুলে যাত্রীদের বিশ্রামের জায়গা করে দিয়েছেন। সামনে আরো কিছু কাজ হবে। বাসস্ট্যান্ডের উন্নয়নের জন্য পৌরসভার সঙ্গে আলোচনা করে উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলেও জানান।
বাসস্ট্যান্ডের বিশ্রামাগার ও যাত্রী ছাউনির দুরাবস্থার বিষয়ে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ড উন্নয়ন করবে পৌরসভা। নেত্রকোনার এই বাসস্ট্যান্ড উন্নয়নের জন্য জেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভাতেও বেশ কয়েক বার আলোচনা হয়েছে, কিন্তু কোনো অগ্রগতি নেই।
সরেজমিনে বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকাগামী বাসগুলো মূল সড়কের পাশ থেকে যাত্রী পরিবহন করছেন। যাত্রীদের ওঠানামার জায়গা কাদায় পূর্ণ। প্রতি সপ্তাহে ঢাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য চলাচলকারী যাত্রীরা বলেন, বাসস্ট্যান্ড মেরামত বা সংস্কারের করার কাজ হচ্ছে পৌরকর্তৃপক্ষের। কিন্তু তারা তা করছে না।
ঢাকা-ময়মনসিংহ যাতায়াত করেন এমন দুই জন যাত্রী মোশাররফ করিম এবং শামসুল কবির বলেন, নেত্রকোনায় বাসে চলাচল বা যাত্রা দেশের সব জেলার চাইতে খারাপ। এখানে ভালো পরিবহনের কোনো গাড়ি নেই। কিন্তু মালিক সমিতির লোকজন তৎপর হলে বাসস্ট্যান্ডের উন্নয়ন সহজেই হতো।
নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সর্দার বলেন, বাস স্ট্যান্ড সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য ২২ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। মাস দুয়েকের মধ্যে কাজ শুরু করা যাবে বলে তিনি জানান।
প্রতিষ্ঠার ৩৮ বছর অতিবাহিত হয়েছে নেত্রকোনা শহরের হোসেনপুরে জেলার প্রধান বাসস্ট্যান্ড। এখান থেকে ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, বগুড়া এবং খুলনাসহ বিভিন্ন জেলায় বাস চলাচল করে থাকে। প্রতিদিন শতাধিক বাস এই স্ট্যান্ডে আসা যাওয়া করে। কিন্তু পরিবহন সেবার মান বলতে কিছুই নেই।
স্থানীয়রা জানান, বাসস্ট্যান্ডটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে বাস স্ট্যান্ডটির দুরাবস্থা এখন চরমে পৌঁছেছে। বছরের পর বছর ধরে এই বাসস্ট্যান্ডটির উন্নয়নে কর্তৃপক্ষের কোনো তৎপরতা নেই। ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে এই অবস্থা চরম আকার ধারণ করে।
যাত্রীরা এই অব্যবস্থার জন্য পরিচালনা কমিটির ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন। পরিবহন মালিক সমিতি বলছে, বাসস্ট্যান্ড উন্নয়নের দায়িত্ব পৌর কর্তৃপক্ষের।
যাত্রীরা বলছেন, যাত্রীসেবার সুযোগ সুবিধার জন্য বহু বছরের পুরোনো এই বাসস্ট্যান্ডটির সংস্কার যেমন হচ্ছে না, তেমনি ভালো বাস সার্ভিসেরও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এখানে নেই কোনো বিশ্রামাগার ও টয়েলেটের ব্যবস্থা।
জানা যায়, নেত্রকোনা শহর থেকে আধা কিলোমিটার দূরে ময়মনসিংহ সড়কের হোসেনপুরে সরকারি জায়গায় ১৯৮৮ সালে জেলা প্রশাসন থেকে বাস স্ট্যান্ড নির্মাণ করা হয়। পরে বাসস্ট্যান্ড নেত্রকোনা পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে বাসস্ট্যান্ডটি হস্তান্তর করা হলে পৌর কর্তৃপক্ষ ১০ বছর আগে বাস রাখার স্থান এলাকা ইটের সোলিং করে দেয় এবং টিকিট কাউন্টার ও যাত্রী ছাওনি এবং বিশ্রামাগার নির্মাণ করে। কিন্তু তদারকি না থাকায় বিশ্রামাগারটি টয়লেটে পরিণত হয়েছে। ভেঙে পড়েছে যাত্রী ছাউনি ।
বাসস্ট্যান্ড সংস্কার বা উন্নয়নের বিষয়ে নেত্রকোনা পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মো. তাজেদুল ইসলাম ফারাস বলেন, বর্তমান কমিটি দায়ীত্ব নিয়েছে মাসখানেক হলো। নতুন কমিটি ইতিমধ্যে কিছু কাজ শুরু করেছে। কোনো কোনো বাস সার্ভিস নিজেরা কাউন্টার খুলে যাত্রীদের বিশ্রামের জায়গা করে দিয়েছেন। সামনে আরো কিছু কাজ হবে। বাসস্ট্যান্ডের উন্নয়নের জন্য পৌরসভার সঙ্গে আলোচনা করে উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলেও জানান।
বাসস্ট্যান্ডের বিশ্রামাগার ও যাত্রী ছাউনির দুরাবস্থার বিষয়ে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বাসস্ট্যান্ড উন্নয়ন করবে পৌরসভা। নেত্রকোনার এই বাসস্ট্যান্ড উন্নয়নের জন্য জেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভাতেও বেশ কয়েক বার আলোচনা হয়েছে, কিন্তু কোনো অগ্রগতি নেই।
সরেজমিনে বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকাগামী বাসগুলো মূল সড়কের পাশ থেকে যাত্রী পরিবহন করছেন। যাত্রীদের ওঠানামার জায়গা কাদায় পূর্ণ। প্রতি সপ্তাহে ঢাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য চলাচলকারী যাত্রীরা বলেন, বাসস্ট্যান্ড মেরামত বা সংস্কারের করার কাজ হচ্ছে পৌরকর্তৃপক্ষের। কিন্তু তারা তা করছে না।
ঢাকা-ময়মনসিংহ যাতায়াত করেন এমন দুই জন যাত্রী মোশাররফ করিম এবং শামসুল কবির বলেন, নেত্রকোনায় বাসে চলাচল বা যাত্রা দেশের সব জেলার চাইতে খারাপ। এখানে ভালো পরিবহনের কোনো গাড়ি নেই। কিন্তু মালিক সমিতির লোকজন তৎপর হলে বাসস্ট্যান্ডের উন্নয়ন সহজেই হতো।
নেত্রকোনা পৌরসভার প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সর্দার বলেন, বাস স্ট্যান্ড সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য ২২ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। মাস দুয়েকের মধ্যে কাজ শুরু করা যাবে বলে তিনি জানান।
লোড হচ্ছে...