নারায়ণগঞ্জ
অপরিকল্পিত নগরায়ন রোধ ও পরিবেশ রক্ষায় নারায়ণগঞ্জের জন্য নতুন আইন
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ জেলা ও এর আশপাশের এলাকাকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও সুপরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বিলটি উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে বিলটি পাসের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এখন থেকে একটি বিশেষায়িত কর্তৃপক্ষের অধীনে পরিচালিত হওয়ার পথ সুগম হলো।
আইনটি পাসের আগে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ-২০২৬’ জারি করেছিল। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়। মূলত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর পাঠানো প্রস্তাবের ওপর ভিত্তি করে সরকার এই বিশেষ কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করে। গত ২৯ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অধ্যাদেশের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
নতুন এই আইন অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সিটি কর্পোরেশন এলাকা ছাড়াও সরকার নির্ধারিত পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এর মূল লক্ষ্য হলো আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলা এবং প্রাকৃতিক জলাধার ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা। এছাড়া অপরিকল্পিতভাবে ভবন নির্মাণ রোধ, দুর্যোগ-সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও পর্যটন শিল্পের বিকাশে বিশেষ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।
এই কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এখন থেকে নগর পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের কাজগুলো সমন্বয় করা হবে। কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট কাঠামো থাকবে এবং সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন চেয়ারম্যান এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই আইন কার্যকর হওয়ার ফলে নারায়ণগঞ্জে ভবন নির্মাণে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত হবে এবং জলাশয় ভরাটসহ পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।
গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই এটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে নারায়ণগঞ্জ দীর্ঘদিনের ঘিঞ্জি ও অপরিকল্পিত শহরের তকমা মুছে একটি পরিকল্পিত শিল্প ও বাণিজ্যিক নগর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকগণ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা ও এর আশপাশের এলাকাকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও সুপরিকল্পিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বিলটি উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে বিলটি পাসের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এখন থেকে একটি বিশেষায়িত কর্তৃপক্ষের অধীনে পরিচালিত হওয়ার পথ সুগম হলো।
আইনটি পাসের আগে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ-২০২৬’ জারি করেছিল। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়। মূলত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর পাঠানো প্রস্তাবের ওপর ভিত্তি করে সরকার এই বিশেষ কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করে। গত ২৯ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অধ্যাদেশের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
নতুন এই আইন অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সিটি কর্পোরেশন এলাকা ছাড়াও সরকার নির্ধারিত পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এর মূল লক্ষ্য হলো আধুনিক ও পরিকল্পিত নগর গড়ে তোলা এবং প্রাকৃতিক জলাধার ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা। এছাড়া অপরিকল্পিতভাবে ভবন নির্মাণ রোধ, দুর্যোগ-সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও পর্যটন শিল্পের বিকাশে বিশেষ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।
এই কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এখন থেকে নগর পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের কাজগুলো সমন্বয় করা হবে। কর্তৃপক্ষের নির্দিষ্ট কাঠামো থাকবে এবং সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন চেয়ারম্যান এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই আইন কার্যকর হওয়ার ফলে নারায়ণগঞ্জে ভবন নির্মাণে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত হবে এবং জলাশয় ভরাটসহ পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।
গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই এটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে নারায়ণগঞ্জ দীর্ঘদিনের ঘিঞ্জি ও অপরিকল্পিত শহরের তকমা মুছে একটি পরিকল্পিত শিল্প ও বাণিজ্যিক নগর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকগণ।
লোড হচ্ছে...