খেলা
শেষ ষোলোতেই থামল কানাডা, কোয়ার্টারে মরক্কো
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
সহ-আয়োজক কানাডাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে মরক্কো। একই সঙ্গে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়া প্রথম সহ-আয়োজক দেশ হলো কানাডা। হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে জয় নিশ্চিত করে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা।
প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল কানাডা। একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি তারা। বিপরীতে ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো প্রথম ৪৫ মিনিটে খুব একটা ছন্দে ছিল না।
বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৫০ মিনিটে আশরাফ হাকিমির নিচু ফ্রি-কিক থেকে আজেদিন উনাহি গোল করে মরক্কোকে এগিয়ে দেন। ৮২ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই মিডফিল্ডার। যোগ করা সময়ের অষ্টম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় সোফিয়ান রাহিমি তৃতীয় গোল করলে ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় মরক্কোর।
ম্যাচজুড়ে প্রায় ৬৮ হাজার ৭৭৭ দর্শকের সমর্থন পেয়েও কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি কানাডা। বিশেষ করে প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ নষ্ট করায় শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে জেসি মার্শের দলকে।
টুর্নামেন্টে কাতারকে ৬-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছিল কানাডা। এরপর প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে উঠে ইতিহাসও গড়ে তারা। তবে শেষ ষোলোতেই থেমে গেল সহ-আয়োজকদের স্বপ্নযাত্রা।
ম্যাচের শুরুতেই কানাডা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। ১০ মিনিটে টানি ওলুওয়েসির শট পা দিয়ে ঠেকিয়ে দলকে রক্ষা করেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো। প্রথমার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোল আদায় করতে পারেনি কানাডা।
অন্যদিকে ২০ মিনিটে ইনজুরিতে ইসমাইল সাইবারি মাঠ ছাড়ায় ধাক্কা খায় মরক্কো। তার পরিবর্তে নামা সোফিয়ান রাহিমিই শেষ পর্যন্ত দলের তৃতীয় গোলটি করেন। বিরতির আগে আশরাফ হাকিমি ও রিচি লারেয়ার মধ্যে উত্তেজনার ঘটনায় দুজনই হলুদ কার্ড দেখেন। প্রথমার্ধে রেফারি মোট ছয়টি হলুদ কার্ড দেখান, যার চারটিই ছিল মরক্কোর খেলোয়াড়দের।
দ্বিতীয়ার্ধে কৌশল বদলে আক্রমণের ধার বাড়ায় মরক্কো। সেই পরিকল্পনাই এনে দেয় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। উনাহির জোড়া গোল ও রাহিমির শেষ মুহূর্তের গোলে ৩-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করে আফ্রিকার দলটি।
প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল কানাডা। একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি তারা। বিপরীতে ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কো প্রথম ৪৫ মিনিটে খুব একটা ছন্দে ছিল না।
বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৫০ মিনিটে আশরাফ হাকিমির নিচু ফ্রি-কিক থেকে আজেদিন উনাহি গোল করে মরক্কোকে এগিয়ে দেন। ৮২ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই মিডফিল্ডার। যোগ করা সময়ের অষ্টম মিনিটে বদলি খেলোয়াড় সোফিয়ান রাহিমি তৃতীয় গোল করলে ৩-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয় মরক্কোর।
ম্যাচজুড়ে প্রায় ৬৮ হাজার ৭৭৭ দর্শকের সমর্থন পেয়েও কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি কানাডা। বিশেষ করে প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ নষ্ট করায় শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে জেসি মার্শের দলকে।
টুর্নামেন্টে কাতারকে ৬-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছিল কানাডা। এরপর প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে উঠে ইতিহাসও গড়ে তারা। তবে শেষ ষোলোতেই থেমে গেল সহ-আয়োজকদের স্বপ্নযাত্রা।
ম্যাচের শুরুতেই কানাডা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। ১০ মিনিটে টানি ওলুওয়েসির শট পা দিয়ে ঠেকিয়ে দলকে রক্ষা করেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো। প্রথমার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোল আদায় করতে পারেনি কানাডা।
অন্যদিকে ২০ মিনিটে ইনজুরিতে ইসমাইল সাইবারি মাঠ ছাড়ায় ধাক্কা খায় মরক্কো। তার পরিবর্তে নামা সোফিয়ান রাহিমিই শেষ পর্যন্ত দলের তৃতীয় গোলটি করেন। বিরতির আগে আশরাফ হাকিমি ও রিচি লারেয়ার মধ্যে উত্তেজনার ঘটনায় দুজনই হলুদ কার্ড দেখেন। প্রথমার্ধে রেফারি মোট ছয়টি হলুদ কার্ড দেখান, যার চারটিই ছিল মরক্কোর খেলোয়াড়দের।
দ্বিতীয়ার্ধে কৌশল বদলে আক্রমণের ধার বাড়ায় মরক্কো। সেই পরিকল্পনাই এনে দেয় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। উনাহির জোড়া গোল ও রাহিমির শেষ মুহূর্তের গোলে ৩-০ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করে আফ্রিকার দলটি।
লোড হচ্ছে...