নারায়ণগঞ্জ
লক্ষ্যাপারের বর্ষা অধিবেশন অনুষ্ঠিত
সঙ্গীত ডানা মেলল বর্ষার আকাশে
NewsView

নিউজভিউ
বর্ষার মেঘ আলিঙ্গন করে সুরের ধোঁয়া-ঝাপটা মারছিল সবার মনে। শ্রোতারা হৃদয়ের সব বাঁধ আগলা করে যেন বসেছিলেন আসনে। সুরের এই জাদুময় ঘোর ছড়িয়ে পড়েছিল সবার মনে।
এমনই এক বর্ষাসংগীতের আয়োজন করেছে লক্ষ্যাপার পরম্পরা। শুক্রবার সন্ধ্যার এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন উদ্যোক্তা কাশেম জামাল, নারী নেত্রী লক্ষ্মী চক্রবর্তী, সংস্কৃতিব্যক্তিত্ব ভবানী শংকর রায়সহ সংগীতপ্রেমী মানুষ।
‘বর্ষা অধিবেশন’ আয়োজনটি শুক্রবার (৭ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জের আলী আহম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনের পরীক্ষণ থিয়েটার হলে (পঞ্চম তলা) অনুষ্ঠিত হয়। এর সার্বিক দেখভাল করেন লক্ষ্যাপারের সমন্বয়ক শাশ্বতী পাল।
বিকেল ৫টা ১৫ মিনিট থেকে ৫টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত ছিল জলযোগ ও আড্ডা। এরপর ৫টা ৪৫ মিনিটে আসন গ্রহণ এবং সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হয় মূল পরিবেশনা।
শাস্ত্রীয় সংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী মিয়াঁ তানসেনকে ঘিরে প্রচলিত কিংবদন্তি এবং বাংলার লোকসংস্কৃতিতে গান ও ছড়া কেটে বৃষ্টি আহ্বানের ঐতিহ্যকে উপজীব্য করেই সাজানো হয় এ আয়োজন। মিয়াঁ কি মল্লার, মেঘ, দেশমল্লার, নাটমল্লার, জয়জয়ন্তী ও রামদাসী মল্লার প্রভৃতি রাগের সুরে বর্ষার নানা রূপ তুলে ধরেন নবীন শিল্পীরা।
এতে বাংলার বর্ষাসংগীতে কীভাবে ডানা মেলেছে, তার একটি নান্দনিক পরিচয় ফুটে ওঠে।
সংগীতপ্রিয় মানুষ একটি স্মরণীয় সন্ধ্যা কাটিয়ে যেন বাড়ি ফিরলেন।
বর্ষার মেঘ আলিঙ্গন করে সুরের ধোঁয়া-ঝাপটা মারছিল সবার মনে। শ্রোতারা হৃদয়ের সব বাঁধ আগলা করে যেন বসেছিলেন আসনে। সুরের এই জাদুময় ঘোর ছড়িয়ে পড়েছিল সবার মনে।
এমনই এক বর্ষাসংগীতের আয়োজন করেছে লক্ষ্যাপার পরম্পরা। শুক্রবার সন্ধ্যার এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন উদ্যোক্তা কাশেম জামাল, নারী নেত্রী লক্ষ্মী চক্রবর্তী, সংস্কৃতিব্যক্তিত্ব ভবানী শংকর রায়সহ সংগীতপ্রেমী মানুষ।
‘বর্ষা অধিবেশন’ আয়োজনটি শুক্রবার (৭ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জের আলী আহম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনের পরীক্ষণ থিয়েটার হলে (পঞ্চম তলা) অনুষ্ঠিত হয়। এর সার্বিক দেখভাল করেন লক্ষ্যাপারের সমন্বয়ক শাশ্বতী পাল।
বিকেল ৫টা ১৫ মিনিট থেকে ৫টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত ছিল জলযোগ ও আড্ডা। এরপর ৫টা ৪৫ মিনিটে আসন গ্রহণ এবং সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হয় মূল পরিবেশনা।
শাস্ত্রীয় সংগীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী মিয়াঁ তানসেনকে ঘিরে প্রচলিত কিংবদন্তি এবং বাংলার লোকসংস্কৃতিতে গান ও ছড়া কেটে বৃষ্টি আহ্বানের ঐতিহ্যকে উপজীব্য করেই সাজানো হয় এ আয়োজন। মিয়াঁ কি মল্লার, মেঘ, দেশমল্লার, নাটমল্লার, জয়জয়ন্তী ও রামদাসী মল্লার প্রভৃতি রাগের সুরে বর্ষার নানা রূপ তুলে ধরেন নবীন শিল্পীরা।
এতে বাংলার বর্ষাসংগীতে কীভাবে ডানা মেলেছে, তার একটি নান্দনিক পরিচয় ফুটে ওঠে।
সংগীতপ্রিয় মানুষ একটি স্মরণীয় সন্ধ্যা কাটিয়ে যেন বাড়ি ফিরলেন।
লোড হচ্ছে...