নারায়ণগঞ্জ
ধর্ষণ-হত্যার বিচারের দাবিতে ছাত্র ফ্রন্টের বিক্ষোভ
NewsView5

নিউজভিউ
শিশু রামিসাসহ সারাদেশে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত ধর্ষণ ও হত্যার বিচার এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনার বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় নারায়ণগঞ্জ বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে জেলা শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা সাধারণ সম্পাদক দীপা নাগ তন্দ্রার সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিয়া সুলতানা জুঁথী। সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি জয় হাসান।
বক্তব্যে দীপা নাগ তন্দ্রা বলেন, তনু থেকে আছিয়া হয়ে রামিসার মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তির মূল কারণ বিচারহীনতা। তিনি বলেন, বিচার না হওয়ার সংস্কৃতি চলতে থাকায় মানুষ বিচার চাওয়ার আস্থাও হারিয়ে ফেলছে। রামিসাসহ সারাদেশে সংঘটিত ধর্ষণ ও হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে জয় হাসান বলেন, নারী নিপীড়ন ও হত্যার বিরুদ্ধে যে সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ গড়ে ওঠার কথা ছিল, স্বাধীনতার এত বছর পরও তা দৃশ্যমান নয়। তিনি বলেন, মাদক, জুয়া ও পর্নোগ্রাফির বিস্তার যেমন শিক্ষার্থীদের নৈতিক অবক্ষয় ঘটাচ্ছে, তেমনি বিচারহীনতার সংস্কৃতি নতুন অপরাধকে উৎসাহিত করছে।
তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়নবিরোধী সেল গঠন, অতীতের সব ঘটনার বিচার এবং শিক্ষার্থীদের মানবিক বিকাশে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সমাবেশ শেষে সংক্ষিপ্ত মিছিলের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেল সাড়ে ৫টায় নারায়ণগঞ্জ বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে জেলা শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা সাধারণ সম্পাদক দীপা নাগ তন্দ্রার সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিয়া সুলতানা জুঁথী। সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি জয় হাসান।
বক্তব্যে দীপা নাগ তন্দ্রা বলেন, তনু থেকে আছিয়া হয়ে রামিসার মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তির মূল কারণ বিচারহীনতা। তিনি বলেন, বিচার না হওয়ার সংস্কৃতি চলতে থাকায় মানুষ বিচার চাওয়ার আস্থাও হারিয়ে ফেলছে। রামিসাসহ সারাদেশে সংঘটিত ধর্ষণ ও হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে জয় হাসান বলেন, নারী নিপীড়ন ও হত্যার বিরুদ্ধে যে সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ গড়ে ওঠার কথা ছিল, স্বাধীনতার এত বছর পরও তা দৃশ্যমান নয়। তিনি বলেন, মাদক, জুয়া ও পর্নোগ্রাফির বিস্তার যেমন শিক্ষার্থীদের নৈতিক অবক্ষয় ঘটাচ্ছে, তেমনি বিচারহীনতার সংস্কৃতি নতুন অপরাধকে উৎসাহিত করছে।
তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়নবিরোধী সেল গঠন, অতীতের সব ঘটনার বিচার এবং শিক্ষার্থীদের মানবিক বিকাশে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন নিশ্চিত করার দাবি জানান।
সমাবেশ শেষে সংক্ষিপ্ত মিছিলের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।
লোড হচ্ছে...