জাতীয়
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও জাতীয় শহীদ দিবস আজ
NewsView

আজ ২১ ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও জাতীয় শহীদ দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এ দিনটি এক অনন্য গৌরব, ত্যাগ ও আত্মমর্যাদার প্রতীক। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে রাজপথে নেমেছিলেন এ দেশের ছাত্রসমাজ। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর ১৪৪ ধারা ভেঙে শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশ নিয়ে তারা যে আত্মত্যাগের নজির স্থাপন করেন, তা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ নাম না-জানা অনেক শহীদের রক্তে রঞ্জিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা। তাদের সেই ত্যাগের ফলেই ১৯৫৬ সালে বাংলা রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায়।
ভাষা আন্দোলন কেবল ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল না; এটি ছিল আত্মপরিচয়, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। মাতৃভাষা মানুষের চিন্তা, অনুভূতি ও সৃজনশীলতার প্রধান মাধ্যম। ভাষাকে দমিয়ে রেখে কোনো জাতিকে দীর্ঘদিন শাসন করা যায় না—১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারির রক্তাক্ত অভিজ্ঞতা সেই সত্যকে প্রমাণ করে। ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই পরবর্তীকালে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি রচিত হয়।
বাংলা ভাষার জন্য বাঙালির এই আত্মত্যাগ বিশ্ববাসীর শ্রদ্ধা অর্জন করে। বাংলাদেশের উদ্যোগে ইউনেসকো ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ফলে এ দিনটি কেবল বাংলাদেশের নয়, বিশ্বব্যাপী ভাষাগত বৈচিত্র্য ও মাতৃভাষা সংরক্ষণের প্রতীক হয়ে উঠেছে। পৃথিবীর বহু ভাষা আজ বিলুপ্তির পথে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়—প্রতিটি ভাষাই মানবসভ্যতার অমূল্য সম্পদ; প্রতিটি ভাষার সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি জনগোষ্ঠীর ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জ্ঞানভান্ডার।
জাতীয় শহীদ দিবসে দেশের সর্বত্র শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জানানো হবে। শিশু-কিশোরদের মধ্যে মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা ও শুদ্ধ চর্চার মনোভাব গড়ে তোলাও এ দিনের অন্যতম লক্ষ্য।
ভাষা আন্দোলন কেবল ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম ছিল না; এটি ছিল আত্মপরিচয়, সংস্কৃতি ও জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। মাতৃভাষা মানুষের চিন্তা, অনুভূতি ও সৃজনশীলতার প্রধান মাধ্যম। ভাষাকে দমিয়ে রেখে কোনো জাতিকে দীর্ঘদিন শাসন করা যায় না—১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারির রক্তাক্ত অভিজ্ঞতা সেই সত্যকে প্রমাণ করে। ভাষা আন্দোলনের চেতনা থেকেই পরবর্তীকালে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি রচিত হয়।
বাংলা ভাষার জন্য বাঙালির এই আত্মত্যাগ বিশ্ববাসীর শ্রদ্ধা অর্জন করে। বাংলাদেশের উদ্যোগে ইউনেসকো ১৯৯৯ সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০০ সাল থেকে সারা বিশ্বে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ফলে এ দিনটি কেবল বাংলাদেশের নয়, বিশ্বব্যাপী ভাষাগত বৈচিত্র্য ও মাতৃভাষা সংরক্ষণের প্রতীক হয়ে উঠেছে। পৃথিবীর বহু ভাষা আজ বিলুপ্তির পথে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়—প্রতিটি ভাষাই মানবসভ্যতার অমূল্য সম্পদ; প্রতিটি ভাষার সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি জনগোষ্ঠীর ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জ্ঞানভান্ডার।
জাতীয় শহীদ দিবসে দেশের সর্বত্র শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস জানানো হবে। শিশু-কিশোরদের মধ্যে মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা ও শুদ্ধ চর্চার মনোভাব গড়ে তোলাও এ দিনের অন্যতম লক্ষ্য।
লোড হচ্ছে...