নারায়ণগঞ্জসদর
সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি ও হকারদের সাথে 'চোর-পুলিশ' খেলা যানজটকে ভয়াবহ করে তুলছে: এসপি
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়ানো তীব্র যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধানে এবার আর কোনো গতানুগতিক আলোচনা নয়, বরং দ্রুত একটি বিশেষ এবং আলাদা সভা ডাকার জোর তাগিদ দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান মুন্সী। রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, এই সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি। প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা শুনতে হলেও কার্যকর কোনো প্রতিকার না আসায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
পুলিশ সুপার বলেন, বিকেএমইএ-র ১৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক এই রমজানে কাজ না করলে মানুষের পক্ষে সময়মতো ইফতারের টেবিলে পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়ত। তবে এটি কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। শহরের প্রধান সড়কগুলোতে গাড়ি কমানোর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন গাড়ি কমাতে চাইলে আবার আন্দোলনের ভয় থাকে, তাই সব পক্ষকে সাথে নিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এছাড়া যত্রতত্র সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি এবং হকারদের সাথে পুলিশের চলমান 'চোর-পুলিশ' খেলা যানজটকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে। হকার উচ্ছেদ নিয়ে পুলিশের সাথে জনগণের অনাকাঙ্ক্ষিত বাগ্বিতণ্ডা ও সংঘাত এড়াতে তিনি সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন।
আইনশৃঙ্খলা ও মাদক পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ সুপার জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। চনপাড়ায় মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত বড় ধরনের তিনটি অভিযানে প্রায় ৭০ জন পুলিশ সদস্য অংশ নিয়েছেন। এছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জে এক রাতের বিশেষ অভিযানে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অপরাধীরা যেন আইনি ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে আবার অপকর্মে না জড়াতে পারে, সেজন্য মামলা দায়েরের সময় কঠোর আইনি ধারা নিশ্চিতের ওপর তিনি জোর দেন। মাদক নির্মূলকে একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করে তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্যদেরও জোরালো সহযোগিতা কামনা করেন।
জেলা প্রশাসক রায়হান কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় চারজন সংসদ সদস্য—আবুল কালাম, আব্দুল্লাহ আল আমিন, নজরুল ইসলাম আজাদ এবং মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু উপস্থিত থেকে জননিরাপত্তা ও উন্নয়নমূলক নানা বিষয়ে পরামর্শ দেন। সভায় র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচএম সাজ্জাদ হোসেন, জেলা সিভিল সার্জন ডা. এএফএম মুশিউর রহমান এবং সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূর কুতুবুল আলমসহ জেলা ও মহানগর বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, গণসংহতি আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিকেএমইএ-র সহসভাপতি মোরশেদ সারোয়ার সোহেলসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে নারায়ণগঞ্জের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একমত পোষণ করেন।
নারায়ণগঞ্জের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়ানো তীব্র যানজট সমস্যার স্থায়ী সমাধানে এবার আর কোনো গতানুগতিক আলোচনা নয়, বরং দ্রুত একটি বিশেষ এবং আলাদা সভা ডাকার জোর তাগিদ দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মিজানুর রহমান মুন্সী। রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, এই সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি। প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা শুনতে হলেও কার্যকর কোনো প্রতিকার না আসায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
পুলিশ সুপার বলেন, বিকেএমইএ-র ১৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক এই রমজানে কাজ না করলে মানুষের পক্ষে সময়মতো ইফতারের টেবিলে পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়ত। তবে এটি কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। শহরের প্রধান সড়কগুলোতে গাড়ি কমানোর প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন গাড়ি কমাতে চাইলে আবার আন্দোলনের ভয় থাকে, তাই সব পক্ষকে সাথে নিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এছাড়া যত্রতত্র সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি এবং হকারদের সাথে পুলিশের চলমান 'চোর-পুলিশ' খেলা যানজটকে আরও ভয়াবহ করে তুলছে। হকার উচ্ছেদ নিয়ে পুলিশের সাথে জনগণের অনাকাঙ্ক্ষিত বাগ্বিতণ্ডা ও সংঘাত এড়াতে তিনি সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন।
আইনশৃঙ্খলা ও মাদক পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ সুপার জানান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। চনপাড়ায় মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত বড় ধরনের তিনটি অভিযানে প্রায় ৭০ জন পুলিশ সদস্য অংশ নিয়েছেন। এছাড়া সিদ্ধিরগঞ্জে এক রাতের বিশেষ অভিযানে ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে অপরাধীরা যেন আইনি ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে আবার অপকর্মে না জড়াতে পারে, সেজন্য মামলা দায়েরের সময় কঠোর আইনি ধারা নিশ্চিতের ওপর তিনি জোর দেন। মাদক নির্মূলকে একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করে তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্যদেরও জোরালো সহযোগিতা কামনা করেন।
জেলা প্রশাসক রায়হান কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় চারজন সংসদ সদস্য—আবুল কালাম, আব্দুল্লাহ আল আমিন, নজরুল ইসলাম আজাদ এবং মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু উপস্থিত থেকে জননিরাপত্তা ও উন্নয়নমূলক নানা বিষয়ে পরামর্শ দেন। সভায় র্যাব-১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচএম সাজ্জাদ হোসেন, জেলা সিভিল সার্জন ডা. এএফএম মুশিউর রহমান এবং সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূর কুতুবুল আলমসহ জেলা ও মহানগর বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, গণসংহতি আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বিকেএমইএ-র সহসভাপতি মোরশেদ সারোয়ার সোহেলসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে নারায়ণগঞ্জের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একমত পোষণ করেন।
লোড হচ্ছে...