সাহিত্য-সংস্কৃতি
শাহেদ কায়েসের নতুন কাব্যগ্রন্থ ‘জল হাওর একতারা’
NHP NewsView

নিউজভিউ
অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে কবি শাহেদ কায়েসের নতুন কবিতার বই ‘জল হাওর একতারা’। বৈভব প্রকাশনী (স্টল নম্বর ৪৯-৫০) থেকে প্রকাশিত এই বইটির নান্দনিক প্রচ্ছদ করেছেন শিল্পী দেওয়ান আতিকুর রহমান এবং অলংকরণ করেছেন শিল্পী রাজীব দত্ত।
হাওরনির্ভর জীবন ও ভূপ্রকৃতিকে কেন্দ্র করে রচিত ‘জল হাওর একতারা’ মূলত একটি জলজ জনপদের কাব্যমানচিত্র। বইটিতে হাওরের শ্রমজীবী মানুষের অনিশ্চয়তা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বন্যা-খরা ও ঝড়ের প্রভাব—এ সবকিছুর মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে হাওর অঞ্চলের বহুমাত্রিক বাস্তবতা। কবি এখানে হাওরের জলকে শুধু প্রকৃতির দৃশ্য হিসেবে নয়, বরং কৃষক, জেলে, রাখাল, বারকি শ্রমিক এবং লগ্নি-দাদনের ফাঁদে বন্দি মানুষের জীবনের উপাখ্যান হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
এই গ্রন্থের কবিতাগুলোতে হাওরকে দেখা হয়েছে এক সমন্বিত জীববৈচিত্র্য ও সামাজিক-অর্থনৈতিক গঠনের অংশ হিসেবে—যেখানে মানুষ, জল, মাছ, বৃক্ষ, পাখি ও কৃষিজমি পরস্পরনির্ভর চক্রে আবর্তিত। বইটির পরতে পরতে উঠে এসেছে ষড়ঋতুর রূপান্তর, ধানকাটা আর নবান্ন, ধামাইলের সুর, মনসা-পুঁথি, বিয়ের নৌকা, মৌসুমি উৎসব ও গ্রামীণ আনুষ্ঠানিকতা এবং ভাসান পানি আন্দোলনের ইতিহাস। সব মিলিয়ে এই কবিতাগুলো হাওরকে পড়ার এক বিকল্প ভাষা তৈরি করেছে। কবির দৃষ্টিতে হাওর কখনো নিভৃত ধ্যানস্থল, আবার কখনো শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামরত জনপদের তীব্র আর্তনাদ।
‘জল হাওর একতারা’ তাই শুধু প্রাকৃতিক দৃশ্যবর্ণনার সংকলন নয়; এটি এক প্রান্তিক অঞ্চলের পরিবেশ-বাস্তবতা, জীবিকা, লোকসংস্কৃতি ও সামাজিক সংগ্রামের এক কাব্যিক দলিল। এই গ্রন্থে হাওরকে একই সঙ্গে ভূগোল, ইতিহাস ও জীবনসংহিতা হিসেবে পাঠ করা সম্ভব।
উল্লেখ্য যে, কবি শাহেদ কায়েসের প্রকাশিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— বাঁক ফেরার অভিজ্ঞতা (১৯৯৯), চূড়ায় হারানো কণ্ঠ (২০০৪), মায়াদ্বীপ (২০১৫), মঙ্গলসন্ধ্যা প্রেমের কবিতা (সম্পাদিত, ২০১৭), কৃষক ও কবির সেমিনার (২০২০), সহজিয়া প্রেমের কবিতা (২০২১), স্বনির্বাচিত কবিতা (২০২৩), মুক্তিকামী মানুষের কবিতা (অনুবাদ, ২০২৪) ও নৈরাজ্যবাদী হাওয়া (২০২৪)। এ ছাড়া তাঁর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের মধ্যে রয়েছে ইংরেজিতে রচিত ‘এশিয়ার বারটি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ (২০১৫) এবং সম্পাদিত গ্রন্থ ‘বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম স্মরণগ্রন্থ’ (২০২০)।
অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছে কবি শাহেদ কায়েসের নতুন কবিতার বই ‘জল হাওর একতারা’। বৈভব প্রকাশনী (স্টল নম্বর ৪৯-৫০) থেকে প্রকাশিত এই বইটির নান্দনিক প্রচ্ছদ করেছেন শিল্পী দেওয়ান আতিকুর রহমান এবং অলংকরণ করেছেন শিল্পী রাজীব দত্ত।
হাওরনির্ভর জীবন ও ভূপ্রকৃতিকে কেন্দ্র করে রচিত ‘জল হাওর একতারা’ মূলত একটি জলজ জনপদের কাব্যমানচিত্র। বইটিতে হাওরের শ্রমজীবী মানুষের অনিশ্চয়তা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বন্যা-খরা ও ঝড়ের প্রভাব—এ সবকিছুর মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে হাওর অঞ্চলের বহুমাত্রিক বাস্তবতা। কবি এখানে হাওরের জলকে শুধু প্রকৃতির দৃশ্য হিসেবে নয়, বরং কৃষক, জেলে, রাখাল, বারকি শ্রমিক এবং লগ্নি-দাদনের ফাঁদে বন্দি মানুষের জীবনের উপাখ্যান হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
এই গ্রন্থের কবিতাগুলোতে হাওরকে দেখা হয়েছে এক সমন্বিত জীববৈচিত্র্য ও সামাজিক-অর্থনৈতিক গঠনের অংশ হিসেবে—যেখানে মানুষ, জল, মাছ, বৃক্ষ, পাখি ও কৃষিজমি পরস্পরনির্ভর চক্রে আবর্তিত। বইটির পরতে পরতে উঠে এসেছে ষড়ঋতুর রূপান্তর, ধানকাটা আর নবান্ন, ধামাইলের সুর, মনসা-পুঁথি, বিয়ের নৌকা, মৌসুমি উৎসব ও গ্রামীণ আনুষ্ঠানিকতা এবং ভাসান পানি আন্দোলনের ইতিহাস। সব মিলিয়ে এই কবিতাগুলো হাওরকে পড়ার এক বিকল্প ভাষা তৈরি করেছে। কবির দৃষ্টিতে হাওর কখনো নিভৃত ধ্যানস্থল, আবার কখনো শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামরত জনপদের তীব্র আর্তনাদ।
‘জল হাওর একতারা’ তাই শুধু প্রাকৃতিক দৃশ্যবর্ণনার সংকলন নয়; এটি এক প্রান্তিক অঞ্চলের পরিবেশ-বাস্তবতা, জীবিকা, লোকসংস্কৃতি ও সামাজিক সংগ্রামের এক কাব্যিক দলিল। এই গ্রন্থে হাওরকে একই সঙ্গে ভূগোল, ইতিহাস ও জীবনসংহিতা হিসেবে পাঠ করা সম্ভব।
উল্লেখ্য যে, কবি শাহেদ কায়েসের প্রকাশিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে— বাঁক ফেরার অভিজ্ঞতা (১৯৯৯), চূড়ায় হারানো কণ্ঠ (২০০৪), মায়াদ্বীপ (২০১৫), মঙ্গলসন্ধ্যা প্রেমের কবিতা (সম্পাদিত, ২০১৭), কৃষক ও কবির সেমিনার (২০২০), সহজিয়া প্রেমের কবিতা (২০২১), স্বনির্বাচিত কবিতা (২০২৩), মুক্তিকামী মানুষের কবিতা (অনুবাদ, ২০২৪) ও নৈরাজ্যবাদী হাওয়া (২০২৪)। এ ছাড়া তাঁর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের মধ্যে রয়েছে ইংরেজিতে রচিত ‘এশিয়ার বারটি দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ (২০১৫) এবং সম্পাদিত গ্রন্থ ‘বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম স্মরণগ্রন্থ’ (২০২০)।
লোড হচ্ছে...