নারায়ণগঞ্জ
১৫ বছর পর জামাল হত্যা মামলার রায়
আজমেরী ওসমানের সহযোগী ‘গালপোড়া রঞ্জুর’ ফাঁসি
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
নারায়ণগঞ্জ শহরে অটোরিকশাচালক মো. জামাল হত্যা মামলার ১৫ বছর পর রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। মামলায় আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত মনিরুল ইসলাম রঞ্জু ওরফে ‘গালপোড়া রঞ্জু’কে মৃত্যুদণ্ড এবং আকাশ আহম্মেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নাজমুন্নাহার সুমি আসামিদের অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে রঞ্জুকে ২০ হাজার এবং আকাশকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মামলার অপর দুই আসামি আরাফাত খান ওরফে শান্ত ও মো. খোকন মিয়াকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৩ জুলাই ফতুল্লার পাগলা নয়ামাটি এলাকার বাসা থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন জামাল। পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
এরপর র্যাবের কাছে অভিযোগ করলে ১৭ জুলাই জামালের অটোরিকশাটি উদ্ধার এবং খোকন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রঞ্জু, আকাশ ও আরাফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া এলাকার একটি বাড়ির পরিত্যক্ত টয়লেটের পাশ থেকে জামালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সখিনা বেগম সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাত আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ১৩ অক্টোবর চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়। আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ জানান, মামলার চার আসামিই বর্তমানে পলাতক। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার আজিজুল হক বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আজমেরী ওসমানের অনুসারী ছিলেন।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নাজমুন্নাহার সুমি আসামিদের অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে রঞ্জুকে ২০ হাজার এবং আকাশকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মামলার অপর দুই আসামি আরাফাত খান ওরফে শান্ত ও মো. খোকন মিয়াকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৩ জুলাই ফতুল্লার পাগলা নয়ামাটি এলাকার বাসা থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন জামাল। পরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
এরপর র্যাবের কাছে অভিযোগ করলে ১৭ জুলাই জামালের অটোরিকশাটি উদ্ধার এবং খোকন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রঞ্জু, আকাশ ও আরাফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৮ জুলাই নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া এলাকার একটি বাড়ির পরিত্যক্ত টয়লেটের পাশ থেকে জামালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সখিনা বেগম সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখের পাশাপাশি অজ্ঞাত আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ১৩ অক্টোবর চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়। আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ জানান, মামলার চার আসামিই বর্তমানে পলাতক। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার আজিজুল হক বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আজমেরী ওসমানের অনুসারী ছিলেন।
লোড হচ্ছে...