আন্তর্জাতিক
তেল কেনায় ভারতকে দুঃসংবাদ দিল যুক্তরাষ্ট্র
NHP NewsView

নিউজভিউ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই বন্ধুরাষ্ট্র ভারতকে বড় এক দুঃসংবাদ দিল যুক্তরাষ্ট্র। ইরান ও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল আমদানির ক্ষেত্রে নয়াদিল্লি যে বিশেষ ছাড় পেয়ে আসছিল, তা আর নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন। এর ফলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি এড়িয়ে রাশিয়ার সস্তা তেল কেনার সুযোগ হারালো ভারত, যা দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "আমরা রাশিয়া ও ইরানের তেলের সাধারণ লাইসেন্স আর নবায়ন করছি না।" ১১ মার্চের আগে জাহাজে তোলা তেলের ক্ষেত্রে যে বিশেষ ছাড় ছিল, তার মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থানের ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা শিথিলের যে সাময়িক প্রচেষ্টা ছিল, তারও অবসান ঘটল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহে সংকটের আশঙ্কায় সম্প্রতি ভারতীয় শোধনাগারগুলো রাশিয়া থেকে প্রায় ৩ কোটি ব্যারেল তেলের অর্ডার দিয়েছিল। এছাড়া দীর্ঘ সাত বছর পর সম্প্রতি ইরানি তেলবাহী দুটি সুপারট্যাংকার ভারতের বন্দরে পৌঁছেছিল। কিন্তু ওয়াশিংটনের নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এই বাণিজ্য এখন বড় ধরনের আইনি ও বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল।
২০১৮ সালে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কঠোর হওয়ার আগে ভারত তার মোট তেলের ১১.৫ শতাংশই ইরান থেকে আমদানি করত। পরবর্তীতে ২০১৯ সাল থেকে তা বন্ধ হয়ে গেলেও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হলে ভারত বড় পরিসরে রুশ তেল কেনা শুরু করে। এই বিশেষ ছাড়ের ফলে ভারত বৈশ্বিক সরবরাহ বিঘ্নের মধ্যেও সস্তায় তেল পাচ্ছিল।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ওয়াশিংটন এখন ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ নীতি’ আরও জোরদার করতে চাইছে। ১৯ এপ্রিলের পর ইরানি তেলের ছাড়ের মেয়াদ পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে। এর ফলে ভারতকে এখন পুনরায় মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের তেলের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে, যা ভারতের আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই বন্ধুরাষ্ট্র ভারতকে বড় এক দুঃসংবাদ দিল যুক্তরাষ্ট্র। ইরান ও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল আমদানির ক্ষেত্রে নয়াদিল্লি যে বিশেষ ছাড় পেয়ে আসছিল, তা আর নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন। এর ফলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি এড়িয়ে রাশিয়ার সস্তা তেল কেনার সুযোগ হারালো ভারত, যা দেশটির জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "আমরা রাশিয়া ও ইরানের তেলের সাধারণ লাইসেন্স আর নবায়ন করছি না।" ১১ মার্চের আগে জাহাজে তোলা তেলের ক্ষেত্রে যে বিশেষ ছাড় ছিল, তার মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থানের ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা শিথিলের যে সাময়িক প্রচেষ্টা ছিল, তারও অবসান ঘটল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহে সংকটের আশঙ্কায় সম্প্রতি ভারতীয় শোধনাগারগুলো রাশিয়া থেকে প্রায় ৩ কোটি ব্যারেল তেলের অর্ডার দিয়েছিল। এছাড়া দীর্ঘ সাত বছর পর সম্প্রতি ইরানি তেলবাহী দুটি সুপারট্যাংকার ভারতের বন্দরে পৌঁছেছিল। কিন্তু ওয়াশিংটনের নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এই বাণিজ্য এখন বড় ধরনের আইনি ও বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল।
২০১৮ সালে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কঠোর হওয়ার আগে ভারত তার মোট তেলের ১১.৫ শতাংশই ইরান থেকে আমদানি করত। পরবর্তীতে ২০১৯ সাল থেকে তা বন্ধ হয়ে গেলেও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হলে ভারত বড় পরিসরে রুশ তেল কেনা শুরু করে। এই বিশেষ ছাড়ের ফলে ভারত বৈশ্বিক সরবরাহ বিঘ্নের মধ্যেও সস্তায় তেল পাচ্ছিল।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ওয়াশিংটন এখন ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ নীতি’ আরও জোরদার করতে চাইছে। ১৯ এপ্রিলের পর ইরানি তেলের ছাড়ের মেয়াদ পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে। এর ফলে ভারতকে এখন পুনরায় মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের তেলের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে, যা ভারতের আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে।
লোড হচ্ছে...