রাজনীতি
নারীদের অসম্মানকারীরা দেশপ্রেমিক হতে পারে না: তারেক রহমান
NewsView

নিউজভিউ
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী সমাজকে অসম্মান করে, মিথ্যার আশ্রয় নেয় এবং জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে, তারা কখনোই দেশপ্রেমিক বা জনদরদি হতে পারে না। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে খুলনার প্রভাতী স্কুলমাঠে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, “১০ কোটি নারী সমাজকে পেছনে রেখে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। বেগম খালেদা জিয়া নারীদের ক্ষমতায়নে বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। অথচ আজ একটি রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে নারীর নেতৃত্বে বিশ্বাস না করার ঘোষণা দিচ্ছে এবং কর্মজীবী মা-বোনদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছে। এটি পুরো দেশের জন্য কলঙ্ক।” তিনি আরও যোগ করেন, নবী পত্নী হজরত বিবি খাদিজা (রা.) একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন—এটি ভুলে গিয়ে যারা নারীদের অপমান করে, তাদের ইসলাম নিয়ে কথা বলার অধিকার নেই।
বিএনপি সরকার গঠন করলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী করা হবে। এছাড়া দল-মত ও শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। তারেক রহমান স্পষ্ট জানান, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জুলাই-আগস্টের শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ বিনির্মাণই হবে প্রধান লক্ষ্য।
খুলনা অঞ্চলকে পুনরায় সচল শিল্পনগরীতে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে। বর্তমানে যাদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ রয়েছে, তা সুদসহ মওকুফ করা হবে। বেকারত্ব দূর করতে এবং তরুণদের দক্ষ করে তুলতে আধুনিক আইটি পার্ক ও কারিগরি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
বিগত ১৬ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “এদেশের মানুষ এক যুগেরও বেশি সময় ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। হাজারো নেতাকর্মী গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে স্বৈরাচার বিদায় করেছে। এখন সময় এসেছে অধিকার আদায়ের। আগামী ১২ তারিখ হবে সেই বঞ্চনার বিরুদ্ধে ভোটের বিপ্লব।”
জনসভায় তারেক রহমান দেশবাসীকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট অঞ্চলের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা নারী সমাজকে অসম্মান করে, মিথ্যার আশ্রয় নেয় এবং জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে, তারা কখনোই দেশপ্রেমিক বা জনদরদি হতে পারে না। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে খুলনার প্রভাতী স্কুলমাঠে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, “১০ কোটি নারী সমাজকে পেছনে রেখে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। বেগম খালেদা জিয়া নারীদের ক্ষমতায়নে বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন। অথচ আজ একটি রাজনৈতিক দল প্রকাশ্যে নারীর নেতৃত্বে বিশ্বাস না করার ঘোষণা দিচ্ছে এবং কর্মজীবী মা-বোনদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করছে। এটি পুরো দেশের জন্য কলঙ্ক।” তিনি আরও যোগ করেন, নবী পত্নী হজরত বিবি খাদিজা (রা.) একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন—এটি ভুলে গিয়ে যারা নারীদের অপমান করে, তাদের ইসলাম নিয়ে কথা বলার অধিকার নেই।
বিএনপি সরকার গঠন করলে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী করা হবে। এছাড়া দল-মত ও শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ দেশ গড়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। তারেক রহমান স্পষ্ট জানান, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জুলাই-আগস্টের শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ বিনির্মাণই হবে প্রধান লক্ষ্য।
খুলনা অঞ্চলকে পুনরায় সচল শিল্পনগরীতে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে। বর্তমানে যাদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ রয়েছে, তা সুদসহ মওকুফ করা হবে। বেকারত্ব দূর করতে এবং তরুণদের দক্ষ করে তুলতে আধুনিক আইটি পার্ক ও কারিগরি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
বিগত ১৬ বছরের দুঃশাসনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, “এদেশের মানুষ এক যুগেরও বেশি সময় ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। হাজারো নেতাকর্মী গুম-খুনের শিকার হয়েছেন। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমে স্বৈরাচার বিদায় করেছে। এখন সময় এসেছে অধিকার আদায়ের। আগামী ১২ তারিখ হবে সেই বঞ্চনার বিরুদ্ধে ভোটের বিপ্লব।”
জনসভায় তারেক রহমান দেশবাসীকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট অঞ্চলের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...