নারায়ণগঞ্জসদর
ত্বকী হত্যার ১৫৪ মাস
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও বিচার না হওয়া দুঃখজনক
NewsView

নিউজভিউ
তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার এক যুগ এবং ১৫৪ মাস অতিবাহিত হলেও বিচার শুরু না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চ ও নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক জোট। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিচারহীনতার বিরুদ্ধে আলোক প্রজ্বালন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি মনি সুপান্থর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দীনা তাজরিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্বকীর পিতা রফিউর রাব্বি।
রফিউর রাব্বি বলেন, “শেখ হাসিনা বিচার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে গেছেন, কিন্তু সরকারের পরিবর্তনের পরও সেই ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আমরা দেখছি না। গতকাল ত্বকী হত্যা মামলার ১০০তম কার্যদিবস অতিবাহিত হলেও র্যাব আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। শেখ হাসিনা শামীম ওসমানকে বাঁচাতে সাড়ে ১১ বছর বিচার বন্ধ রেখেছিলেন, কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর পার হলেও সাগর-রুনী বা ত্বকী হত্যার বিচারে কোনো অগ্রগতি নেই।”
তিনি আরও বলেন, “চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান হয়েছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে, কিন্তু এখন লৈঙ্গিক ও ধর্মীয় বৈষম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি উগ্রবাদী গোষ্ঠী আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধ্বংস করতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। মানুষের স্বপ্ন আজ ধূলিসাৎ হতে চলেছে।”
সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সদস্য সচিব হালিম আজাদ বলেন, “দেশে এখনো মাফিয়া ও গডফাদারদের রাজত্বের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। সব ধর্মের ও সব মতের মানুষের স্বাধীনতার পথ এখনো কণ্টকাকীর্ণ।”
সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা অবিলম্বে ত্বকী হত্যার নির্দেশদাতা শামীম ওসমানসহ সকল ঘাতককে আইনের আওতায় এনে বিচার শুরু করার দাবি জানান। কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন জাহিদুল হক দীপু, শীবনাথ চক্রবর্তী, আবু নাইম খান বিপ্লব, তরিকুল সুজন এবং অ্যাডভোকেট জিয়াউল ইসলাম কাজল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ ত্বকী নিখোঁজ হওয়ার পর ৮ মার্চ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ২০১৪ সালে র্যাব জানিয়েছিল, আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে। তবে সেই চার্জশিট দীর্ঘ ১১ বছরেও আদালতে জমা পড়েনি।
তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার এক যুগ এবং ১৫৪ মাস অতিবাহিত হলেও বিচার শুরু না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চ ও নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক জোট। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিচারহীনতার বিরুদ্ধে আলোক প্রজ্বালন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি মনি সুপান্থর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দীনা তাজরিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্বকীর পিতা রফিউর রাব্বি।
রফিউর রাব্বি বলেন, “শেখ হাসিনা বিচার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে গেছেন, কিন্তু সরকারের পরিবর্তনের পরও সেই ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আমরা দেখছি না। গতকাল ত্বকী হত্যা মামলার ১০০তম কার্যদিবস অতিবাহিত হলেও র্যাব আদালতে চার্জশিট জমা দিতে পারেনি। শেখ হাসিনা শামীম ওসমানকে বাঁচাতে সাড়ে ১১ বছর বিচার বন্ধ রেখেছিলেন, কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর পার হলেও সাগর-রুনী বা ত্বকী হত্যার বিচারে কোনো অগ্রগতি নেই।”
তিনি আরও বলেন, “চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান হয়েছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে, কিন্তু এখন লৈঙ্গিক ও ধর্মীয় বৈষম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি উগ্রবাদী গোষ্ঠী আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধ্বংস করতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। মানুষের স্বপ্ন আজ ধূলিসাৎ হতে চলেছে।”
সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সদস্য সচিব হালিম আজাদ বলেন, “দেশে এখনো মাফিয়া ও গডফাদারদের রাজত্বের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। সব ধর্মের ও সব মতের মানুষের স্বাধীনতার পথ এখনো কণ্টকাকীর্ণ।”
সমাবেশে উপস্থিত বক্তারা অবিলম্বে ত্বকী হত্যার নির্দেশদাতা শামীম ওসমানসহ সকল ঘাতককে আইনের আওতায় এনে বিচার শুরু করার দাবি জানান। কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন জাহিদুল হক দীপু, শীবনাথ চক্রবর্তী, আবু নাইম খান বিপ্লব, তরিকুল সুজন এবং অ্যাডভোকেট জিয়াউল ইসলাম কাজল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ ত্বকী নিখোঁজ হওয়ার পর ৮ মার্চ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ২০১৪ সালে র্যাব জানিয়েছিল, আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে। তবে সেই চার্জশিট দীর্ঘ ১১ বছরেও আদালতে জমা পড়েনি।
লোড হচ্ছে...