আন্তর্জাতিক
ইরানে ফের ছাত্র আন্দোলন শুরু
NewsView4

নিউজভিউ ডেস্ক
শনিবার নতুন সেমিস্টারের শুরুতে ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে। স্থানীয় সংবাদ সংস্থা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত পোস্ট অনুযায়ী, কিছু জায়গায় সরকারপন্থী গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের সংঘর্ষও হয়েছে। গত মাসে কর্তৃপক্ষের কঠোর দমন অভিযানের পর এটাই বড় পরিসরের প্রথম বিক্ষোভ বলে জানা গেছে। যাচাই করা ভিডিওতে দেখা গেছে, তেহরানের শরীফ ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলোজি ক্যাম্পাসে শত শত শিক্ষার্থী শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করছে। তাদের অনেকের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা। বিক্ষোভকারীরা “স্বৈরাচার নিপাত যাক” সহ বিভিন্ন সরকারবিরোধী স্লোগান দেয়, যা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খমেনিকে উদ্দেশ করে বলা হয়েছে। পরে সেখানে সরকারপন্থী সমর্থকদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
এছাড়া রাজধানীর শহীদ বেহেস্তি ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। আরেকটি ভিডিওতে আমিরকবির ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলোজিতে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাসাদ-এও শিক্ষার্থীরা সমাবেশ করে স্বাধীনতা এবং অধিকার নিয়ে স্লোগান দেয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতে দেশজুড়ে হওয়া গণবিক্ষোভে নিহতদের স্মরণে এই কর্মসূচি পালন করে। ওই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে এবং দ্রুত তা দেশব্যাপী আন্দোলনে রূপ নেয় যা ১৯৭৯ সালের ইসলামিক রেভল্যুশন এর পর সবচেয়ে বড় অস্থিরতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস এক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি HRANA দাবি করেছে, সেই আন্দোলনের সময় অন্তত ৬,১৫৯ জন নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ইরানি কর্তৃপক্ষ বলেছে, নিহতের সংখ্যা ৩,১০০ জনের বেশি, তবে তাদের মতে অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য বা সাধারণ মানুষ, যারা দাঙ্গাবাজদের হামলায় প্রাণ হারিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক চাপ দুইয়ের মাঝেই ইরানের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
এছাড়া রাজধানীর শহীদ বেহেস্তি ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। আরেকটি ভিডিওতে আমিরকবির ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলোজিতে সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়ার দৃশ্য দেখা গেছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাসাদ-এও শিক্ষার্থীরা সমাবেশ করে স্বাধীনতা এবং অধিকার নিয়ে স্লোগান দেয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতে দেশজুড়ে হওয়া গণবিক্ষোভে নিহতদের স্মরণে এই কর্মসূচি পালন করে। ওই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে এবং দ্রুত তা দেশব্যাপী আন্দোলনে রূপ নেয় যা ১৯৭৯ সালের ইসলামিক রেভল্যুশন এর পর সবচেয়ে বড় অস্থিরতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস এক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি HRANA দাবি করেছে, সেই আন্দোলনের সময় অন্তত ৬,১৫৯ জন নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ইরানি কর্তৃপক্ষ বলেছে, নিহতের সংখ্যা ৩,১০০ জনের বেশি, তবে তাদের মতে অধিকাংশই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য বা সাধারণ মানুষ, যারা দাঙ্গাবাজদের হামলায় প্রাণ হারিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক চাপ দুইয়ের মাঝেই ইরানের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
লোড হচ্ছে...