রাজনীতি
নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন
দুই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইসিতে কাসেমীর অভিযোগ
NewsView

নিউজভিউ
আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনীত প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী। জেলা পুলিশের দুইজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জনৈক প্রভাবশালী প্রার্থীর পক্ষে পক্ষপাতমূলক আচরণ ও অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ তুলে তিনি ১ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর দাখিল করা অভিযোগে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন—নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী এবং ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই দুই কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা উপেক্ষা করে দায়িত্ব পালনে চরম পক্ষপাতিত্ব করছেন।
লিখিত অভিযোগে কাসেমী দাবি করেন, উল্লিখিত পুলিশ কর্মকর্তারা একটি নির্দিষ্ট পক্ষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এর বিনিময়ে তাঁরা একজন বিত্তশালী ও প্রভাবশালী শিল্পপতি প্রার্থীর কর্মীদের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন ও বিশেষ সুবিধা প্রদান করছেন। এই ধরনের আচরণ সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভীতি ও অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনী প্রচারণা, পথসভা ও গণসংযোগের ক্ষেত্রে পুলিশের পক্ষ থেকে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। অর্থের বিনিময়ে এক পক্ষকে ছাড় দেওয়া এবং অন্য প্রার্থীর সমর্থকদের হয়রানি করার ফলে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এটি সরাসরি নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধির লঙ্ঘন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী জানান, এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছেও একই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে জনমনে গভীর সংশয় তৈরি হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনীত প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী। জেলা পুলিশের দুইজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে জনৈক প্রভাবশালী প্রার্থীর পক্ষে পক্ষপাতমূলক আচরণ ও অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ তুলে তিনি ১ ফেব্রুয়ারি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
মুফতি মনির হোসাইন কাসেমীর দাখিল করা অভিযোগে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন—নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী এবং ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, এই দুই কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা উপেক্ষা করে দায়িত্ব পালনে চরম পক্ষপাতিত্ব করছেন।
লিখিত অভিযোগে কাসেমী দাবি করেন, উল্লিখিত পুলিশ কর্মকর্তারা একটি নির্দিষ্ট পক্ষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এর বিনিময়ে তাঁরা একজন বিত্তশালী ও প্রভাবশালী শিল্পপতি প্রার্থীর কর্মীদের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন ও বিশেষ সুবিধা প্রদান করছেন। এই ধরনের আচরণ সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভীতি ও অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনী প্রচারণা, পথসভা ও গণসংযোগের ক্ষেত্রে পুলিশের পক্ষ থেকে বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে। অর্থের বিনিময়ে এক পক্ষকে ছাড় দেওয়া এবং অন্য প্রার্থীর সমর্থকদের হয়রানি করার ফলে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এটি সরাসরি নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধির লঙ্ঘন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী জানান, এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছেও একই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অন্যথায় নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে জনমনে গভীর সংশয় তৈরি হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
লোড হচ্ছে...