নারায়ণগঞ্জআড়াইহাজার
নারায়ণগঞ্জে থানা থেকে আসামি উধাও
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় পুলিশি হেফাজত থেকে এক আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ইসমাইল (৩০) পুলিশের ‘অসাবধানতার’ সুযোগ নিয়ে থানা থেকে চম্পট দেয়। এই ঘটনায় পুলিশের পেশাদারিত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নিউজভিউকে মুঠোফোনে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (গ-সার্কেল) মেহেদী ইসলাম।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মার্চ উপজেলার চরকমলাপুর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বিল্লাল হোসেন ও তার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইসমাইল অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। সোমবার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অজিত কুমারের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।
গ্রেপ্তারের পর ইসমাইলকে থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জহিরুল ইসলামের কক্ষে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে অত্যন্ত কৌশলে কক্ষ থেকে বেরিয়ে থানা এলাকা ত্যাগ করেন তিনি। এসআই অজিত কুমার জানান, আসামিকে থানায় রেখে তিনি বিশেষ প্রয়োজনে বাইরে গিয়েছিলেন, কিন্তু ফিরে এসে তাকে আর পাননি। অদ্ভুত বিষয় হলো, যার কক্ষে বসিয়ে রাখা হয়েছিল সেই এসআই জহিরুল ইসলাম এ বিষয়ে ‘কিছুই জানেন না’ বলে দাবি করেছেন।
থানার মতো সুরক্ষিত জায়গা থেকে একজন এজাহারভুক্ত আসামি কীভাবে নিখোঁজ হলেন, তা নিয়ে খোদ পুলিশ বিভাগেই তোলপাড় চলছে। কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই তদন্ত। জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম জানান, “তদন্তে কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে পলাতক আসামি ইসমাইলকে পুনরায় গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। ইসমাইল উপজেলার চরকমলাপুর এলাকার হাবিবুল্লাহর ছেলে বলে জানা গেছে।
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় পুলিশি হেফাজত থেকে এক আসামির পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ইসমাইল (৩০) পুলিশের ‘অসাবধানতার’ সুযোগ নিয়ে থানা থেকে চম্পট দেয়। এই ঘটনায় পুলিশের পেশাদারিত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নিউজভিউকে মুঠোফোনে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার (গ-সার্কেল) মেহেদী ইসলাম।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মার্চ উপজেলার চরকমলাপুর এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বিল্লাল হোসেন ও তার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ইসমাইল অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। সোমবার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অজিত কুমারের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।
গ্রেপ্তারের পর ইসমাইলকে থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই জহিরুল ইসলামের কক্ষে বসিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে অত্যন্ত কৌশলে কক্ষ থেকে বেরিয়ে থানা এলাকা ত্যাগ করেন তিনি। এসআই অজিত কুমার জানান, আসামিকে থানায় রেখে তিনি বিশেষ প্রয়োজনে বাইরে গিয়েছিলেন, কিন্তু ফিরে এসে তাকে আর পাননি। অদ্ভুত বিষয় হলো, যার কক্ষে বসিয়ে রাখা হয়েছিল সেই এসআই জহিরুল ইসলাম এ বিষয়ে ‘কিছুই জানেন না’ বলে দাবি করেছেন।
থানার মতো সুরক্ষিত জায়গা থেকে একজন এজাহারভুক্ত আসামি কীভাবে নিখোঁজ হলেন, তা নিয়ে খোদ পুলিশ বিভাগেই তোলপাড় চলছে। কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই তদন্ত। জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম জানান, “তদন্তে কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে পলাতক আসামি ইসমাইলকে পুনরায় গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। ইসমাইল উপজেলার চরকমলাপুর এলাকার হাবিবুল্লাহর ছেলে বলে জানা গেছে।
লোড হচ্ছে...