সারা দেশ
হাতি নেই তবুও শিকলে বাঁধা ‘হাতির কড়াই’
NewsView6

নিউজভিউ ডেস্ক
বাড়িতে এখন আর হাতি নেই, তবুও হাতির স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে একটি বিশাল লোহার কড়াই। প্রায় দুই শ বছর আগে ভারত থেকে আনা কড়াইটি ব্যবহার করা হতো হাতিকে পানি খাওয়ানোর জন্য। সময়ের পরিক্রমায় এই ‘হাতির কড়াই’ নামেই এখন পরিচিতি পেয়েছে পুরো একটি এলাকা। ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী এই কড়াইটি দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে আসা উৎসুক দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে।
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে ধর্মপাল ইউনিয়নের তহসিলদার পাড়া এলাকায় অবস্থিত উত্তরাধিকারী হাজী এমদাদুল হকের বাড়ির আঙিনায় এটি এখনো সংরক্ষিত রয়েছে। যার ব্যাস আর উচ্চতা প্রায় ৭ ফুট, ওজন প্রায় এক টন। বর্তমানে কড়াইটি শিকল দিয়ে বাঁধা অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়েছে। সম্প্রতি এটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নিদর্শনের স্বীকৃতিও পেয়েছে বলে জানান উত্তরাধিকারীরা।
স্থানীয়রা বলছেন, হাতিকে পানি খাওয়ানোর জন্য ভারত থেকে আনা হয়েছিল এই কড়াইটি। পূর্বপুরুষদের স্মৃতি ধরে রাখতে এটি সংরক্ষণ করা হয়েছে। এটি প্রাচীন হওয়াতে এই এলাকাটি হাতির কড়াই নামেও পরিচিতি পেয়েছে। কড়াইটির নামে এখানে মসজিদ ও মাদ্রাসা রয়েছে। গ্রামটির নামকরণও করা হয়েছে এটিকে কেন্দ্র করে। দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই কড়াইটি দেখার বাড়ির উঠাবে ভিড় করছেন।
সৈয়দপুর উপজেলা থেকে আসা রিয়াজুল হাসান নামের দর্শনার্থী জানান, লোকমুখে এই কড়াইটির কথা শুনে এখানে এসেছি। ঐতিহ্য বহনকারী কড়াইটি দেখে মুগ্ধ হয়েছি। এখানে এসে কড়াইটির ইতিহাস জানলাম। রংপুর থেকে আসা কলেজছাত্রী ইসমত আরা জানান, লোকমুখে শুনে কড়াইটি দেখতে এসেছি। জীবনে এত বড় কড়াই দেখেনি।
পরিবারটির উত্তরাধিকার ইকবাল বিন ইমদাদ জানান, আমি শুনেছি দাদার দুইটি হাতি ছিল, সেই হাতি দুইটিকে পানি খাওয়ানোর জন্য রেলযোগে ভারত থেকে এই কড়াইটি এনেছিল। হাতি দুইটি মারা গেলেও, আমার দাদা স্মৃতি হিসেবে কড়াইটিকে রেখে দিয়েছেন। ধারাবাহিকতায় আমার বাবা এটিকে সংরক্ষণ করে রেখেছেন, ভবিষ্যতে আমরাও এটিকে যথাযথ ভাবে সংরক্ষণ করবো।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই পরিবারের উত্তরাধিকারীদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে, তারা রাজি থাকলে, ঐতিহ্য বহনকারী ‘হাতির কড়াই’ সংরক্ষণে উদ্যোগ গ্রহণ করবে জেলা প্রশাসন।
হাতির কড়াই
বাড়িতে এখন আর হাতি নেই, তবুও হাতির স্মৃতি বয়ে বেড়াচ্ছে একটি বিশাল লোহার কড়াই। প্রায় দুই শ বছর আগে ভারত থেকে আনা কড়াইটি ব্যবহার করা হতো হাতিকে পানি খাওয়ানোর জন্য। সময়ের পরিক্রমায় এই ‘হাতির কড়াই’ নামেই এখন পরিচিতি পেয়েছে পুরো একটি এলাকা। ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী এই কড়াইটি দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে আসা উৎসুক দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে।
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে ধর্মপাল ইউনিয়নের তহসিলদার পাড়া এলাকায় অবস্থিত উত্তরাধিকারী হাজী এমদাদুল হকের বাড়ির আঙিনায় এটি এখনো সংরক্ষিত রয়েছে। যার ব্যাস আর উচ্চতা প্রায় ৭ ফুট, ওজন প্রায় এক টন। বর্তমানে কড়াইটি শিকল দিয়ে বাঁধা অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়েছে। সম্প্রতি এটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নিদর্শনের স্বীকৃতিও পেয়েছে বলে জানান উত্তরাধিকারীরা।
স্থানীয়রা বলছেন, হাতিকে পানি খাওয়ানোর জন্য ভারত থেকে আনা হয়েছিল এই কড়াইটি। পূর্বপুরুষদের স্মৃতি ধরে রাখতে এটি সংরক্ষণ করা হয়েছে। এটি প্রাচীন হওয়াতে এই এলাকাটি হাতির কড়াই নামেও পরিচিতি পেয়েছে। কড়াইটির নামে এখানে মসজিদ ও মাদ্রাসা রয়েছে। গ্রামটির নামকরণও করা হয়েছে এটিকে কেন্দ্র করে। দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই কড়াইটি দেখার বাড়ির উঠাবে ভিড় করছেন।
সৈয়দপুর উপজেলা থেকে আসা রিয়াজুল হাসান নামের দর্শনার্থী জানান, লোকমুখে এই কড়াইটির কথা শুনে এখানে এসেছি। ঐতিহ্য বহনকারী কড়াইটি দেখে মুগ্ধ হয়েছি। এখানে এসে কড়াইটির ইতিহাস জানলাম। রংপুর থেকে আসা কলেজছাত্রী ইসমত আরা জানান, লোকমুখে শুনে কড়াইটি দেখতে এসেছি। জীবনে এত বড় কড়াই দেখেনি।
পরিবারটির উত্তরাধিকার ইকবাল বিন ইমদাদ জানান, আমি শুনেছি দাদার দুইটি হাতি ছিল, সেই হাতি দুইটিকে পানি খাওয়ানোর জন্য রেলযোগে ভারত থেকে এই কড়াইটি এনেছিল। হাতি দুইটি মারা গেলেও, আমার দাদা স্মৃতি হিসেবে কড়াইটিকে রেখে দিয়েছেন। ধারাবাহিকতায় আমার বাবা এটিকে সংরক্ষণ করে রেখেছেন, ভবিষ্যতে আমরাও এটিকে যথাযথ ভাবে সংরক্ষণ করবো।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই পরিবারের উত্তরাধিকারীদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে, তারা রাজি থাকলে, ঐতিহ্য বহনকারী ‘হাতির কড়াই’ সংরক্ষণে উদ্যোগ গ্রহণ করবে জেলা প্রশাসন।
হাতির কড়াই
লোড হচ্ছে...