নারায়ণগঞ্জসদর
দেওভোগে যুবককের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকায় এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (১ জানুয়ারি) সকাল সাতটার দিকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম রায়হান খান (২৫)। সে চাঁদপুর জেলার বহারিয়া বাজার এলাকার মৃত বিল্লাল খানের ছেলে। তিনি ফতুল্লার তাঁতিপাড়া এলাকায় ইয়াসিন মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
পুলিশ বলছে, নিহত রায়হানের বিরুদ্ধে হত্যা ও ছিনতাইসহ একাধিক অপরাধের মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকায় রায়হানের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। রায়হান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিক্রি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মাদক ব্যবসা বা আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোনো বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) মো. আব্দুল মান্নান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরে প্রচণ্ড মারধরের চিহ্ন এবং মাথায় ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত পাওয়া গেছে।
ওসি আরও জানান, নিহত রায়হান খানের বিরুদ্ধে ফতুল্লাসহ বিভিন্ন থানায় হত্যা, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নেমেছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকায় এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (১ জানুয়ারি) সকাল সাতটার দিকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম রায়হান খান (২৫)। সে চাঁদপুর জেলার বহারিয়া বাজার এলাকার মৃত বিল্লাল খানের ছেলে। তিনি ফতুল্লার তাঁতিপাড়া এলাকায় ইয়াসিন মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।
পুলিশ বলছে, নিহত রায়হানের বিরুদ্ধে হত্যা ও ছিনতাইসহ একাধিক অপরাধের মামলা রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে দেওভোগ নাগবাড়ি এলাকায় রায়হানের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। রায়হান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিক্রি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মাদক ব্যবসা বা আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোনো বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ফতুল্লা মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অফিসার ইনচার্জ) মো. আব্দুল মান্নান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরে প্রচণ্ড মারধরের চিহ্ন এবং মাথায় ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত পাওয়া গেছে।
ওসি আরও জানান, নিহত রায়হান খানের বিরুদ্ধে ফতুল্লাসহ বিভিন্ন থানায় হত্যা, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির একাধিক মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম অভিযানে নেমেছে।
লোড হচ্ছে...