সারা দেশ
প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা
ঈশ্বরগঞ্জ-উচাখিলা সড়ক খানাখন্দে বেহাল
NewsView

ঈশ্বরগঞ্জ-উচাখিলা সড়কের একাংশ
নিউজভিউ ডেস্ক
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা শিমুলতলী মোড় থেকে উচাখিলা বাজার পর্যন্ত প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দ ও গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন জনদুর্ভোগের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি গত এক যুগেও সংস্কার হয়নি। তারা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন পাঁচ ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে থাকেন। ব্যবসাবাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে এ সড়কের ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে, ব্রহ্মপুত্র নদতীরবর্তী উচাখিলা ও রাজিবপুর ইউনিয়নের কৃষকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এ দুই ইউনিয়নে বিপুল পরিমাণ শাকসবজি উৎপাদিত হয়, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে ঢাকাতে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে কৃষিপণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা।
উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচার চর গ্রামের কৃষক আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘আমাদের মরিচার চর, চর আলগি, রফিয়ার আলগি ও আলাদিয়ার আলগি গ্রামের অধিকাংশ কৃষক ধানের চেয়ে শাকসবজি চাষ বেশি করে। কিন্তু রাস্তার কারণে পাইকাররা এখন আর গাড়ি নিয়ে চরে আসতে চায় না। এতে আমরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছি না।’
একই অভিযোগ রাজিবপুর ইউনিয়নের কৃষক এমদাদুল হকের। তিনি জানান, উজান চর নওপাড়া ভাটিচর নওপাড়া চর রামমোহন ও সীমারবুক এলাকার প্রায় ২১ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ হয়। পরিবহন সংকটের কারণে এসব এলাকার কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
উচাখিলা ইউনিয়নের সমাজসেবক ফেরদৌস কোরাইশি টিটু বলেন, ঈশ্বরগঞ্জ-উচাখিলা সড়কটি শুধু একটি রাস্তা নয়, এটি এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার প্রধান অবলম্বন। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ যেমন দুর্ভোগে পড়েছেন, তেমনি কৃষকরাও তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে গিয়ে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের কৃষকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক খান সেলিম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও কৃষকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে, কৃষিপণ্য পরিবহনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিষয়টি ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ময়মনসিংহ জেলা উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কারিগরি টিমকে সরেজমিনে পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।’
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা শিমুলতলী মোড় থেকে উচাখিলা বাজার পর্যন্ত প্রায় ১১ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দ ও গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন জনদুর্ভোগের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি গত এক যুগেও সংস্কার হয়নি। তারা দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন পাঁচ ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে থাকেন। ব্যবসাবাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে এ সড়কের ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে, ব্রহ্মপুত্র নদতীরবর্তী উচাখিলা ও রাজিবপুর ইউনিয়নের কৃষকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এ দুই ইউনিয়নে বিপুল পরিমাণ শাকসবজি উৎপাদিত হয়, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে ঢাকাতে সরবরাহ করা হয়। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে কৃষিপণ্য পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কৃষকরা।
উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচার চর গ্রামের কৃষক আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘আমাদের মরিচার চর, চর আলগি, রফিয়ার আলগি ও আলাদিয়ার আলগি গ্রামের অধিকাংশ কৃষক ধানের চেয়ে শাকসবজি চাষ বেশি করে। কিন্তু রাস্তার কারণে পাইকাররা এখন আর গাড়ি নিয়ে চরে আসতে চায় না। এতে আমরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছি না।’
একই অভিযোগ রাজিবপুর ইউনিয়নের কৃষক এমদাদুল হকের। তিনি জানান, উজান চর নওপাড়া ভাটিচর নওপাড়া চর রামমোহন ও সীমারবুক এলাকার প্রায় ২১ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ হয়। পরিবহন সংকটের কারণে এসব এলাকার কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
উচাখিলা ইউনিয়নের সমাজসেবক ফেরদৌস কোরাইশি টিটু বলেন, ঈশ্বরগঞ্জ-উচাখিলা সড়কটি শুধু একটি রাস্তা নয়, এটি এই অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকার প্রধান অবলম্বন। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার না হওয়ায় সাধারণ মানুষ যেমন দুর্ভোগে পড়েছেন, তেমনি কৃষকরাও তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে গিয়ে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের কৃষকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক খান সেলিম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও কৃষকরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে, কৃষিপণ্য পরিবহনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিষয়টি ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে নেওয়া হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ময়মনসিংহ জেলা উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোফাখখারুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজের জন্য একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কারিগরি টিমকে সরেজমিনে পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটির সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।’
লোড হচ্ছে...