রাজনীতি
জেলা পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেন অধ্যাপক মামুন মাহমুদ
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ৪২টি জেলার সাথে তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও কৌশলগত কারণে অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে তখন সংসদ নির্বাচনে দেখা যায়নি। তবে ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এই নেতার সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে সরকার ও দল তাকে জেলা পরিষদের শীর্ষ পদে জনসেবার সুযোগ করে দিয়েছে। জেলা পরিষদের স্থবিরতা কাটিয়ে প্রশাসনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে তার এই নিয়োগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, "নারায়ণগঞ্জ দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক অঞ্চল। জেলা পরিষদের মাধ্যমে জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে আমি বদ্ধপরিকর। দল ও সরকার আমার ওপর যে আস্থা রেখেছে, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে তার প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টা করব।"
তিনি আরও বলেন, "জনসেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বড় সুযোগ হলেও বর্তমানে জেলা পরিষদের মাধ্যমে পুরো জেলার মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নে কাজ করার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, তাকে আমি ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করছি। আধুনিক ও স্মার্ট নারায়ণগঞ্জ গড়তে আমি সাধারণ মানুষের মতামতকে প্রাধান্য দেব।"
উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে এবং জেলা পর্যায়ের উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে একযোগে ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শিল্পাঞ্চল নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে মামুন মাহমুদের এই নতুন পথচলাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তার অনুসারী ও সাধারণ মানুষ।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ৪২টি জেলার সাথে তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকলেও কৌশলগত কারণে অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে তখন সংসদ নির্বাচনে দেখা যায়নি। তবে ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির এই নেতার সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে সরকার ও দল তাকে জেলা পরিষদের শীর্ষ পদে জনসেবার সুযোগ করে দিয়েছে। জেলা পরিষদের স্থবিরতা কাটিয়ে প্রশাসনিক গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে তার এই নিয়োগকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, "নারায়ণগঞ্জ দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক অঞ্চল। জেলা পরিষদের মাধ্যমে জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে আমি বদ্ধপরিকর। দল ও সরকার আমার ওপর যে আস্থা রেখেছে, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে তার প্রতিফলন ঘটানোর চেষ্টা করব।"
তিনি আরও বলেন, "জনসেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বড় সুযোগ হলেও বর্তমানে জেলা পরিষদের মাধ্যমে পুরো জেলার মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নে কাজ করার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, তাকে আমি ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করছি। আধুনিক ও স্মার্ট নারায়ণগঞ্জ গড়তে আমি সাধারণ মানুষের মতামতকে প্রাধান্য দেব।"
উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে এবং জেলা পর্যায়ের উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে একযোগে ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শিল্পাঞ্চল নারায়ণগঞ্জের উন্নয়নে মামুন মাহমুদের এই নতুন পথচলাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন তার অনুসারী ও সাধারণ মানুষ।
লোড হচ্ছে...