নারায়ণগঞ্জ
অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ অভিযানে নারায়ণগঞ্জে ১৬ জন গ্রেপ্তার
NewsView

নিউজ ভিউ
নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের বিশেষ কার্যক্রম "অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২" এর আওতায় গত ১৯ ডিসেম্বর জেলার বিভিন্ন স্থানে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে ১৬ জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক অপরাধের সাথে জড়িত।
সদর মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো. বশির উদ্দিন শিকদার, মো. রিপন সরদার ও কাজী হারুনুর রশিদকে গ্রেপ্তার করেছে। ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের অভিযানে আটক হয়েছেন মো. তরিকুল ইসলাম ও মিষ্টি শিরু। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে সবচেয়ে বেশি ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, তারা হলেন মো. জুম্মান সরকার, মো. তাজুল ইসলাম, মো. খোরশেদ আলম ও রহিম উদ্দিন। বন্দর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে হাজী মো. মঞ্জু এবং রূপগঞ্জ থানা থেকে শহিদুল ইসলাম শ্রাবনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া আড়াইহাজার থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো: আজিজুল্লাহ, মজিবুর রহমান, ইউসুফ আলী ইমন, মো: রিফাত হোসেন ও ছাব্বিরকে গ্রেফতার করা হয়।
জেলা পুলিশ আরও জানায়, অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার সাতটি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে ৩১৯টি গাড়ি এবং ৩৪৭টি মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয়েছে। ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ১৪টি প্রসিকিউশন দাখিল এবং ৩টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের বিশেষ কার্যক্রম "অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেইজ-২" এর আওতায় গত ১৯ ডিসেম্বর জেলার বিভিন্ন স্থানে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে ১৬ জন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতরা বিভিন্ন নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক অপরাধের সাথে জড়িত।
সদর মডেল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো. বশির উদ্দিন শিকদার, মো. রিপন সরদার ও কাজী হারুনুর রশিদকে গ্রেপ্তার করেছে। ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের অভিযানে আটক হয়েছেন মো. তরিকুল ইসলাম ও মিষ্টি শিরু। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে সবচেয়ে বেশি ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, তারা হলেন মো. জুম্মান সরকার, মো. তাজুল ইসলাম, মো. খোরশেদ আলম ও রহিম উদ্দিন। বন্দর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে হাজী মো. মঞ্জু এবং রূপগঞ্জ থানা থেকে শহিদুল ইসলাম শ্রাবনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া আড়াইহাজার থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো: আজিজুল্লাহ, মজিবুর রহমান, ইউসুফ আলী ইমন, মো: রিফাত হোসেন ও ছাব্বিরকে গ্রেফতার করা হয়।
জেলা পুলিশ আরও জানায়, অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার সাতটি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে ৩১৯টি গাড়ি এবং ৩৪৭টি মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয়েছে। ট্রাফিক আইন অমান্য করায় ১৪টি প্রসিকিউশন দাখিল এবং ৩টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
লোড হচ্ছে...