জাতীয়
ইয়াসমিন ট্র্যাজেডির ৩১ বছর
NewsView5

নিউজভিউ
একটি কিশোরী, কয়েকজন পুলিশ সদস্য এবং একটি নির্মম হত্যাকাণ্ড—যে ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল পুরো দেশ। ১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট দিনাজপুরে ইয়াসমিনকে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলন পরিণত হয়েছিল দেশের অন্যতম আলোচিত গণপ্রতিবাদে। সেই ঘটনার ৩১ বছর পূর্ণ হলো আজ।
ঢাকায় গৃহকর্মীর কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দিনাজপুরের দশমাইল এলাকায় বাস থেকে নামিয়ে নেওয়া হয় কিশোরী ইয়াসমিনকে। পরে তার মরদেহ সড়কের পাশে পাওয়া যায়। পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফেটে পড়ে দিনাজপুরের মানুষ।
ইয়াসমিন হত্যার বিচার ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে শুরু হয় বিক্ষোভ। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনায় প্রাণ হারান কয়েকজন। এতে ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ড আরও বড় প্রতিবাদের কেন্দ্রে পরিণত হয়।
পরে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ইয়াসমিন হত্যায় অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড হয়। পরবর্তীতে তাদের সাজা কার্যকর করা হয়।
ইয়াসমিনের মৃত্যুর পর নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে নতুন মাত্রা যোগ হয়। প্রতিবছর ২৪ আগস্ট বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ইয়াসমিনকে স্মরণ করে এবং নারী ও শিশুর নিরাপত্তা ও নির্যাতনের দ্রুত বিচার দাবি করে।
তিন দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ইয়াসমিনের নাম হারিয়ে যায়নি। বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, নারীর নিরাপত্তা এবং বিচার নিশ্চিতের দাবিতে তার স্মৃতি আজও ফিরে আসে।
ঢাকায় গৃহকর্মীর কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দিনাজপুরের দশমাইল এলাকায় বাস থেকে নামিয়ে নেওয়া হয় কিশোরী ইয়াসমিনকে। পরে তার মরদেহ সড়কের পাশে পাওয়া যায়। পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফেটে পড়ে দিনাজপুরের মানুষ।
ইয়াসমিন হত্যার বিচার ও জড়িতদের শাস্তির দাবিতে শুরু হয় বিক্ষোভ। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও গুলির ঘটনায় প্রাণ হারান কয়েকজন। এতে ইয়াসমিন হত্যাকাণ্ড আরও বড় প্রতিবাদের কেন্দ্রে পরিণত হয়।
পরে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ইয়াসমিন হত্যায় অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যের মৃত্যুদণ্ড হয়। পরবর্তীতে তাদের সাজা কার্যকর করা হয়।
ইয়াসমিনের মৃত্যুর পর নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে জনমত গঠনে নতুন মাত্রা যোগ হয়। প্রতিবছর ২৪ আগস্ট বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ইয়াসমিনকে স্মরণ করে এবং নারী ও শিশুর নিরাপত্তা ও নির্যাতনের দ্রুত বিচার দাবি করে।
তিন দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও ইয়াসমিনের নাম হারিয়ে যায়নি। বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, নারীর নিরাপত্তা এবং বিচার নিশ্চিতের দাবিতে তার স্মৃতি আজও ফিরে আসে।
লোড হচ্ছে...