রাজনীতিসদর
১০০ দিনে ৭ সমস্যা সমাধান না করলে পদত্যাগের ঘোষণা তারিকুলের
NewsView

নিউজভিউ
নির্বাচিত হওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রধান ৭টি নাগরিক সমস্যার সমাধান করতে না পারলে সংসদ সদস্য পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী তারিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ১৭ দফার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন।
তারিকুল ইসলাম বলেন, "আমি এমপিগিরি করার জন্য নয়, বরং শহর ও বন্দরের মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। আমিও এই শহরের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। এই শহরকে আমাদের সবার জন্যই বাসযোগ্য করতে হবে।"
১. চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূল করে নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ২. বঙ্গবন্ধু (বিবি) রোডে অটো রিকশা ও হকার নিয়ন্ত্রণ করে ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করা এবং পরিবহনে মাসোহারা বন্ধ করা। ৩. সাধারণ মানুষের জন্য বন্দর ঘাটের টোল ফ্রি করা এবং সদর-বন্দরের ভাঙা রাস্তাগুলো দ্রুত সংস্কার করা। ৪. তিতাস ও সিটি কর্পোরেশনের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে বন্দর এলাকার গ্যাস ও পানির সংকট নিরসন করা। ৫. সরকারি হাসপাতালগুলোকে দালালমুক্ত করা এবং ২৪ ঘণ্টা মানসম্মত জরুরি সেবা নিশ্চিত করা। ৬. বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও এলপিজি গ্যাসের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা। ৭. সরকারি অফিস ও থানাকে ঘুষ এবং হয়রানিমুক্ত করে শতভাগ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা।
তারিকুল ইসলাম জানান, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি মাসিক অগ্রগতির প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মো. বিপ্লব খান, সদস্য সচিব মো. আলমগীর হোসেন, সদস্য শুভ দেব, ফারহানা মানিক মুনা, কাকলী আক্তার এবং ছাত্র ফেডারেশনের সহ-সভাপতি সৃজয় সাহাসহ অন্যান্য নেতারা।
নির্বাচিত হওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রধান ৭টি নাগরিক সমস্যার সমাধান করতে না পারলে সংসদ সদস্য পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী তারিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ১৭ দফার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে তিনি এই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন।
তারিকুল ইসলাম বলেন, "আমি এমপিগিরি করার জন্য নয়, বরং শহর ও বন্দরের মানুষের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। আমিও এই শহরের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। এই শহরকে আমাদের সবার জন্যই বাসযোগ্য করতে হবে।"
১. চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূল করে নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ২. বঙ্গবন্ধু (বিবি) রোডে অটো রিকশা ও হকার নিয়ন্ত্রণ করে ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করা এবং পরিবহনে মাসোহারা বন্ধ করা। ৩. সাধারণ মানুষের জন্য বন্দর ঘাটের টোল ফ্রি করা এবং সদর-বন্দরের ভাঙা রাস্তাগুলো দ্রুত সংস্কার করা। ৪. তিতাস ও সিটি কর্পোরেশনের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে বন্দর এলাকার গ্যাস ও পানির সংকট নিরসন করা। ৫. সরকারি হাসপাতালগুলোকে দালালমুক্ত করা এবং ২৪ ঘণ্টা মানসম্মত জরুরি সেবা নিশ্চিত করা। ৬. বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও এলপিজি গ্যাসের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা। ৭. সরকারি অফিস ও থানাকে ঘুষ এবং হয়রানিমুক্ত করে শতভাগ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা।
তারিকুল ইসলাম জানান, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তিনি মাসিক অগ্রগতির প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মো. বিপ্লব খান, সদস্য সচিব মো. আলমগীর হোসেন, সদস্য শুভ দেব, ফারহানা মানিক মুনা, কাকলী আক্তার এবং ছাত্র ফেডারেশনের সহ-সভাপতি সৃজয় সাহাসহ অন্যান্য নেতারা।
লোড হচ্ছে...