আন্তর্জাতিক
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা, নিহত ২৭৪
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন গজব-লিল হক’-এ এ পর্যন্ত ২৭৪ জন তালেবান সদস্য ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। অভিযানে ৪০০-এর বেশি তালেবান সদস্য আহত হওয়ার পাশাপাশি তাদের ব্যাপক সামরিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
আইএসপিআর-এর মহাপরিচালক জানান, অভিযানের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তালেবানের ৭৩টি সামরিক পোস্ট ধ্বংস করেছে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী এবং ১৮টি পোস্ট নিজেদের দখলে নিয়েছে। এছাড়া আফগান তালেবানের ১১৫টি ট্যাংক, সাঁজোয়া যান (এপিসি) এবং আর্টিলারি অস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে বলে প্রাথমিক হিসাবে জানানো হয়। রাজধানী কাবুলসহ পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশে পাকিস্তান বিমান বাহিনী (পিএএফ) এই ব্যাপক হামলা চালায়।
ঘটনার সূত্রপাত হয় বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায়। ডুরান্ড লাইন সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাচৌকি লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায় আফগান সেনাবাহিনী। এতে অন্তত ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হন এবং বেশ কয়েকজনকে বন্দি করে নিয়ে যায় তালেবান বাহিনী।
আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এই হামলার দায় স্বীকার করে জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিয়ায় পাকিস্তান যে বিমান হামলা চালিয়ে ৮০ জনকে হত্যা করেছিল, এটি ছিল তারই বদলা।
আফগান বাহিনী হামলা শেষে রাত ১২টায় ফিরে যাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর, রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করে। প্রতিশোধ হিসেবে পাকিস্তান বিমান বাহিনী সীমান্তের ওপাড়ে তালেবান নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে কঠোর আক্রমণ চালায়, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
সীমান্তে এমন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় এক ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দুই দেশের সীমান্তবর্তী বেসামরিক এলাকাগুলো থেকে সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে শুরু করেছে।
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন গজব-লিল হক’-এ এ পর্যন্ত ২৭৪ জন তালেবান সদস্য ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তান আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। অভিযানে ৪০০-এর বেশি তালেবান সদস্য আহত হওয়ার পাশাপাশি তাদের ব্যাপক সামরিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
আইএসপিআর-এর মহাপরিচালক জানান, অভিযানের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তালেবানের ৭৩টি সামরিক পোস্ট ধ্বংস করেছে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী এবং ১৮টি পোস্ট নিজেদের দখলে নিয়েছে। এছাড়া আফগান তালেবানের ১১৫টি ট্যাংক, সাঁজোয়া যান (এপিসি) এবং আর্টিলারি অস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে বলে প্রাথমিক হিসাবে জানানো হয়। রাজধানী কাবুলসহ পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশে পাকিস্তান বিমান বাহিনী (পিএএফ) এই ব্যাপক হামলা চালায়।
ঘটনার সূত্রপাত হয় বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টায়। ডুরান্ড লাইন সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাচৌকি লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায় আফগান সেনাবাহিনী। এতে অন্তত ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হন এবং বেশ কয়েকজনকে বন্দি করে নিয়ে যায় তালেবান বাহিনী।
আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এই হামলার দায় স্বীকার করে জানান, গত ২১ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিয়ায় পাকিস্তান যে বিমান হামলা চালিয়ে ৮০ জনকে হত্যা করেছিল, এটি ছিল তারই বদলা।
আফগান বাহিনী হামলা শেষে রাত ১২টায় ফিরে যাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর, রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী ‘অপারেশন গজব-লিল হক’ শুরু করে। প্রতিশোধ হিসেবে পাকিস্তান বিমান বাহিনী সীমান্তের ওপাড়ে তালেবান নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে কঠোর আক্রমণ চালায়, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।
সীমান্তে এমন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় এক ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দুই দেশের সীমান্তবর্তী বেসামরিক এলাকাগুলো থেকে সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে শুরু করেছে।
লোড হচ্ছে...