শিক্ষারূপগঞ্জ
পরীক্ষা বর্জন করায় নারায়ণগঞ্জে ৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা
NewsView

নিউজ ভিউ, নারায়ণগঞ্জ: শিক্ষকদের দেশব্যাপী আন্দোলনের মধ্যেই পরীক্ষা বর্জন করায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁ উপজেলার তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আটজন সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কর্মবিরতিতে থাকা এই শিক্ষকদের বিষয়ে ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালকের কাছে লিখিত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌসী বেগম এই লিখিত প্রতিবেদনটি জমা দেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত আটজন শিক্ষকের মধ্যে সাতজন কর্মস্থলে উপস্থিত থেকেও পরীক্ষা বর্জন করেছেন, আর একজন শিক্ষক সম্পূর্ণরূপে অনুপস্থিত ছিলেন।
তবে শিক্ষকদের আন্দোলনের মধ্যেও জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষার কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি বলে জেলা শিক্ষা অফিস জানিয়েছে। নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি উপজেলার মোট ৫৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নিয়মিত চলছে। গত ১ ডিসেম্বর বন্দর, সোনারগাঁ ও রূপগঞ্জ উপজেলায় পরীক্ষা শুরু হয় এবং সদর ও আড়াইহাজার উপজেলায় পরীক্ষা শুরু হয় তার পরের দিন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌসী বেগম নিশ্চিত করে বলেন, "এই আটজন শিক্ষক কর্মবিরতিতে রয়েছেন, তবে পরীক্ষায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। সব স্কুলে পরীক্ষা চলছেই। যারা পরীক্ষা বর্জন করেছেন, তাদের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা তারাই দেবেন।"
এদিকে, আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়েও অনেক শিক্ষক শিশুদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে দায়িত্ব পালন করছেন। সদর উপজেলার ৭৭ নম্বর রামারবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাবিবুর রহমান বলেন, "আমরা দেশব্যাপী আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি রাখি, কিন্তু শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই দায়িত্ব পালন করছি। পরীক্ষায় আমরা অংশ নিচ্ছি, তবে সরকারের উচিত আমাদের ন্যায্য দাবির প্রতি ন্যূনতম সম্মান দেখানো।"
প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপ সত্ত্বেও, জেলার বেশিরভাগ প্রাথমিক শিক্ষক শিশুদের শিক্ষা জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখতে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে পেশাগত দায়িত্বের প্রতি তাদের অঙ্গীকার দেখিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌসী বেগম এই লিখিত প্রতিবেদনটি জমা দেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভিযুক্ত আটজন শিক্ষকের মধ্যে সাতজন কর্মস্থলে উপস্থিত থেকেও পরীক্ষা বর্জন করেছেন, আর একজন শিক্ষক সম্পূর্ণরূপে অনুপস্থিত ছিলেন।
তবে শিক্ষকদের আন্দোলনের মধ্যেও জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষার কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি বলে জেলা শিক্ষা অফিস জানিয়েছে। নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি উপজেলার মোট ৫৪৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নিয়মিত চলছে। গত ১ ডিসেম্বর বন্দর, সোনারগাঁ ও রূপগঞ্জ উপজেলায় পরীক্ষা শুরু হয় এবং সদর ও আড়াইহাজার উপজেলায় পরীক্ষা শুরু হয় তার পরের দিন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফেরদৌসী বেগম নিশ্চিত করে বলেন, "এই আটজন শিক্ষক কর্মবিরতিতে রয়েছেন, তবে পরীক্ষায় কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। সব স্কুলে পরীক্ষা চলছেই। যারা পরীক্ষা বর্জন করেছেন, তাদের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা তারাই দেবেন।"
এদিকে, আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি জানিয়েও অনেক শিক্ষক শিশুদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে দায়িত্ব পালন করছেন। সদর উপজেলার ৭৭ নম্বর রামারবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাবিবুর রহমান বলেন, "আমরা দেশব্যাপী আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি রাখি, কিন্তু শিশুদের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই দায়িত্ব পালন করছি। পরীক্ষায় আমরা অংশ নিচ্ছি, তবে সরকারের উচিত আমাদের ন্যায্য দাবির প্রতি ন্যূনতম সম্মান দেখানো।"
প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপ সত্ত্বেও, জেলার বেশিরভাগ প্রাথমিক শিক্ষক শিশুদের শিক্ষা জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখতে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে পেশাগত দায়িত্বের প্রতি তাদের অঙ্গীকার দেখিয়েছেন।
লোড হচ্ছে...