সারা দেশ
বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ২২০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত
NewsView5
.jpg)
নিউজভিউ ডেস্ক
টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। জেলার তিনটি প্রধান নদী—সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাকখালী—বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সড়ক। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বহু মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছেন।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে সরিয়ে নিতে জেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশ ও নদীতীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব জানান, বুধবার সকাল ৯টায় সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাকখালী নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
সদর, রুমা ও থানচি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। সদর উপজেলার আর্মি পাড়া, ইসলামপুর ও শেরে বাংলা নগরের অনেক বাড়িঘর পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে থানচির বলিপাড়া এলাকায় কালভার্ট ডুবে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। রুমা উপজেলায় একটি সেতু পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বাজার এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এসব এলাকায় মানুষ নৌকায় চলাচল করছেন।
বান্দরবান সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিল্টন দস্তিদার জানান, বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত উপজেলার ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৯০টি পরিবারের প্রায় ৭০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের জন্য খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এদিকে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় জেলার বিভিন্ন স্থানে বন্যা ও পাহাড় ধসের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষকে সরিয়ে নিতে জেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশ ও নদীতীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক সানিউল ফেরদৌস বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসন সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩০৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকায় পাহাড় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অপু দেব জানান, বুধবার সকাল ৯টায় সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাকখালী নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ দশমিক ৭৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
সদর, রুমা ও থানচি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। সদর উপজেলার আর্মি পাড়া, ইসলামপুর ও শেরে বাংলা নগরের অনেক বাড়িঘর পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে থানচির বলিপাড়া এলাকায় কালভার্ট ডুবে যাওয়ায় বান্দরবানের সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। রুমা উপজেলায় একটি সেতু পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বাজার এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এসব এলাকায় মানুষ নৌকায় চলাচল করছেন।
বান্দরবান সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিল্টন দস্তিদার জানান, বুধবার বেলা ১১টা পর্যন্ত উপজেলার ৪৫টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১৯০টি পরিবারের প্রায় ৭০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের জন্য খাদ্যসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এদিকে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় জেলার বিভিন্ন স্থানে বন্যা ও পাহাড় ধসের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
লোড হচ্ছে...