আন্তর্জাতিক
ইরানে সামরিক হামলার দ্বারপ্রান্তে ট্রাম্প
NewsView

নিউজভিউ
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের উত্তেজনা এবার সরাসরি সংঘাতের রূপ নিতে যাচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সামরিক বাহিনী এই সপ্তাহের মধ্যেই সম্ভাব্য আক্রমণ শুরু করার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো খবর প্রকাশ করেছে। এই পদক্ষেপকে ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সামরিক তৎপরতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি নজিরবিহীনভাবে বাড়ানো হয়েছে। ইরানের উপকূলবর্তী জলসীমায় ইতোমধ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরী, একাধিক যুদ্ধজাহাজ এবং কয়েক শ উন্নত যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১৫০টি সামরিক কার্গো ফ্লাইটের মাধ্যমে বিশাল সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাঠানো হয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলের দাবি অনুযায়ী, ট্রাম্প কেবল একটি ছোটখাটো হামলা নয়, বরং ইরানের বিরুদ্ধে কয়েক সপ্তাহব্যাপী একটি ব্যাপক ও সর্বাত্মক সামরিক অভিযানের অনুমোদন দিতে যাচ্ছেন। অ্যাক্সিওসের তথ্যমতে, এই অভিযানের লক্ষ্য কেবল ইরানের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা নয়, বরং দেশটির শাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনাও মার্কিন পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে কাজ করবে বলে জানা গেছে।
কূটনৈতিক পথে সমাধান খুঁজতে ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ আলোচনা চালিয়ে গেলেও তাতে কোনো অগ্রগতি হয়নি। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধের মার্কিন দাবি তেহরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
এদিকে ট্রাম্পের এই যুদ্ধংদেহী মনোভাব নিয়ে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ডেমোক্র্যাটিক হাউস সংখ্যালঘু নেতা হাকিম জেফ্রিজ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট একতরফাভাবে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না এবং এর জন্য সংবিধান অনুযায়ী কংগ্রেসের অনুমোদন আবশ্যক। তবে ট্রাম্প তাঁর উপদেষ্টা ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে আলাপ সেরে নিয়েছেন এবং যেকোনো মুহূর্তে আক্রমণের সবুজ সংকেত দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে এমন একটি বড় সামরিক সিদ্ধান্ত রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক ভাগ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতি যেদিকে এগুচ্ছে, তাতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি বড় আকারের যুদ্ধ শুরু হওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের উত্তেজনা এবার সরাসরি সংঘাতের রূপ নিতে যাচ্ছে। ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সামরিক বাহিনী এই সপ্তাহের মধ্যেই সম্ভাব্য আক্রমণ শুরু করার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো খবর প্রকাশ করেছে। এই পদক্ষেপকে ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সামরিক তৎপরতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি নজিরবিহীনভাবে বাড়ানো হয়েছে। ইরানের উপকূলবর্তী জলসীমায় ইতোমধ্যে দুটি বিমানবাহী রণতরী, একাধিক যুদ্ধজাহাজ এবং কয়েক শ উন্নত যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১৫০টি সামরিক কার্গো ফ্লাইটের মাধ্যমে বিশাল সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাঠানো হয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলের দাবি অনুযায়ী, ট্রাম্প কেবল একটি ছোটখাটো হামলা নয়, বরং ইরানের বিরুদ্ধে কয়েক সপ্তাহব্যাপী একটি ব্যাপক ও সর্বাত্মক সামরিক অভিযানের অনুমোদন দিতে যাচ্ছেন। অ্যাক্সিওসের তথ্যমতে, এই অভিযানের লক্ষ্য কেবল ইরানের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা নয়, বরং দেশটির শাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনাও মার্কিন পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে কাজ করবে বলে জানা গেছে।
কূটনৈতিক পথে সমাধান খুঁজতে ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ আলোচনা চালিয়ে গেলেও তাতে কোনো অগ্রগতি হয়নি। ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, পারমাণবিক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধের মার্কিন দাবি তেহরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
এদিকে ট্রাম্পের এই যুদ্ধংদেহী মনোভাব নিয়ে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ডেমোক্র্যাটিক হাউস সংখ্যালঘু নেতা হাকিম জেফ্রিজ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট একতরফাভাবে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না এবং এর জন্য সংবিধান অনুযায়ী কংগ্রেসের অনুমোদন আবশ্যক। তবে ট্রাম্প তাঁর উপদেষ্টা ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে আলাপ সেরে নিয়েছেন এবং যেকোনো মুহূর্তে আক্রমণের সবুজ সংকেত দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে এমন একটি বড় সামরিক সিদ্ধান্ত রিপাবলিকানদের রাজনৈতিক ভাগ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতি যেদিকে এগুচ্ছে, তাতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি বড় আকারের যুদ্ধ শুরু হওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার বলে মনে করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...