নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট
৪৫ বছর পূর্তি ও বর্ষবরণ উৎসব
NewsView

নিউজভিউবপুরনো জীর্ণতা ধুয়ে সূর্য জাগবে মঙ্গল আরাধ্যে। এমন প্রত্যাশায় শুরু হয়েছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের ৪৫ তম বর্ষপূর্তি ও বাংলাবর্ষবরণ উৎসব।
‘বাজাও তোমার বজ্র নিনাদ, কণ্ঠ ছাড়ো; শ্বেত কবুতর উড়িয়ে দাও, আগে বাড়ো’—এই শাশ্বত ও দ্রোহের স্লোগানকে হৃদয়ে ধারণ করে বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি সামনে রেখে আজ ১৪ এপ্রিল থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত (১লা থেকে ৪ঠা বৈশাখ) চারদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য উৎসবের ডাক এই ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এই আয়োজনকে ঘিরে ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জেগেছে হাজার প্রাণের উচ্ছ্বাস।
উৎসবের সূচনা- ১ বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) মঙ্গলবার। এদিন ভোরের আলো ফোটার সঙ্গ সঙ্গেই সকাল ছয়টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শুরু হয় বর্ণিল প্রভাতী অনুষ্ঠান। বাঁশির সুর, তবলালহড়া, ধ্রুপদী সংগীত, কবিতা আবৃত্তি এবং নাচের ছন্দে নতুন বছরকে স্বাগত জানাবে জোটের শিল্পীরা। এরপরই বের করা হবে অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রা। ওইদিন বিকেলে উদ্বোধনের পর জোটভুক্ত সংগঠনগুলো পরিবেশন করে সংগীত, আবৃত্তি, মূকাভিনয় ও নাটক।
উৎসবের দ্বিতীয় দিন আজ (১৫ এপ্রিল) বুধবার বিকেল চারটা থেকে থাকছে সাংস্কৃতিক জোটভুক্ত সংগঠনগুলোর নিজস্ব পরিবেশনা। এদিনের বিশেষ আকর্ষণ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রখ্যাত বাউল শিল্পীদের লোকজ গান। তৃতীয় দিন ৩ বৈশাখ (১৬ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় পুরো আয়োজন রূপ নেবে এক বিশাল বাউল উৎসবে। মরমি সুরের মূর্ছনায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ মাতিয়ে রাখবেন সাধক বাউলরা।
উৎসবের চতুর্থ ও সমাপনী দিন ৪ বৈশাখ (১৭ এপ্রিল) শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটায় অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তিত হয়ে বসবে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে। এদিন মঞ্চস্থ হবে সাড়া জাগানো নাটক ‘টিনের তলোয়ার’। উৎপল দত্তের কালজয়ী এই রচনাটি নির্দেশনা দিয়েছেন প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব অনন্ত হিরা এবং মঞ্চায়নে থাকবে নাট্যদল ‘প্রাঙ্গণে মোর’।
সাংস্কৃতিক জোটের নেতারা জানিয়েছেন, ৪৫ বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় সংগঠনটি নারায়ণগঞ্জের মানুষের গণতান্ত্রিক ও সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এবারের বৈশাখী উৎসব কেবল বিনোদন নয়, বরং শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে অপশক্তির বিরুদ্ধে এক ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ।
‘বাজাও তোমার বজ্র নিনাদ, কণ্ঠ ছাড়ো; শ্বেত কবুতর উড়িয়ে দাও, আগে বাড়ো’—এই শাশ্বত ও দ্রোহের স্লোগানকে হৃদয়ে ধারণ করে বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি সামনে রেখে আজ ১৪ এপ্রিল থেকে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত (১লা থেকে ৪ঠা বৈশাখ) চারদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য উৎসবের ডাক এই ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এই আয়োজনকে ঘিরে ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে জেগেছে হাজার প্রাণের উচ্ছ্বাস।
উৎসবের সূচনা- ১ বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) মঙ্গলবার। এদিন ভোরের আলো ফোটার সঙ্গ সঙ্গেই সকাল ছয়টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শুরু হয় বর্ণিল প্রভাতী অনুষ্ঠান। বাঁশির সুর, তবলালহড়া, ধ্রুপদী সংগীত, কবিতা আবৃত্তি এবং নাচের ছন্দে নতুন বছরকে স্বাগত জানাবে জোটের শিল্পীরা। এরপরই বের করা হবে অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রা। ওইদিন বিকেলে উদ্বোধনের পর জোটভুক্ত সংগঠনগুলো পরিবেশন করে সংগীত, আবৃত্তি, মূকাভিনয় ও নাটক।
উৎসবের দ্বিতীয় দিন আজ (১৫ এপ্রিল) বুধবার বিকেল চারটা থেকে থাকছে সাংস্কৃতিক জোটভুক্ত সংগঠনগুলোর নিজস্ব পরিবেশনা। এদিনের বিশেষ আকর্ষণ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রখ্যাত বাউল শিল্পীদের লোকজ গান। তৃতীয় দিন ৩ বৈশাখ (১৬ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় পুরো আয়োজন রূপ নেবে এক বিশাল বাউল উৎসবে। মরমি সুরের মূর্ছনায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ মাতিয়ে রাখবেন সাধক বাউলরা।
উৎসবের চতুর্থ ও সমাপনী দিন ৪ বৈশাখ (১৭ এপ্রিল) শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটায় অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তিত হয়ে বসবে নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে। এদিন মঞ্চস্থ হবে সাড়া জাগানো নাটক ‘টিনের তলোয়ার’। উৎপল দত্তের কালজয়ী এই রচনাটি নির্দেশনা দিয়েছেন প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব অনন্ত হিরা এবং মঞ্চায়নে থাকবে নাট্যদল ‘প্রাঙ্গণে মোর’।
সাংস্কৃতিক জোটের নেতারা জানিয়েছেন, ৪৫ বছরের এই দীর্ঘ পথচলায় সংগঠনটি নারায়ণগঞ্জের মানুষের গণতান্ত্রিক ও সাংস্কৃতিক লড়াইয়ে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। এবারের বৈশাখী উৎসব কেবল বিনোদন নয়, বরং শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে অপশক্তির বিরুদ্ধে এক ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ।
লোড হচ্ছে...