নারায়ণগঞ্জরূপগঞ্জ
শুভ হত্যায় অভিযুক্ত ‘লাল শুভ’ র্যাবের জালে ধরা
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এসি মেকার তরুণ শুভ (২১) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও মূল অভিযুক্তকে আটকের দাবি করেছে র্যাব। সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোরে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ এলাকায় র্যাব-১১ ও র্যাব-১৩ এর এক যৌথ অভিযানে অভিযুক্ত আল আমিন ইসলাম ওরফে লাল শুভকে (২৪) আটক করা হয়। নিখোঁজের সাত দিন পর রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচ থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের সূত্র ধরে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
তদন্ত ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে নিহত শুভ পেশায় একজন এসি মেকার ছিলেন। গত ২৯ মার্চ বিকেলে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকেশ্বরী এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে যান। ওইদিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত লাল শুভ তাকে ফোন করে পূর্ব ইসদাইর রেললাইন এলাকায় আসার কথা বলেন। শুভ সেখানে পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে ১ নম্বর অভিযুক্ত রানা ও লাল শুভসহ একদল ব্যক্তি তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় একটি অটোরিকশায় করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
এরপর থেকেই পরিবারের সাথে শুভর সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর গত ৩১ মার্চ রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচ থেকে পুলিশ একটি অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে শুভর মরদেহ শনাক্ত করেন। এই ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং গণমাধ্যমেও গুরুত্বের সাথে প্রচার হয়।
র্যাব জানায় হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের গোয়েন্দা দল জানতে পারে যে অন্যতম অভিযুক্ত লাল শুভ নীলফামারীতে আত্মগোপন করে আছেন। পরে সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে নীলফামারীর গাড়াগ্রাম জুম্মার পাড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি ব্যক্তিগত বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এসি মেকার তরুণ শুভ (২১) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও মূল অভিযুক্তকে আটকের দাবি করেছে র্যাব। সোমবার (৬ এপ্রিল) ভোরে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ এলাকায় র্যাব-১১ ও র্যাব-১৩ এর এক যৌথ অভিযানে অভিযুক্ত আল আমিন ইসলাম ওরফে লাল শুভকে (২৪) আটক করা হয়। নিখোঁজের সাত দিন পর রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচ থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের সূত্র ধরে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলো।
তদন্ত ও এজাহার সূত্রে জানা গেছে নিহত শুভ পেশায় একজন এসি মেকার ছিলেন। গত ২৯ মার্চ বিকেলে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকেশ্বরী এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে যান। ওইদিন সন্ধ্যায় অভিযুক্ত লাল শুভ তাকে ফোন করে পূর্ব ইসদাইর রেললাইন এলাকায় আসার কথা বলেন। শুভ সেখানে পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে ১ নম্বর অভিযুক্ত রানা ও লাল শুভসহ একদল ব্যক্তি তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় একটি অটোরিকশায় করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
এরপর থেকেই পরিবারের সাথে শুভর সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর গত ৩১ মার্চ রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের নিচ থেকে পুলিশ একটি অজ্ঞাতপরিচয় মরদেহ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে শুভর মরদেহ শনাক্ত করেন। এই ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং গণমাধ্যমেও গুরুত্বের সাথে প্রচার হয়।
র্যাব জানায় হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের গোয়েন্দা দল জানতে পারে যে অন্যতম অভিযুক্ত লাল শুভ নীলফামারীতে আত্মগোপন করে আছেন। পরে সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে নীলফামারীর গাড়াগ্রাম জুম্মার পাড় এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিকে পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি ব্যক্তিগত বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে।
লোড হচ্ছে...