রাজনীতি
অনেকে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে, সেক্ষেত্রে প্রশাসনের নীরবতা উদ্বেগজনক: সেলিম মাহমুদ
NewsView

নিউজভিউ
নির্বাচনকে একটি জাতীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করে একে অবাধ ও সুষ্ঠু রাখার গুরুদায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাসদ মনোনীত প্রার্থী সেলিম মাহমুদ। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ‘মই’ প্রতীকের গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন।
সেলিম মাহমুদ এদিন বিকেল ৪টায় বক্তাবলী গুদারাঘাট এলাকা থেকে প্রচার শুরু করে বক্তাবলী বাজার ও মধ্যপাড়াসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন।
পথসভায় সেলিম মাহমুদ বলেন, “নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যার সাথে গোটা দেশের মানুষ একাত্ম হয়ে গেছে। তাই সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের প্রধান দায়িত্ব।” তিনি অভিযোগ করে বলেন, “ইতিমধ্যেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে অনেকে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণা চালাচ্ছেন। অথচ এসব ক্ষেত্রে প্রশাসনের নীরবতা আমাদের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত ও উদ্বেগজনক।”
গণসংযোগ ও প্রচারণাকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বাসদ-এর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক এম এ মিল্টন, বাসদ ফতুল্লা থানার আহ্বায়ক এস এম কাদির, স্থানীয় নেতা জামাল হোসেন, মোসলে উদ্দিন এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নেতা আহাম্মেদ রবিন স্বপ্ন, জিহাদ ও বেলাল হোসেনসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তাবলীর সাধারণ মানুষের কাছে সেলিম মাহমুদ তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরে বলেন, গত ১৫ বছরে নারায়ণগঞ্জের এই জনপদে যে ভয়ের সংস্কৃতি ও মাফিয়াতন্ত্র কায়েম হয়েছিল, তার বিপরীতে সাধারণ মানুষের মর্যাদা ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ‘মই’ মার্কা সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
নির্বাচনকে একটি জাতীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করে একে অবাধ ও সুষ্ঠু রাখার গুরুদায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাসদ মনোনীত প্রার্থী সেলিম মাহমুদ। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ‘মই’ প্রতীকের গণসংযোগকালে তিনি এ কথা বলেন।
সেলিম মাহমুদ এদিন বিকেল ৪টায় বক্তাবলী গুদারাঘাট এলাকা থেকে প্রচার শুরু করে বক্তাবলী বাজার ও মধ্যপাড়াসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন।
পথসভায় সেলিম মাহমুদ বলেন, “নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া যার সাথে গোটা দেশের মানুষ একাত্ম হয়ে গেছে। তাই সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের প্রধান দায়িত্ব।” তিনি অভিযোগ করে বলেন, “ইতিমধ্যেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে অনেকে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণা চালাচ্ছেন। অথচ এসব ক্ষেত্রে প্রশাসনের নীরবতা আমাদের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত ও উদ্বেগজনক।”
গণসংযোগ ও প্রচারণাকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বাসদ-এর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক এম এ মিল্টন, বাসদ ফতুল্লা থানার আহ্বায়ক এস এম কাদির, স্থানীয় নেতা জামাল হোসেন, মোসলে উদ্দিন এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট নেতা আহাম্মেদ রবিন স্বপ্ন, জিহাদ ও বেলাল হোসেনসহ স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তাবলীর সাধারণ মানুষের কাছে সেলিম মাহমুদ তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকার তুলে ধরে বলেন, গত ১৫ বছরে নারায়ণগঞ্জের এই জনপদে যে ভয়ের সংস্কৃতি ও মাফিয়াতন্ত্র কায়েম হয়েছিল, তার বিপরীতে সাধারণ মানুষের মর্যাদা ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ‘মই’ মার্কা সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
লোড হচ্ছে...