আদালত
আইভীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর
NHP NewsView

নিউজভিউ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সিদ্ধিরগঞ্জে সেলিম মণ্ডল নামের এক কর্মী নিহতের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সেলিনা খাতুন দীর্ঘ শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই শিমরাইল মোড়ে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তিনজন শ্রমিক নিহত হন, যাদের মধ্যে সেলিম মণ্ডলও ছিলেন। ঘটনার প্রায় ১০ মাস পর নিহতের পিতা ওয়াজেদ আলী এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। যদিও প্রাথমিক এজাহারে সাবেক মেয়র আইভীর নাম ছিল না, তবে পরবর্তীতে পুলিশের তদন্তে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাঁকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে গত সোমবারও একই আদালতে তাঁর জামিন প্রার্থনা করা হলে তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল।
এ বিষয়ে আইভীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা এ মামলায় আদালতে যৌক্তিক কোনো তথ্য উপস্থাপন করতে পারেননি। তারপরও আদালত তাকে জামিন দেননি। মনগড়া অভিযোগে আইভীকে হয়রানি করার জন্য তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটি একটি মিথ্যা মামলা।
উল্লেখ্য যে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি অন্য পাঁচটি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেলেও এই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার থাকার কারণে তিনি বর্তমানে জেলহাজতেই রয়েছেন। আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো জানিয়েছে, এই আইনি লড়াইয়ের পরবর্তী ধাপ হিসেবে উচ্চতর আদালতে জামিনের আবেদন করা হতে পারে। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন পর্যায়ে রয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সিদ্ধিরগঞ্জে সেলিম মণ্ডল নামের এক কর্মী নিহতের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সেলিনা খাতুন দীর্ঘ শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই শিমরাইল মোড়ে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তিনজন শ্রমিক নিহত হন, যাদের মধ্যে সেলিম মণ্ডলও ছিলেন। ঘটনার প্রায় ১০ মাস পর নিহতের পিতা ওয়াজেদ আলী এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। যদিও প্রাথমিক এজাহারে সাবেক মেয়র আইভীর নাম ছিল না, তবে পরবর্তীতে পুলিশের তদন্তে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাঁকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর আগে গত সোমবারও একই আদালতে তাঁর জামিন প্রার্থনা করা হলে তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল।
এ বিষয়ে আইভীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা এ মামলায় আদালতে যৌক্তিক কোনো তথ্য উপস্থাপন করতে পারেননি। তারপরও আদালত তাকে জামিন দেননি। মনগড়া অভিযোগে আইভীকে হয়রানি করার জন্য তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটি একটি মিথ্যা মামলা।
উল্লেখ্য যে, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি অন্য পাঁচটি মামলায় উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেলেও এই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার থাকার কারণে তিনি বর্তমানে জেলহাজতেই রয়েছেন। আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো জানিয়েছে, এই আইনি লড়াইয়ের পরবর্তী ধাপ হিসেবে উচ্চতর আদালতে জামিনের আবেদন করা হতে পারে। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন পর্যায়ে রয়েছে।
লোড হচ্ছে...