জাতীয়
নির্বাচনে বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতা হতে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টার
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত বা বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের মানুষ সব বাধা পেরিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর একটি হোটেলে মিডিয়া রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) এবং ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আসছে জাতীয় নির্বাচনে কিছু বিক্ষিপ্ত সহিংসতা হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, ১৯৯১ সালের সেই স্মরণীয় নির্বাচনেও প্রায় ৮৭টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল। সুতরাং একেবারে শূন্য সহিংসতার আশা করা হয়তো বাস্তবসম্মত নয়, তবে আমাদের লক্ষ্য থাকবে যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়।” তিনি আরও বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ দীর্ঘ সময় পর ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, তাই তাদের মধ্যে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা রয়েছে।
উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ১৯৯১ সালের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে বলেন, সে সময় প্রায় ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল। এবার সেই হার ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে প্রায় ৪ কোটি তরুণ ভোটার, যারা আগে কখনো জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি, তাদের উপস্থিতি নির্বাচনকে প্রাণবন্ত করবে। এ সময় তিনি নির্বাচনের সঠিক চিত্র তুলে ধরতে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং পেশাগত কাজে নিয়োজিত সাংবাদিকদের নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফান লিলার বলেন, একটি স্বচ্ছ ও নিরাপদ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিশেষ করে বর্তমান ডিজিটাল যুগে নারী প্রার্থী এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অনলাইন অপপ্রচার ও নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
ডিকাব সভাপতি এ কে এম মঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডিকাব সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা ইমরুল কায়েসসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনেরও তাগিদ দেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত বা বিচ্ছিন্ন কিছু সহিংসতা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের মানুষ সব বাধা পেরিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর একটি হোটেলে মিডিয়া রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) এবং ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আসছে জাতীয় নির্বাচনে কিছু বিক্ষিপ্ত সহিংসতা হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, ১৯৯১ সালের সেই স্মরণীয় নির্বাচনেও প্রায় ৮৭টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল। সুতরাং একেবারে শূন্য সহিংসতার আশা করা হয়তো বাস্তবসম্মত নয়, তবে আমাদের লক্ষ্য থাকবে যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়।” তিনি আরও বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ দীর্ঘ সময় পর ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে, তাই তাদের মধ্যে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা রয়েছে।
উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন ১৯৯১ সালের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে বলেন, সে সময় প্রায় ৫৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল। এবার সেই হার ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে প্রায় ৪ কোটি তরুণ ভোটার, যারা আগে কখনো জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি, তাদের উপস্থিতি নির্বাচনকে প্রাণবন্ত করবে। এ সময় তিনি নির্বাচনের সঠিক চিত্র তুলে ধরতে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান এবং পেশাগত কাজে নিয়োজিত সাংবাদিকদের নিরাপত্তার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফান লিলার বলেন, একটি স্বচ্ছ ও নিরাপদ নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিশেষ করে বর্তমান ডিজিটাল যুগে নারী প্রার্থী এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অনলাইন অপপ্রচার ও নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
ডিকাব সভাপতি এ কে এম মঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ডিকাব সাধারণ সম্পাদক আবু হেনা ইমরুল কায়েসসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনকে কঠোরভাবে দায়িত্ব পালনেরও তাগিদ দেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
লোড হচ্ছে...