নারায়ণগঞ্জ
ত্বকী হত্যার ১৫৮ মাস
শুধু পরিবার নয়, সমাজের দায়মুক্তির জন্যই ত্বকী হত্যার বিচার করতে হবে: সৈয়দ আনোয়ার হোসেন
NewsView

নিউজভিউ
বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, শুধু ত্বকীর পরিবারের জন্য নয়, সমাজের দায়মুক্তির জন্য ত্বকী হত্যার বিচার করতে হবে।
তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যা ও বিচারহীনতার ১৫৮ মাস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নরায়ণগঞ্জ কলেজ প্রাঙ্গণে এ আলোচনা ও আলোক প্রজ্বালন অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজন করে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।
অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, তের বছরেও ত্বকী হত্যার বিচার না হওয়া আমাদের বিচার ব্যবস্থাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেয়। ইতোমধ্যে দুটি সরকার চলে গেছে। আমরা বর্তমান সরকারের কাছে দ্রুত ত্বকী হত্যার বিচার দাবি করছি। এ বিচার শুধু ত্বকীর পরিবারের জন্য নয়, সমাজের দায়মুক্তির জন্য করতে হবে। তিনি বলেন, বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন না হলে গণতন্ত্র হয় না।
ত্বকীর বাবা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি বলেন, যে বৈষম্যের বিরুদ্ধে চব্বিশে ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমেছিল, সে আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়নি। মানুষে মানুষে বৈষম্য বেড়েছে। বিচার ব্যবস্থা এখনো স্বাধীন হয়ে ওঠেনি। পরিবর্তন, সংস্কার ও সমাজ বদলের যে স্বপ্ন মানুষকে উদ্বেলিত করেছে, তাকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, ত্বকীর হত্যাকারীরা বিদেশে রাজকীয় জীবনযাপন করছে। শেখ হাসিনার শাসনামলের মতো নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও, ত্বকী হত্যায় সুবিচার পাওয়ার অনিশ্চয়তা এখনো রয়ে গেছে।
সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থ। আরও আলোচনা করেন সংগঠনের উপদেষ্টা ভবানী শংকর রায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি জিয়াউল ইসলাম কাজল, সাবেক সভাপতি প্রদীপ ঘোষ বাবু, ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি মাহামুদুর রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ নগরীর শায়েস্তা খাঁ রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। দু’দিন পর, ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ১২ নভেম্বর আজমেরী ওসমানের সহযোগী সুলতান শওকত ভ্রমর এবং ২৪ নভেম্বর ২০২৪ কাজল হাওলাদার আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ত্বকীকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। ৫ মার্চ ২০১৪ তদন্তকারী সংস্থা র্যাব সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবারের নির্দেশে তাদেরই টর্চার সেলে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে। অচিরেই তারা অভিযোগপত্র আদালতে পেশ করবে। কিন্তু সেই অভিযোগপত্র আজও পেশ করা হয়নি। ত্বকী হত্যার পর থেকে বিচার শুরু ও চিহ্নিত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতি মাসের ৮ তারিখ আলোক প্রজ্বালনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।
বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, শুধু ত্বকীর পরিবারের জন্য নয়, সমাজের দায়মুক্তির জন্য ত্বকী হত্যার বিচার করতে হবে।
তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যা ও বিচারহীনতার ১৫৮ মাস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নরায়ণগঞ্জ কলেজ প্রাঙ্গণে এ আলোচনা ও আলোক প্রজ্বালন অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজন করে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।
অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, তের বছরেও ত্বকী হত্যার বিচার না হওয়া আমাদের বিচার ব্যবস্থাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেয়। ইতোমধ্যে দুটি সরকার চলে গেছে। আমরা বর্তমান সরকারের কাছে দ্রুত ত্বকী হত্যার বিচার দাবি করছি। এ বিচার শুধু ত্বকীর পরিবারের জন্য নয়, সমাজের দায়মুক্তির জন্য করতে হবে। তিনি বলেন, বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন না হলে গণতন্ত্র হয় না।
ত্বকীর বাবা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি বলেন, যে বৈষম্যের বিরুদ্ধে চব্বিশে ছাত্র-জনতা রাজপথে নেমেছিল, সে আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়নি। মানুষে মানুষে বৈষম্য বেড়েছে। বিচার ব্যবস্থা এখনো স্বাধীন হয়ে ওঠেনি। পরিবর্তন, সংস্কার ও সমাজ বদলের যে স্বপ্ন মানুষকে উদ্বেলিত করেছে, তাকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, ত্বকীর হত্যাকারীরা বিদেশে রাজকীয় জীবনযাপন করছে। শেখ হাসিনার শাসনামলের মতো নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও, ত্বকী হত্যায় সুবিচার পাওয়ার অনিশ্চয়তা এখনো রয়ে গেছে।
সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মনি সুপান্থ। আরও আলোচনা করেন সংগঠনের উপদেষ্টা ভবানী শংকর রায়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি জিয়াউল ইসলাম কাজল, সাবেক সভাপতি প্রদীপ ঘোষ বাবু, ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি মাহামুদুর রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৬ মার্চ নগরীর শায়েস্তা খাঁ রোডের বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। দু’দিন পর, ৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীর কুমুদিনী খাল থেকে ত্বকীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ১২ নভেম্বর আজমেরী ওসমানের সহযোগী সুলতান শওকত ভ্রমর এবং ২৪ নভেম্বর ২০২৪ কাজল হাওলাদার আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ত্বকীকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। ৫ মার্চ ২০১৪ তদন্তকারী সংস্থা র্যাব সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবারের নির্দেশে তাদেরই টর্চার সেলে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে। অচিরেই তারা অভিযোগপত্র আদালতে পেশ করবে। কিন্তু সেই অভিযোগপত্র আজও পেশ করা হয়নি। ত্বকী হত্যার পর থেকে বিচার শুরু ও চিহ্নিত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতি মাসের ৮ তারিখ আলোক প্রজ্বালনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।
লোড হচ্ছে...