জাতীয়
স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে থামিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
‘মন্ত্রী সাহেব, প্রশংসা একটু কম’
NHP NewsView

নিউজভিউ
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক নজিরবিহীন ও হাস্যরসাত্মক ঘটনার সাক্ষী হলেন উপস্থিত সবাই। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্তুতি গাইতে গিয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই বাধা পেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। মন্ত্রীর অতি-প্রশংসায় বিরক্ত হয়ে হাসিমুখে প্রধানমন্ত্রী বলে ওঠেন, “মন্ত্রী সাহেব, প্রশংসা একটু কম!”
ঘটনাটি ঘটে যখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন ও দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করছিলেন। মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে জনগণের কল্যাণে কাজ করছেন এবং তার নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার কারণেই তিনি এ যাবৎকালের শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক সংগঠক। এমনকি প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০০ জন মানুষের মধ্যে জায়গা করে নেওয়ার মতো ব্যক্তিত্ব হিসেবেও অভিহিত করেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী যখন বারবার প্রধানমন্ত্রীর স্তুতি গাইছিলেন, তখনই প্রধান অতিথির আসনে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে থামিয়ে দিয়ে এই মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন সোজাসাপ্টা মন্তব্যে পুরো মিলনায়তনে করতালির রোল পড়ে যায়। জবাবে চটজলদি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসিমুখে বলেন, “প্রশংসা করি নাই, যতটুকু আপনি বলতেছেন—সামান্য বলেছি।”
ব্যক্তিগত প্রশংসা কমিয়ে কাজের দিকে গুরুত্বারোপ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরবর্তীতে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে সবাইকে পরিবর্তনের অংশ হতে হবে এবং মানবসেবাকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে হবে। অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি কর্মকর্তাদের কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম পর্যায়ের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে অত্যন্ত আগ্রহী। তৃণমূল পর্যায়ের চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। উপজেলা হাসপাতালের উন্নয়ন ও মাঠপর্যায়ের চিকিৎসকদের কাজের পরিবেশ উন্নত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশের মানুষের সেবায় চিকিৎসকদের নিজেদের নিয়োজিত করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী তার বক্তব্য শেষ করেন।
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক নজিরবিহীন ও হাস্যরসাত্মক ঘটনার সাক্ষী হলেন উপস্থিত সবাই। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্তুতি গাইতে গিয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই বাধা পেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। মন্ত্রীর অতি-প্রশংসায় বিরক্ত হয়ে হাসিমুখে প্রধানমন্ত্রী বলে ওঠেন, “মন্ত্রী সাহেব, প্রশংসা একটু কম!”
ঘটনাটি ঘটে যখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন ও দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করছিলেন। মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিরলসভাবে জনগণের কল্যাণে কাজ করছেন এবং তার নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টার কারণেই তিনি এ যাবৎকালের শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক সংগঠক। এমনকি প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০০ জন মানুষের মধ্যে জায়গা করে নেওয়ার মতো ব্যক্তিত্ব হিসেবেও অভিহিত করেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী যখন বারবার প্রধানমন্ত্রীর স্তুতি গাইছিলেন, তখনই প্রধান অতিথির আসনে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে থামিয়ে দিয়ে এই মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন সোজাসাপ্টা মন্তব্যে পুরো মিলনায়তনে করতালির রোল পড়ে যায়। জবাবে চটজলদি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসিমুখে বলেন, “প্রশংসা করি নাই, যতটুকু আপনি বলতেছেন—সামান্য বলেছি।”
ব্যক্তিগত প্রশংসা কমিয়ে কাজের দিকে গুরুত্বারোপ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরবর্তীতে স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশের মানুষের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে হলে সবাইকে পরিবর্তনের অংশ হতে হবে এবং মানবসেবাকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে হবে। অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি কর্মকর্তাদের কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম পর্যায়ের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে অত্যন্ত আগ্রহী। তৃণমূল পর্যায়ের চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। উপজেলা হাসপাতালের উন্নয়ন ও মাঠপর্যায়ের চিকিৎসকদের কাজের পরিবেশ উন্নত করাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
পরিশেষে, প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশের মানুষের সেবায় চিকিৎসকদের নিজেদের নিয়োজিত করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী তার বক্তব্য শেষ করেন।
লোড হচ্ছে...