খেলা
এম্বোলোর লাল কার্ড কেন
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচে ফলাফলের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে ব্রিল এম্বোলোর লাল কার্ড। ভিএআরের সহায়তায় রেফারির সিদ্ধান্ত বদলে যাওয়ায় ম্যাচটি শেষ হওয়ার আগেই শুরু হয় ব্যাপক বিতর্ক।
ম্যাচের ৭১তম মিনিটে প্রথমে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে ফাউলের দায়ে হলুদ কার্ড দেখান পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনহেইরো। তবে ভিএআর থেকে রিপ্লে দেখার পর তিনি বুঝতে পারেন, পারেদেস কোনো ফাউল করেননি। বরং এম্বোলো ইচ্ছাকৃতভাবে ডাইভ দিয়ে রেফারিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।
এরপর পারেদেসের হলুদ কার্ড বাতিল করে এম্বোলোকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়। প্রথমার্ধে একটি হলুদ কার্ড পাওয়ায় এটি ছিল সুইস ফরোয়ার্ডের দ্বিতীয় সতর্কবার্তা, ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
একজন কম নিয়ে খেলতে থাকা সুইজারল্যান্ড নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতা ধরে রাখলেও অতিরিক্ত সময়ে আর প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এম্বোলোর এই লাল কার্ড এসেছে ফিফার নতুন ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ নিয়মের আওতায়। এবারের বিশ্বকাপেই প্রথম কার্যকর হওয়া এই নিয়ম অনুযায়ী, ভিএআর পর্যালোচনায় যদি প্রমাণ হয় রেফারি ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দিয়েছেন বা ঘটনার মূল্যায়নে ভুল করেছেন, তাহলে আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে প্রকৃত দায়ী খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানো যাবে।
এই নিয়মের কারণেই পারেদেসের কার্ড প্রত্যাহার করে এম্বোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। এর আগে আন্তর্জাতিক ফুটবলে এমন পরিস্থিতিতে রেফারিদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ ছিল না। এবারের বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র–প্যারাগুয়ে ম্যাচে প্রথম এই নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছিল।
ম্যাচের ৭১তম মিনিটে প্রথমে আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে ফাউলের দায়ে হলুদ কার্ড দেখান পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনহেইরো। তবে ভিএআর থেকে রিপ্লে দেখার পর তিনি বুঝতে পারেন, পারেদেস কোনো ফাউল করেননি। বরং এম্বোলো ইচ্ছাকৃতভাবে ডাইভ দিয়ে রেফারিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।
এরপর পারেদেসের হলুদ কার্ড বাতিল করে এম্বোলোকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়। প্রথমার্ধে একটি হলুদ কার্ড পাওয়ায় এটি ছিল সুইস ফরোয়ার্ডের দ্বিতীয় সতর্কবার্তা, ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে।
একজন কম নিয়ে খেলতে থাকা সুইজারল্যান্ড নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতা ধরে রাখলেও অতিরিক্ত সময়ে আর প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এম্বোলোর এই লাল কার্ড এসেছে ফিফার নতুন ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ নিয়মের আওতায়। এবারের বিশ্বকাপেই প্রথম কার্যকর হওয়া এই নিয়ম অনুযায়ী, ভিএআর পর্যালোচনায় যদি প্রমাণ হয় রেফারি ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দিয়েছেন বা ঘটনার মূল্যায়নে ভুল করেছেন, তাহলে আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে প্রকৃত দায়ী খেলোয়াড়কে কার্ড দেখানো যাবে।
এই নিয়মের কারণেই পারেদেসের কার্ড প্রত্যাহার করে এম্বোলোকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়। এর আগে আন্তর্জাতিক ফুটবলে এমন পরিস্থিতিতে রেফারিদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের সুযোগ ছিল না। এবারের বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্র–প্যারাগুয়ে ম্যাচে প্রথম এই নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছিল।
লোড হচ্ছে...