লাইফস্টাইল
পরীক্ষার টেবিলে মাথা ঠাণ্ডা রাখার কৌশল
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
গভীর রাত অব্দি পড়তে পড়তে বইয়ের পাতাগুলো ঝাপসা হয়ে আসছে। পড়া শেষ হলেও মনে এক অজানা ভয়। কোচিংয়ের পরীক্ষায় স্বাভাবিকভাবে লিখতে পারলেও স্কুলের পরীক্ষায় পারি না। আবার স্কুলের পরীক্ষায় পারি কিন্তু বোর্ড পরীক্ষায় আতঙ্কে হাত-পা কাঁপে। অর্থাৎ এ সময় লড়াই করতে হয় নিজের স্নায়ুর সাথে। তাই চাপমুক্ত থাকতে কিছু কৌশল অবলম্বন করুন।
১. পরিকল্পনা করে রাখুন
অগোছালো পড়াশোনা মানসিক চাপকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। সারাদিন কী পড়বেন তার একটি তালিকা তৈরি করুন। একটানা ২-৩ ঘণ্টা না পড়ে পোমোডোরো টেকনিক ব্যবহার করুন। অর্থাৎ ২৫ মিনিট নিবিড়ভাবে পড়ুন এবং ৫ মিনিট বিরতি নিন। এতে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা দীর্ঘক্ষণ বজায় থাকে। পাশাপাশি পরীক্ষার হলের পরিকল্পনাও সাজান। যেমন- আপনার সুবিধামতো কঠিন না সহজ প্রশ্ন আগে উত্তর করবেন তা ভেবে রাখুন এতে পরীক্ষার সময় অযথা সময় ব্যয় হবে না।
২. পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম খাবার
বিজ্ঞানের মতে, ঘুম কম হলে মস্তিষ্কের 'হিপোক্যাম্পাস' (যা স্মৃতি ধরে রাখে) ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। দিনে অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম স্মৃতিশক্তিকে সংহত করে। পাশাপাশি প্রচুর জল পান এবং হালকা পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন।
৩. পজিটিভ সেলফ-টক:
"আমি সব ভুলে যাব" বা "আমি পারব না"—এমন নেতিবাচক চিন্তার বদলে নিজেকে বলুন, "আমি যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়েছি এবং আমি শান্ত থেকে উত্তর দেব।" নিজের সাথে বন্ধুর মতো কথা বললে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
৪. ৪-৭-৮ শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম:
নাক দিয়ে ৪ সেকেন্ড শ্বাস নিন, ৭ সেকেন্ড দম ধরে রাখুন এবং ৮ সেকেন্ড ধরে মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। এটি মস্তিষ্কের 'প্যানিক বাটন' বন্ধ করে মনকে শান্ত করে।
৫. বক্স ব্রিদিং:
৪ সেকেন্ড শ্বাস নিন, ৪ সেকেন্ড ধরে রাখুন, ৪ সেকেন্ড শ্বাস ছাড়ুন এবং আবার ৪ সেকেন্ড বিরতি দিন। এটি মূলত খেলোয়াড় এবং সেনারা তাৎক্ষণিক মানসিক স্থিরতা পেতে ব্যবহার করেন।
৬. মেন্টাল রিহার্সাল:
চোখ বন্ধ করে ৫ মিনিট কল্পনা করুন যে আপনি পরীক্ষার হলে বসে খুব শান্তভাবে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে উত্তর লিখছেন। এই কাল্পনিক জয় আপনার বাস্তব পরীক্ষার ভীতি কমিয়ে দেয়।
৭. একটি পরীক্ষা খারাপ হলে করণীয়:
কোনো একটি পরীক্ষা আশানুরূপ ভালো নাও হতে পারে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা সামনের পরীক্ষার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়াই হলো বুদ্ধিমানের কাজ।
১. পরিকল্পনা করে রাখুন
অগোছালো পড়াশোনা মানসিক চাপকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। সারাদিন কী পড়বেন তার একটি তালিকা তৈরি করুন। একটানা ২-৩ ঘণ্টা না পড়ে পোমোডোরো টেকনিক ব্যবহার করুন। অর্থাৎ ২৫ মিনিট নিবিড়ভাবে পড়ুন এবং ৫ মিনিট বিরতি নিন। এতে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা দীর্ঘক্ষণ বজায় থাকে। পাশাপাশি পরীক্ষার হলের পরিকল্পনাও সাজান। যেমন- আপনার সুবিধামতো কঠিন না সহজ প্রশ্ন আগে উত্তর করবেন তা ভেবে রাখুন এতে পরীক্ষার সময় অযথা সময় ব্যয় হবে না।
২. পর্যাপ্ত ঘুম ও সুষম খাবার
বিজ্ঞানের মতে, ঘুম কম হলে মস্তিষ্কের 'হিপোক্যাম্পাস' (যা স্মৃতি ধরে রাখে) ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। দিনে অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম স্মৃতিশক্তিকে সংহত করে। পাশাপাশি প্রচুর জল পান এবং হালকা পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন।
৩. পজিটিভ সেলফ-টক:
"আমি সব ভুলে যাব" বা "আমি পারব না"—এমন নেতিবাচক চিন্তার বদলে নিজেকে বলুন, "আমি যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়েছি এবং আমি শান্ত থেকে উত্তর দেব।" নিজের সাথে বন্ধুর মতো কথা বললে আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
৪. ৪-৭-৮ শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম:
নাক দিয়ে ৪ সেকেন্ড শ্বাস নিন, ৭ সেকেন্ড দম ধরে রাখুন এবং ৮ সেকেন্ড ধরে মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। এটি মস্তিষ্কের 'প্যানিক বাটন' বন্ধ করে মনকে শান্ত করে।
৫. বক্স ব্রিদিং:
৪ সেকেন্ড শ্বাস নিন, ৪ সেকেন্ড ধরে রাখুন, ৪ সেকেন্ড শ্বাস ছাড়ুন এবং আবার ৪ সেকেন্ড বিরতি দিন। এটি মূলত খেলোয়াড় এবং সেনারা তাৎক্ষণিক মানসিক স্থিরতা পেতে ব্যবহার করেন।
৬. মেন্টাল রিহার্সাল:
চোখ বন্ধ করে ৫ মিনিট কল্পনা করুন যে আপনি পরীক্ষার হলে বসে খুব শান্তভাবে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে উত্তর লিখছেন। এই কাল্পনিক জয় আপনার বাস্তব পরীক্ষার ভীতি কমিয়ে দেয়।
৭. একটি পরীক্ষা খারাপ হলে করণীয়:
কোনো একটি পরীক্ষা আশানুরূপ ভালো নাও হতে পারে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা সামনের পরীক্ষার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়াই হলো বুদ্ধিমানের কাজ।
লোড হচ্ছে...