শিক্ষাসদর
স্মৃতির আঙিনায় পঞ্চাশ বছর হরিহরপাড়া উচ্চবিদ্যালয়
NewsView

নিউজভিউ
ক্যালেন্ডারের পাতায় সময় গড়িয়েছে পঞ্চাশ বছর, বদলেছে মানুষের চেহারা আর পারিপার্শ্বিকতা। কিন্তু বদলায়নি কৈশোরের সেই অমলিন বন্ধুত্ব আর প্রিয় বিদ্যাপীঠের প্রতি টান। দীর্ঘ অর্ধশতাব্দীর সেই সোনালি স্মৃতিগুলোকে সঙ্গী করে জমকালো আয়োজনে উদযাপিত হলো ফতুল্লার হরিহরপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের ‘সুবর্ণ জয়ন্তী’।
‘অর্জন, সাফল্য ও অগ্রযাত্রার ৫০ বছর’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটি অ্যাডভেঞ্চার ল্যান্ড পার্কে বসেছিল প্রাক্তন ও বর্তমানদের এক বিশাল মিলনমেলা। দিনভর এই পার্কটি পরিণত হয় এক টুকরো হরিহরপাড়া স্কুল প্রাঙ্গণে, যেখানে শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি হাতড়ে বেড়ান কয়েক প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা।
স্মৃতির মিছিলে ফেরা সকাল ১০টায় স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে র্যালিটি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পর শুরু হয় মূল আনুষ্ঠানিকতা। বেলা সাড়ে ১১টায় প্রদীপ প্রজ্বলন ও বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
আবেগঘন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে দেখা যায় এক অন্যরকম দৃশ্য। কেউ চুলে পাক ধরা বয়সে এসে জড়িয়ে ধরেছেন তার প্রিয় সহপাঠীকে, কেউবা প্রিয় শিক্ষককে দেখে হয়ে পড়েছেন আবেগাপ্লুত। বহু বছর পর প্রিয় বন্ধুদের সান্নিধ্যে পেয়ে মেতে ওঠেন সেলফি আর আড্ডায়। পুরোনো দিনের সেই ‘টিফিন পিরিয়ড’ কিংবা ‘মাঠের খেলা’র গল্পগুলো যেন আবারও জীবন্ত হয়ে উঠেছিল অ্যাডভেঞ্চার ল্যান্ডের প্রতিটি কোণায়।
গুণীজন সম্মাননা ও আলোচনা সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএ-র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও এফবিসিসিআই-এর সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান লিটন, বর্তমান প্রধান শিক্ষক লুৎফুন্নেছা এবং সাবেক প্রধান শিক্ষক নূর হোসেন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নের শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান। প্রবীণ শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বর্তমান কমিটি। এছাড়া কৃতি শিক্ষার্থীদেরও বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
সাংস্কৃতিক আনন্দধারা আলোচনা পর্ব শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গানে গানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো চত্বর। বিকেলে স্কুল জীবনের স্মৃতিচারণ এবং সন্ধ্যায় বর্ণিল আলোকসজ্জা উৎসবকে দেয় ভিন্ন মাত্রা। দিনব্যাপী চলা এই আয়োজনে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা যেন ফিরে গিয়েছিলেন সেই হারানো দিনগুলোতে।
আয়োজকদের মতে, পঞ্চাশ বছরের এই উৎসব কেবল একটি উদযাপন নয়, বরং অতীতের গৌরবকে সঙ্গী করে ভবিষ্যতের পথে আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাওয়ার এক নতুন অঙ্গীকার।
ক্যালেন্ডারের পাতায় সময় গড়িয়েছে পঞ্চাশ বছর, বদলেছে মানুষের চেহারা আর পারিপার্শ্বিকতা। কিন্তু বদলায়নি কৈশোরের সেই অমলিন বন্ধুত্ব আর প্রিয় বিদ্যাপীঠের প্রতি টান। দীর্ঘ অর্ধশতাব্দীর সেই সোনালি স্মৃতিগুলোকে সঙ্গী করে জমকালো আয়োজনে উদযাপিত হলো ফতুল্লার হরিহরপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের ‘সুবর্ণ জয়ন্তী’।
‘অর্জন, সাফল্য ও অগ্রযাত্রার ৫০ বছর’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটি অ্যাডভেঞ্চার ল্যান্ড পার্কে বসেছিল প্রাক্তন ও বর্তমানদের এক বিশাল মিলনমেলা। দিনভর এই পার্কটি পরিণত হয় এক টুকরো হরিহরপাড়া স্কুল প্রাঙ্গণে, যেখানে শৈশব-কৈশোরের স্মৃতি হাতড়ে বেড়ান কয়েক প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা।
স্মৃতির মিছিলে ফেরা সকাল ১০টায় স্কুল প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে র্যালিটি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পর শুরু হয় মূল আনুষ্ঠানিকতা। বেলা সাড়ে ১১টায় প্রদীপ প্রজ্বলন ও বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক কাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
আবেগঘন পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে দেখা যায় এক অন্যরকম দৃশ্য। কেউ চুলে পাক ধরা বয়সে এসে জড়িয়ে ধরেছেন তার প্রিয় সহপাঠীকে, কেউবা প্রিয় শিক্ষককে দেখে হয়ে পড়েছেন আবেগাপ্লুত। বহু বছর পর প্রিয় বন্ধুদের সান্নিধ্যে পেয়ে মেতে ওঠেন সেলফি আর আড্ডায়। পুরোনো দিনের সেই ‘টিফিন পিরিয়ড’ কিংবা ‘মাঠের খেলা’র গল্পগুলো যেন আবারও জীবন্ত হয়ে উঠেছিল অ্যাডভেঞ্চার ল্যান্ডের প্রতিটি কোণায়।
গুণীজন সম্মাননা ও আলোচনা সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএ-র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও এফবিসিসিআই-এর সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আলী, বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি হাবিবুর রহমান লিটন, বর্তমান প্রধান শিক্ষক লুৎফুন্নেছা এবং সাবেক প্রধান শিক্ষক নূর হোসেন।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নের শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান। প্রবীণ শিক্ষকদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বর্তমান কমিটি। এছাড়া কৃতি শিক্ষার্থীদেরও বিশেষ স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
সাংস্কৃতিক আনন্দধারা আলোচনা পর্ব শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গানে গানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো চত্বর। বিকেলে স্কুল জীবনের স্মৃতিচারণ এবং সন্ধ্যায় বর্ণিল আলোকসজ্জা উৎসবকে দেয় ভিন্ন মাত্রা। দিনব্যাপী চলা এই আয়োজনে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা যেন ফিরে গিয়েছিলেন সেই হারানো দিনগুলোতে।
আয়োজকদের মতে, পঞ্চাশ বছরের এই উৎসব কেবল একটি উদযাপন নয়, বরং অতীতের গৌরবকে সঙ্গী করে ভবিষ্যতের পথে আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাওয়ার এক নতুন অঙ্গীকার।
লোড হচ্ছে...