নারায়ণগঞ্জ
বিজয়ের আলো-উদ্দীপনায় উদ্ভাসিত নারায়ণগঞ্জ
NewsView

নিউজ ভিউ
বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান বিজয় দিবস। এই গৌরবময় দিনে শান্তি ও সংগ্রামের বার্তা দিচ্ছে নারায়ণগঞ্জ নগরীর লাল-সবুজ আলোর সাজ। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাগুলো বিজয়ের আলোয় আলোকিত হয়। যেন পুরো নগরীতেই নেমে এসেছে একাত্তরের বীরগাঁথা আর বাঙালির চিরন্তন উদ্দীপনা। অগণিত প্রাণের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়কে বরণ করে নিতে নারায়ণগঞ্জবাসীর এই আলোকায়ন এক ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে শহরটিকে।
নগরীর সরকারি কার্যালয়, বাণিজ্যিক কেন্দ্র, ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠান লাল-সবুজে যেন মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সুউচ্চ ভবনগুলোয় যেন জড়ানো হয়েছে বিজয়ের চাদর। কেবল জাতীয় পতাকার রঙই নয়, নীল, হলুদ ও সাদার ব্যবহার বর্ণিল হয়ে উঠেছে নগরীর সড়কগুলো। এটি উৎসবের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। ফুঁটিয়ে তোলা হয়েছে বাঙালির হাজার বছরের সেরা অর্জন মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে।
সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি রাজনীতির অঙ্গনেও লেগেছে বিজয়ানন্দের ছোঁয়া। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কার্যালয় বর্ণিল আলোয় সাজানো হয়েছে। রাস্তার দুই পাশ এবং মোড়ে মোড়ে মনোমুগ্ধকর আলোর অপেরা বিজয় দিবসের তাৎপর্যকে করেছ আরও উৎসবমুখর।
সন্ধ্যার পর থেকেই নারায়ণগঞ্জ শহর বিজয়ের এই আলোয় উদ্ভাসিত হয়। জেলার সকল প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে স্বাধীনতা ও বিজয়ের উদযাপন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে প্রথম প্রহরে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।
বাঙালির শ্রেষ্ঠ অর্জন মহান বিজয় দিবস। এই গৌরবময় দিনে শান্তি ও সংগ্রামের বার্তা দিচ্ছে নারায়ণগঞ্জ নগরীর লাল-সবুজ আলোর সাজ। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাগুলো বিজয়ের আলোয় আলোকিত হয়। যেন পুরো নগরীতেই নেমে এসেছে একাত্তরের বীরগাঁথা আর বাঙালির চিরন্তন উদ্দীপনা। অগণিত প্রাণের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়কে বরণ করে নিতে নারায়ণগঞ্জবাসীর এই আলোকায়ন এক ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে শহরটিকে।
নগরীর সরকারি কার্যালয়, বাণিজ্যিক কেন্দ্র, ব্যাংক-বিমা প্রতিষ্ঠান লাল-সবুজে যেন মুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সুউচ্চ ভবনগুলোয় যেন জড়ানো হয়েছে বিজয়ের চাদর। কেবল জাতীয় পতাকার রঙই নয়, নীল, হলুদ ও সাদার ব্যবহার বর্ণিল হয়ে উঠেছে নগরীর সড়কগুলো। এটি উৎসবের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করেছে। ফুঁটিয়ে তোলা হয়েছে বাঙালির হাজার বছরের সেরা অর্জন মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাকে।
সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি রাজনীতির অঙ্গনেও লেগেছে বিজয়ানন্দের ছোঁয়া। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কার্যালয় বর্ণিল আলোয় সাজানো হয়েছে। রাস্তার দুই পাশ এবং মোড়ে মোড়ে মনোমুগ্ধকর আলোর অপেরা বিজয় দিবসের তাৎপর্যকে করেছ আরও উৎসবমুখর।
সন্ধ্যার পর থেকেই নারায়ণগঞ্জ শহর বিজয়ের এই আলোয় উদ্ভাসিত হয়। জেলার সকল প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে স্বাধীনতা ও বিজয়ের উদযাপন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে প্রথম প্রহরে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।
লোড হচ্ছে...