নারায়ণগঞ্জ
জাতীয় নির্বাচন ২০২৬
নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে চলছে ভোট
NewsView

নিউজভিউ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণ ভোট চলছে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী এই ভোট দেশবাসীর বহু প্রত্যাশিত। তারই প্রামাণ রাখতে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ছুটে আসছেন ভোটাররা।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভোটকেন্দ্রগুলোয় সকাল থেকেই ভোটারদের সরব উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। তবে পুরুষ ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক ধীর। বৃহস্পতিবারি সকাল থেকে ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কুতুবআইল মডেল সরকারি বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এই বিদ্যালয়ে মোট চারটি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে দুটি পুরুষ ও দুটি নারী কেন্দ্র।
পুরুষ কেন্দ্র-২: এখানে ২৯৩০ জন ভোটারের মধ্যে প্রথম দুই ঘণ্টায় ৩০০ জন ভোট দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আতিকুর রহমান। তবে এই কেন্দ্রের ৫ নম্বর ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণের শুরুতে স্থবিরতা দেখা যায়; প্রথম ২৩ মিনিটে কোনো ভোট পড়েনি এবং সকাল ৭টা ৫৩ মিনিটে সেখানে প্রথম ভোটটি সংগৃহীত হয়।
পুরুষ কেন্দ্র-৭: ২৯৮৬ জন ভোটারের এই কেন্দ্রে প্রথম এক ঘণ্টায় ২০৯টি ভোট জমা পড়ে।
নারী কেন্দ্র-৯: ৩২০০ জন ভোটারের মধ্যে প্রথম দুই ঘণ্টায় ভোট দিয়েছেন ৩৫৬ জন।
নারী কেন্দ্র-১০: ৩২৪১ জন ভোটারের মধ্যে প্রথম দুই ঘণ্টায় ২৫০টি ভোট পড়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম।
উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রে ভোটারদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষ থেকে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের ব্যবস্থা করতে দেখা গেছে।
৭৪ নম্বর কুতুবআইল মডেল সরকারি বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ৭টা ৩৩ মিনিট থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এই কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ৩১১৮ জন, যার মধ্যে প্রথম এক ঘণ্টায় প্রায় ৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিজাইডিং অফিসার মোহাম্মদ নেছারউদ্দিন খান। এখানে সকাল থেকে পুরুষ ভোটারদের দীর্ঘ সারি থাকলেও নারী ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করে সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের পর থেকে।
এই কেন্দ্রে বিএনপি জোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এনসিপি, রিপাবলিকান পার্টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলমের এজেন্টদের উপস্থিতি দেখা গেছে।
ভোটের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ফতুল্লার কয়েকটি কেন্দ্রে সাংবাদিকরা বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ১০ মিনিটের বেশি অবস্থান না করতে মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়। অন্যদিকে, কুতুবআইল মডেল সরকারি বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় পুলিশ সদস্যরা সাংবাদিকদের বাধা প্রদান করেন, যদিও পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনের নীতিমালার কথা উল্লেখ করলে তাঁরা প্রবেশাধিকার পান।
সার্বিকভাবে, এখন পর্যন্ত এলাকাটিতে শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণ চলছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণ ভোট চলছে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী এই ভোট দেশবাসীর বহু প্রত্যাশিত। তারই প্রামাণ রাখতে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ছুটে আসছেন ভোটাররা।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভোটকেন্দ্রগুলোয় সকাল থেকেই ভোটারদের সরব উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। তবে পুরুষ ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক ধীর। বৃহস্পতিবারি সকাল থেকে ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কুতুবআইল মডেল সরকারি বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এই বিদ্যালয়ে মোট চারটি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে দুটি পুরুষ ও দুটি নারী কেন্দ্র।
পুরুষ কেন্দ্র-২: এখানে ২৯৩০ জন ভোটারের মধ্যে প্রথম দুই ঘণ্টায় ৩০০ জন ভোট দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আতিকুর রহমান। তবে এই কেন্দ্রের ৫ নম্বর ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণের শুরুতে স্থবিরতা দেখা যায়; প্রথম ২৩ মিনিটে কোনো ভোট পড়েনি এবং সকাল ৭টা ৫৩ মিনিটে সেখানে প্রথম ভোটটি সংগৃহীত হয়।
পুরুষ কেন্দ্র-৭: ২৯৮৬ জন ভোটারের এই কেন্দ্রে প্রথম এক ঘণ্টায় ২০৯টি ভোট জমা পড়ে।
নারী কেন্দ্র-৯: ৩২০০ জন ভোটারের মধ্যে প্রথম দুই ঘণ্টায় ভোট দিয়েছেন ৩৫৬ জন।
নারী কেন্দ্র-১০: ৩২৪১ জন ভোটারের মধ্যে প্রথম দুই ঘণ্টায় ২৫০টি ভোট পড়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম।
উল্লেখ্য, এই কেন্দ্রে ভোটারদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষ থেকে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের ব্যবস্থা করতে দেখা গেছে।
৭৪ নম্বর কুতুবআইল মডেল সরকারি বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল ৭টা ৩৩ মিনিট থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এই কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ৩১১৮ জন, যার মধ্যে প্রথম এক ঘণ্টায় প্রায় ৫ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন প্রিজাইডিং অফিসার মোহাম্মদ নেছারউদ্দিন খান। এখানে সকাল থেকে পুরুষ ভোটারদের দীর্ঘ সারি থাকলেও নারী ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করে সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের পর থেকে।
এই কেন্দ্রে বিএনপি জোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এনসিপি, রিপাবলিকান পার্টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলমের এজেন্টদের উপস্থিতি দেখা গেছে।
ভোটের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ফতুল্লার কয়েকটি কেন্দ্রে সাংবাদিকরা বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। ফতুল্লা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ১০ মিনিটের বেশি অবস্থান না করতে মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়। অন্যদিকে, কুতুবআইল মডেল সরকারি বিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় পুলিশ সদস্যরা সাংবাদিকদের বাধা প্রদান করেন, যদিও পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনের নীতিমালার কথা উল্লেখ করলে তাঁরা প্রবেশাধিকার পান।
সার্বিকভাবে, এখন পর্যন্ত এলাকাটিতে শান্তিপূর্ণ ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণ চলছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য।