বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি মামলায় বিপাকে জাকারবার্গ
NewsView

নিউজভিউ
তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলমান বিতর্কের মাঝে এক ঐতিহাসিক আইনি লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন মেটা প্রধান মার্ক জাকারবার্গ। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস এঞ্জেলেসে চলমান একটি জুরি ট্রায়ালে প্রথমবারের মতো সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো শিশুদের আসক্ত করে তাদের মানসিক ক্ষতি করছে কি না—এমন গুরুতর অভিযোগের জবাব দিতেই জাকারবার্গের এই আদালতে হাজিরা।
এই মামলার নেপথ্যে রয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার এক নারী, যিনি শৈশব থেকে ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউব ব্যবহারে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকির বিষয়টি জানত, কিন্তু স্রেফ ব্যবসায়িক মুনাফার জন্য তারা প্ল্যাটফর্মগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে আসক্তিমূলক করে তৈরি করেছে। এর ফলে তিনি দীর্ঘমেয়াদী বিষণ্নতা ও আত্মহত্যামূলক চিন্তার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই মামলায় মেটা হেরে গেলে শুধু বিশাল অংকের ক্ষতিপূরণই নয়, বরং ভবিষ্যতে প্রযুক্তি জায়ান্টদের দীর্ঘদিনের আইনি সুরক্ষাও হুমকির মুখে পড়বে।
জিজ্ঞাসাবাদের মুখে মেটা ও গুগল উভয় প্রতিষ্ঠানই তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। মেটার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তারা নিয়মিত নতুন সুরক্ষা ফিচার যুক্ত করছে। তারা ন্যাশনাল অ্যাকাডেমিজ অব সায়েন্সেসের একটি গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে যে, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সাথে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য পরিবর্তনের কোনো সুস্পষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রমাণ মেলেনি। গুগলও তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে জানিয়েছে যে, তারা ব্যবহারকারীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
এই মামলাটি মেটা, গুগল, স্ন্যাপ ও টিকটকের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া হাজার হাজার মামলার একটি অংশ মাত্র। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া ইতোমধ্যে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যও ১৪ বছরের কম বয়সীদের জন্য একই ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। স্পেনসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশও এখন এই পথেই হাঁটার পরিকল্পনা করছে।
আইনজীবীদের মতে, লস এঞ্জেলেসের এই মামলার রায় ভবিষ্যতে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ওপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ আরোপের ক্ষেত্রে একটি বড় নজির হয়ে থাকবে। যদি আদালত মেটাকে দায়ী সাব্যস্ত করে, তবে বিশ্বজুড়ে পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর করা হাজারো মামলা আরও শক্তিশালী ভিত্তি পাবে। জাকারবার্গের আজকের জবানবন্দি তাই শুধু একটি কোম্পানির প্রধানের বক্তব্য নয়, বরং পুরো সোশ্যাল মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলমান বিতর্কের মাঝে এক ঐতিহাসিক আইনি লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন মেটা প্রধান মার্ক জাকারবার্গ। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস এঞ্জেলেসে চলমান একটি জুরি ট্রায়ালে প্রথমবারের মতো সরাসরি জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো শিশুদের আসক্ত করে তাদের মানসিক ক্ষতি করছে কি না—এমন গুরুতর অভিযোগের জবাব দিতেই জাকারবার্গের এই আদালতে হাজিরা।
এই মামলার নেপথ্যে রয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার এক নারী, যিনি শৈশব থেকে ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউব ব্যবহারে আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকির বিষয়টি জানত, কিন্তু স্রেফ ব্যবসায়িক মুনাফার জন্য তারা প্ল্যাটফর্মগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে আসক্তিমূলক করে তৈরি করেছে। এর ফলে তিনি দীর্ঘমেয়াদী বিষণ্নতা ও আত্মহত্যামূলক চিন্তার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই মামলায় মেটা হেরে গেলে শুধু বিশাল অংকের ক্ষতিপূরণই নয়, বরং ভবিষ্যতে প্রযুক্তি জায়ান্টদের দীর্ঘদিনের আইনি সুরক্ষাও হুমকির মুখে পড়বে।
জিজ্ঞাসাবাদের মুখে মেটা ও গুগল উভয় প্রতিষ্ঠানই তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। মেটার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তারা নিয়মিত নতুন সুরক্ষা ফিচার যুক্ত করছে। তারা ন্যাশনাল অ্যাকাডেমিজ অব সায়েন্সেসের একটি গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে যে, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সাথে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য পরিবর্তনের কোনো সুস্পষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রমাণ মেলেনি। গুগলও তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে জানিয়েছে যে, তারা ব্যবহারকারীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
এই মামলাটি মেটা, গুগল, স্ন্যাপ ও টিকটকের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া হাজার হাজার মামলার একটি অংশ মাত্র। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি নিয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া ইতোমধ্যে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যও ১৪ বছরের কম বয়সীদের জন্য একই ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। স্পেনসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশও এখন এই পথেই হাঁটার পরিকল্পনা করছে।
আইনজীবীদের মতে, লস এঞ্জেলেসের এই মামলার রায় ভবিষ্যতে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোর ওপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ আরোপের ক্ষেত্রে একটি বড় নজির হয়ে থাকবে। যদি আদালত মেটাকে দায়ী সাব্যস্ত করে, তবে বিশ্বজুড়ে পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর করা হাজারো মামলা আরও শক্তিশালী ভিত্তি পাবে। জাকারবার্গের আজকের জবানবন্দি তাই শুধু একটি কোম্পানির প্রধানের বক্তব্য নয়, বরং পুরো সোশ্যাল মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...