জাতীয়
২০৩২ সালের মধ্যে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা
NHP NewsView

নিউজভিউ
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে সম্প্রতি বাস দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পর আবারও আলোচনায় এসেছে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টে সেতু থাকলে হয়তো এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। এই প্রেক্ষাপটে ফেরিতে পারাপারের ভোগান্তি লাঘব ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ২০৩২ সালের মধ্যে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বর্তমান সরকার।
২০১২ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ঘোষণা করেছিলেন, ক্ষমতায় গেলে মাওয়া-জাজিরার পাশাপাশি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টেও পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারেও এই প্রকল্পটি গুরুত্ব পেয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এডিপি থেকে প্রকল্পটি বাদ পড়লেও বর্তমান সরকার পুনরায় এটি যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
সেতু বিভাগের যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন অনুবিভাগ) মাহমুদ ইবনে কাসেম এ বিষয়ে জানান, “আমরা এই সেতুর কাজ শুরু করবো। এটি সরকারের ইশতেহারে রয়েছে। একটি পুরনো সম্ভাব্যতা যাচাই রিপোর্ট থাকলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন করে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। এর মাধ্যমে সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্য, নকশা ও ব্যয় নির্ধারণ করা হবে।”
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ১২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা ধরা হলেও নতুন সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর তা আরও বাড়তে পারে। প্রায় ৪ দশমিক ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুতে রেল সংযোগের সুবিধাও থাকবে। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নের পাশাপাশি বিদেশি উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকেও ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও রাজবাড়ীসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর মানুষের জন্য বর্তমান পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকা যাতায়াত সময় ও অর্থসাপেক্ষ। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মিত হলে ঢাকার সঙ্গে এসব জেলার দূরত্ব ও যাতায়াত সময় কয়েক ঘণ্টা কমে আসবে। পাশাপাশি দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোল ও দর্শনা এবং মোংলা সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, “সেতু বিভাগ থেকে প্রস্তাব এলে আমরা দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করবো। এটি দেশের অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প।”
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে রাজধানীর সঙ্গে দেশের মধ্য ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সরাসরি এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ স্থাপিত হবে, যা সামগ্রিক জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে সম্প্রতি বাস দুর্ঘটনায় প্রাণহানির পর আবারও আলোচনায় এসেছে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টে সেতু থাকলে হয়তো এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো। এই প্রেক্ষাপটে ফেরিতে পারাপারের ভোগান্তি লাঘব ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ২০৩২ সালের মধ্যে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বর্তমান সরকার।
২০১২ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ঘোষণা করেছিলেন, ক্ষমতায় গেলে মাওয়া-জাজিরার পাশাপাশি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া পয়েন্টেও পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারেও এই প্রকল্পটি গুরুত্ব পেয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এডিপি থেকে প্রকল্পটি বাদ পড়লেও বর্তমান সরকার পুনরায় এটি যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
সেতু বিভাগের যুগ্ম সচিব (উন্নয়ন অনুবিভাগ) মাহমুদ ইবনে কাসেম এ বিষয়ে জানান, “আমরা এই সেতুর কাজ শুরু করবো। এটি সরকারের ইশতেহারে রয়েছে। একটি পুরনো সম্ভাব্যতা যাচাই রিপোর্ট থাকলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন করে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। এর মাধ্যমে সেতুর সঠিক দৈর্ঘ্য, নকশা ও ব্যয় নির্ধারণ করা হবে।”
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ১২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা ধরা হলেও নতুন সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর তা আরও বাড়তে পারে। প্রায় ৪ দশমিক ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুতে রেল সংযোগের সুবিধাও থাকবে। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নের পাশাপাশি বিদেশি উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকেও ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও রাজবাড়ীসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর মানুষের জন্য বর্তমান পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকা যাতায়াত সময় ও অর্থসাপেক্ষ। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মিত হলে ঢাকার সঙ্গে এসব জেলার দূরত্ব ও যাতায়াত সময় কয়েক ঘণ্টা কমে আসবে। পাশাপাশি দেশের প্রধান স্থলবন্দর বেনাপোল ও দর্শনা এবং মোংলা সমুদ্রবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, “সেতু বিভাগ থেকে প্রস্তাব এলে আমরা দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করবো। এটি দেশের অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প।”
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে রাজধানীর সঙ্গে দেশের মধ্য ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সরাসরি এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ স্থাপিত হবে, যা সামগ্রিক জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...