রাজনীতি
মান্নানের মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানিয়ে গিয়াসউদ্দিনের আপিল
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়নপত্র গ্রহণের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। মান্নানের বিরুদ্ধে হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির তথ্য গোপন, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য লুকানো এবং পরিবারের সদস্যদের আয়ের উৎস ও পেশা নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত ৩ জানুয়ারি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মান্নানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই আদেশের বিরুদ্ধে শনিবার (১০ জানুয়ারি) এই আপিল আবেদন জমা দেওয়া হয়।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট গোপন
মান্নান হলফনামায় মাত্র ৫২ হাজার ৬৮০ টাকা ব্যালেন্সসহ দুটি অ্যাকাউন্টের কথা জানালেও, প্রাইম ব্যাংক এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকের একাধিক অ্যাকাউন্টের তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
সন্তানদের তথ্য গোপন
গিয়াস উদ্দিনের দাবি, মান্নান পাঁচ সন্তানের জনক হলেও হলফনামায় মাত্র দুই ছেলের নাম উল্লেখ করেছেন। তাঁর অন্য তিন ছেলের নাম ও পরিচয় লুকানো হয়েছে।
বিপুল সম্পদ ও টিআইএন গোপন
মান্নানের দুই ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীব ও সাইদুল ইসলাম শাকিল কোটিপতি এবং তাঁদের কর শনাক্তকরণ নম্বর (TIN) রয়েছে। এছাড়া তাঁর দুই স্ত্রী মোসা. লিলি আক্তার ও মনোয়ারা বেগমের নামেও বিপুল সম্পদ ও টিআইএন নম্বর রয়েছে, যা হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি।
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের তথ্য গোপন
‘মেসার্স একতা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন’ নামে মান্নানের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থাকলেও তিনি তা প্রকাশ করেননি বলে আপিলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আপিলকারী গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামিম খালেদ এই আবেদন দাখিল করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, আরপিও-১৯৭২ এর ১২ ও ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সঠিক তথ্য না দেওয়ায় আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়নপত্র বাতিলযোগ্য।
গিয়াস উদ্দিন জানান, স্ক্রুটিনির সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মৌখিক আপত্তি জানালেও তিনি তা আমলে না নিয়ে মান্নানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। এ কারণেই তিনি ন্যায়বিচারের আশায় নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়নপত্র গ্রহণের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। মান্নানের বিরুদ্ধে হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির তথ্য গোপন, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য লুকানো এবং পরিবারের সদস্যদের আয়ের উৎস ও পেশা নিয়ে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত ৩ জানুয়ারি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মান্নানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই আদেশের বিরুদ্ধে শনিবার (১০ জানুয়ারি) এই আপিল আবেদন জমা দেওয়া হয়।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট গোপন
মান্নান হলফনামায় মাত্র ৫২ হাজার ৬৮০ টাকা ব্যালেন্সসহ দুটি অ্যাকাউন্টের কথা জানালেও, প্রাইম ব্যাংক এবং প্রিমিয়ার ব্যাংকের একাধিক অ্যাকাউন্টের তথ্য গোপন করেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
সন্তানদের তথ্য গোপন
গিয়াস উদ্দিনের দাবি, মান্নান পাঁচ সন্তানের জনক হলেও হলফনামায় মাত্র দুই ছেলের নাম উল্লেখ করেছেন। তাঁর অন্য তিন ছেলের নাম ও পরিচয় লুকানো হয়েছে।
বিপুল সম্পদ ও টিআইএন গোপন
মান্নানের দুই ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীব ও সাইদুল ইসলাম শাকিল কোটিপতি এবং তাঁদের কর শনাক্তকরণ নম্বর (TIN) রয়েছে। এছাড়া তাঁর দুই স্ত্রী মোসা. লিলি আক্তার ও মনোয়ারা বেগমের নামেও বিপুল সম্পদ ও টিআইএন নম্বর রয়েছে, যা হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি।
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের তথ্য গোপন
‘মেসার্স একতা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন’ নামে মান্নানের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থাকলেও তিনি তা প্রকাশ করেননি বলে আপিলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আপিলকারী গিয়াস উদ্দিনের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামিম খালেদ এই আবেদন দাখিল করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, আরপিও-১৯৭২ এর ১২ ও ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সঠিক তথ্য না দেওয়ায় আজহারুল ইসলাম মান্নানের মনোনয়নপত্র বাতিলযোগ্য।
গিয়াস উদ্দিন জানান, স্ক্রুটিনির সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মৌখিক আপত্তি জানালেও তিনি তা আমলে না নিয়ে মান্নানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। এ কারণেই তিনি ন্যায়বিচারের আশায় নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন।
লোড হচ্ছে...