আন্তর্জাতিক
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
মধ্যপ্রাচ্য ও হরমুজ প্রণালিতে চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের ওপর নতুন করে শাস্তিমূলক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন অর্থ বিভাগ এই ঘোষণা দেয়। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তা করার অভিযোগে ইরান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক মোট ১৪টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলার জন্য ইরানকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘অর্থনৈতিক ক্রোধ’ কর্মসূচির আওতায় তেহরানের অর্থের উৎসগুলো বন্ধ করার এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এবারের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় দুবাইয়ের ‘চাবোক এফজেডসিও’ সহ বেশ কিছু শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে, যারা ইরানের মাহান এয়ারের জন্য বিমানের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করত বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দ করা হবে এবং মার্কিন নাগরিকদের তাদের সাথে যেকোনো ধরনের লেনদেন নিষিদ্ধ থাকবে। ট্রাম্প প্রশাসন একে ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের’ কৌশলের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। মূলত বড় ধরনের কোনো কূটনৈতিক সুবিধা পেতেই যুদ্ধের এই উত্তাল সময়ে তেহরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অস্থির হয়ে আছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া এবং পাল্টা মার্কিন নৌ অবরোধের ফলে বিশ্ব বাণিজ্যেও তার প্রভাব পড়ছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কয়েক দফা যুদ্ধবিরতির চেষ্টা চললেও লোহিত সাগর ও মধ্যপ্রাচ্যের নৌপথে দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। এই নতুন নিষেধাজ্ঞা সেই সংকটে আরও ঘি ঢালল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
মধ্যপ্রাচ্য ও হরমুজ প্রণালিতে চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের ওপর নতুন করে শাস্তিমূলক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন অর্থ বিভাগ এই ঘোষণা দেয়। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তা করার অভিযোগে ইরান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক মোট ১৪টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলার জন্য ইরানকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে পরিচালিত ‘অর্থনৈতিক ক্রোধ’ কর্মসূচির আওতায় তেহরানের অর্থের উৎসগুলো বন্ধ করার এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এবারের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় দুবাইয়ের ‘চাবোক এফজেডসিও’ সহ বেশ কিছু শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে, যারা ইরানের মাহান এয়ারের জন্য বিমানের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করত বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পদ জব্দ করা হবে এবং মার্কিন নাগরিকদের তাদের সাথে যেকোনো ধরনের লেনদেন নিষিদ্ধ থাকবে। ট্রাম্প প্রশাসন একে ইরানের বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের’ কৌশলের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছে। মূলত বড় ধরনের কোনো কূটনৈতিক সুবিধা পেতেই যুদ্ধের এই উত্তাল সময়ে তেহরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অস্থির হয়ে আছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া এবং পাল্টা মার্কিন নৌ অবরোধের ফলে বিশ্ব বাণিজ্যেও তার প্রভাব পড়ছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কয়েক দফা যুদ্ধবিরতির চেষ্টা চললেও লোহিত সাগর ও মধ্যপ্রাচ্যের নৌপথে দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে। এই নতুন নিষেধাজ্ঞা সেই সংকটে আরও ঘি ঢালল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
লোড হচ্ছে...