খেলা
ফাইনালের স্বপ্নে স্পেন ও ফ্রান্স
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ প্রথম সেমিফাইনালে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই পরাশক্তি স্পেন ও ফ্রান্স। টেক্সাসের আর্লিংটনের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই লড়াইকে অনেকেই ‘ফাইনালের আগেই ফাইনাল’ হিসেবে দেখছেন।
দিদিয়ের দেশ্যমের ফ্রান্স এবারও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে ছয় ম্যাচে আট গোল করে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা পারফরমার। তার সঙ্গে আক্রমণভাগে আছেন মাইকেল ওলিসে, ওসমানে ডেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও ডিসায়ার ডুয়ের মতো তারকারা।
অন্যদিকে লুইস ডি লা ফুয়েন্তের অধীনে স্পেন এগিয়েছে নিজেদের পরিচিত বল দখলের ফুটবল, দ্রুত পাসিং ও দলগত সমন্বয়ের শক্তিতে। রদ্রি, পেদ্রি ও ফাবিয়ান রুইজের নিয়ন্ত্রিত মিডফিল্ড থেকে নিয়মিত সুযোগ পাচ্ছেন তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল।
ফ্রান্স যেখানে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ভরসা রাখে, সেখানে স্পেনের মূল শক্তি দলগত ফুটবল। তাই ম্যাচটি দুই ভিন্ন ফুটবল দর্শনের লড়াই হিসেবেও দেখা হচ্ছে। স্পেন চাইবে বলের দখল ধরে রেখে এমবাপ্পেদের আক্রমণভাগকে বিচ্ছিন্ন রাখতে, আর ফ্রান্স ভরসা করবে নিজেদের বিধ্বংসী কাউন্টার অ্যাটাকে।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পেনের পক্ষেই কথা বলছে। গত বছর উয়েফা নেশনস লিগে তারা ৫-৪ গোলে ফ্রান্সকে হারায়। এর আগে ইউরো ২০২৪-এর সেমিফাইনালেও ২-১ ব্যবধানে জিতে শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতেছিল স্প্যানিশরা।
কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ের পর লামিন ইয়ামাল বলেন, “আমাদের কোনো ভয় নেই। হয় তারা টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠবে, নয়তো আমরা তাদের টানা তিনবার হারাব।”
স্পেন কোচ লুইস ডি লা ফুয়েন্তে বলেন, “ফ্রান্স দুর্দান্ত দল। আমরা তাদের সম্মান করি, তবে বিশ্বাস করি যে যেকোনো দলকে হারানোর সামর্থ্য আমাদের আছে।”
অন্যদিকে দেশ্যমের লক্ষ্য ফ্রান্সকে টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে তোলা। তার অধীনে ফ্রান্স টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে উঠেছে—যা এর আগে শুধু ব্রাজিল ও জার্মানি করতে পেরেছিল।
দেশ্যম অবশ্য সাফল্যের কৃতিত্ব খেলোয়াড়দেরই দিয়েছেন। তিনি বলেন, “সম্ভবত খুব ভালো খেলোয়াড় থাকার কারণেই এমন সাফল্য। তবে আমি আমার কাজটাও খুব খারাপ করছি না।”
ফ্রান্স অধিনায়ক এমবাপ্পেও কোচের প্রতি দলের ঐক্যের বার্তা দিয়ে বলেন, “যাই ঘটুক না কেন, এই দলের ডিএনএ-তেই আছে সবাই একসঙ্গে থাকা এবং কোচের পাশে দাঁড়ানো।”
দিদিয়ের দেশ্যমের ফ্রান্স এবারও দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে। অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে ছয় ম্যাচে আট গোল করে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা পারফরমার। তার সঙ্গে আক্রমণভাগে আছেন মাইকেল ওলিসে, ওসমানে ডেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও ডিসায়ার ডুয়ের মতো তারকারা।
অন্যদিকে লুইস ডি লা ফুয়েন্তের অধীনে স্পেন এগিয়েছে নিজেদের পরিচিত বল দখলের ফুটবল, দ্রুত পাসিং ও দলগত সমন্বয়ের শক্তিতে। রদ্রি, পেদ্রি ও ফাবিয়ান রুইজের নিয়ন্ত্রিত মিডফিল্ড থেকে নিয়মিত সুযোগ পাচ্ছেন তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল।
ফ্রান্স যেখানে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে ভরসা রাখে, সেখানে স্পেনের মূল শক্তি দলগত ফুটবল। তাই ম্যাচটি দুই ভিন্ন ফুটবল দর্শনের লড়াই হিসেবেও দেখা হচ্ছে। স্পেন চাইবে বলের দখল ধরে রেখে এমবাপ্পেদের আক্রমণভাগকে বিচ্ছিন্ন রাখতে, আর ফ্রান্স ভরসা করবে নিজেদের বিধ্বংসী কাউন্টার অ্যাটাকে।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান স্পেনের পক্ষেই কথা বলছে। গত বছর উয়েফা নেশনস লিগে তারা ৫-৪ গোলে ফ্রান্সকে হারায়। এর আগে ইউরো ২০২৪-এর সেমিফাইনালেও ২-১ ব্যবধানে জিতে শেষ পর্যন্ত শিরোপা জিতেছিল স্প্যানিশরা।
কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ের পর লামিন ইয়ামাল বলেন, “আমাদের কোনো ভয় নেই। হয় তারা টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠবে, নয়তো আমরা তাদের টানা তিনবার হারাব।”
স্পেন কোচ লুইস ডি লা ফুয়েন্তে বলেন, “ফ্রান্স দুর্দান্ত দল। আমরা তাদের সম্মান করি, তবে বিশ্বাস করি যে যেকোনো দলকে হারানোর সামর্থ্য আমাদের আছে।”
অন্যদিকে দেশ্যমের লক্ষ্য ফ্রান্সকে টানা তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনালে তোলা। তার অধীনে ফ্রান্স টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে উঠেছে—যা এর আগে শুধু ব্রাজিল ও জার্মানি করতে পেরেছিল।
দেশ্যম অবশ্য সাফল্যের কৃতিত্ব খেলোয়াড়দেরই দিয়েছেন। তিনি বলেন, “সম্ভবত খুব ভালো খেলোয়াড় থাকার কারণেই এমন সাফল্য। তবে আমি আমার কাজটাও খুব খারাপ করছি না।”
ফ্রান্স অধিনায়ক এমবাপ্পেও কোচের প্রতি দলের ঐক্যের বার্তা দিয়ে বলেন, “যাই ঘটুক না কেন, এই দলের ডিএনএ-তেই আছে সবাই একসঙ্গে থাকা এবং কোচের পাশে দাঁড়ানো।”
লোড হচ্ছে...