জাতীয়
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব সাংগঠনিক নির্বাচন স্থগিতস করলো ইসি
NewsView

নিউজভিউ
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা প্রভাব বিস্তার রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইসির এক নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের কোনো পেশাজীবী, সামাজিক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে জানানো হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধানে আনা ‘জুলাই চার্টার’ বিষয়ক গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় পর্যায়ের এই বিশাল কর্মযজ্ঞের সময় স্থানীয় বা পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো পক্ষ সুবিধা নিতে না পারে বা কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, সেজন্যই এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব সংগঠনের নির্বাচন স্থগিত থাকবে তার মধ্যে রয়েছে, সব ধরনের পেশাজীবী সংগঠন। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বা শিক্ষক সংসদ নির্বাচন। পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতি। সাংবাদিক সংগঠন ও প্রেস ক্লাবসমূহ। বণিক সমিতি (চেম্বার অব কমার্স) ও সমবায় সমিতি। সব ধরনের ট্রেড ইউনিয়ন।
ইসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, উল্লিখিত সংগঠনগুলোর যেকোনো নির্বাচন বা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের পর আয়োজন করতে হবে। ইতোমধ্যে দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এই নির্দেশনা পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে এটিই হবে প্রথম জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলছে কমিশন। এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী মাঠ সম্পূর্ণভাবে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি বা প্রভাব বিস্তার রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইসির এক নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের কোনো পেশাজীবী, সামাজিক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।
ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে জানানো হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধানে আনা ‘জুলাই চার্টার’ বিষয়ক গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় পর্যায়ের এই বিশাল কর্মযজ্ঞের সময় স্থানীয় বা পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো পক্ষ সুবিধা নিতে না পারে বা কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, সেজন্যই এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব সংগঠনের নির্বাচন স্থগিত থাকবে তার মধ্যে রয়েছে, সব ধরনের পেশাজীবী সংগঠন। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বা শিক্ষক সংসদ নির্বাচন। পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতি। সাংবাদিক সংগঠন ও প্রেস ক্লাবসমূহ। বণিক সমিতি (চেম্বার অব কমার্স) ও সমবায় সমিতি। সব ধরনের ট্রেড ইউনিয়ন।
ইসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, উল্লিখিত সংগঠনগুলোর যেকোনো নির্বাচন বা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের পর আয়োজন করতে হবে। ইতোমধ্যে দেশের সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে এই নির্দেশনা পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে এটিই হবে প্রথম জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলছে কমিশন। এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনী মাঠ সম্পূর্ণভাবে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
লোড হচ্ছে...