নারায়ণগঞ্জ
সাবেক এমএলএ আব্দুস সামাদ খানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নিখিল ভারত কংগ্রেস নেতা ও শেরে বাংলা এ. কে. এম ফজলুল হকের ঘনিষ্ঠ সহচর আব্দুস সামাদ খানের ৫৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৩ সালের এই দিনে (৫ মার্চ) প্রথিতযশা এই আইনজীবী ও জননেতা ইহলোক ত্যাগ করেন। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-রূপগঞ্জ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমএলএ) নির্বাচিত হয়েছিলেন।
১৮৯৭ সালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বগ্রামে জন্মগ্রহণ করা আব্দুস সামাদ খান ছিলেন বারো ভূঁইয়ার বংশধর। পেশাগত জীবনে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ আদালতে অত্যন্ত সুনামের সাথে আইন পেশা পরিচালনা করতেন তিনি। তবে তাঁর মূল পরিচিতি গড়ে ওঠে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। ১৯২০ সালে মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন এবং ১৯১৮ সালে খেলাফত আন্দোলনে তিনি রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। শেরে বাংলার নেতৃত্বে নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতির অন্যতম শীর্ষ নেতা হিসেবে গ্রামীণ জনপদে কৃষকদের ঋণ লাঘবে ‘ঋণ সালিশী বোর্ড’ গঠনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
রাজনৈতিক জীবনে তাঁর গুরুত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে, যেখানে শেরে বাংলা নিজে তাঁর হয়ে প্রচারণা চালিয়েছিলেন এবং সংসদীয় সভায় তাঁকে ডেপুটি স্পিকার মনোনীত করা হয়েছিল। এমনকি অসুস্থতা সত্ত্বেও তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ ছিল অনুকরণীয়। নারায়ণগঞ্জের গলাচিপাস্থ তাঁর বাসভবন ‘খান বাড়ি’ এক সময় জাতীয় রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র ছিল; যেখানে শেরে বাংলা থেকে শুরু করে শেখ মুজিবুর রহমানসহ বহু প্রবাদপ্রতিম নেতার পদচারণা ঘটেছে।
নারায়ণগঞ্জের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, নিখিল ভারত কংগ্রেস নেতা ও শেরে বাংলা এ. কে. এম ফজলুল হকের ঘনিষ্ঠ সহচর আব্দুস সামাদ খানের ৫৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৩ সালের এই দিনে (৫ মার্চ) প্রথিতযশা এই আইনজীবী ও জননেতা ইহলোক ত্যাগ করেন। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-রূপগঞ্জ আসন থেকে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য (এমএলএ) নির্বাচিত হয়েছিলেন।
১৮৯৭ সালে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বগ্রামে জন্মগ্রহণ করা আব্দুস সামাদ খান ছিলেন বারো ভূঁইয়ার বংশধর। পেশাগত জীবনে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ আদালতে অত্যন্ত সুনামের সাথে আইন পেশা পরিচালনা করতেন তিনি। তবে তাঁর মূল পরিচিতি গড়ে ওঠে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। ১৯২০ সালে মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন এবং ১৯১৮ সালে খেলাফত আন্দোলনে তিনি রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। শেরে বাংলার নেতৃত্বে নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতির অন্যতম শীর্ষ নেতা হিসেবে গ্রামীণ জনপদে কৃষকদের ঋণ লাঘবে ‘ঋণ সালিশী বোর্ড’ গঠনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।
রাজনৈতিক জীবনে তাঁর গুরুত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে, যেখানে শেরে বাংলা নিজে তাঁর হয়ে প্রচারণা চালিয়েছিলেন এবং সংসদীয় সভায় তাঁকে ডেপুটি স্পিকার মনোনীত করা হয়েছিল। এমনকি অসুস্থতা সত্ত্বেও তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ ছিল অনুকরণীয়। নারায়ণগঞ্জের গলাচিপাস্থ তাঁর বাসভবন ‘খান বাড়ি’ এক সময় জাতীয় রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র ছিল; যেখানে শেরে বাংলা থেকে শুরু করে শেখ মুজিবুর রহমানসহ বহু প্রবাদপ্রতিম নেতার পদচারণা ঘটেছে।
লোড হচ্ছে...