নারায়ণগঞ্জরূপগঞ্জ
পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ: দুবাই প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যা, বন্ধুর রগ কর্তন
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মাছুম মিয়া (২২) নামে এক দুবাই প্রবাসী যুবককে নৃসংশভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এসময় তার বন্ধু রমজান মিয়ার হাত ও পায়ের রগ কেটে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। সোমবার রাতে উপজেলার ভোলাবো ইউনিয়নের তাওড়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্তদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে, যা পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
নিহত মাছুম মিয়া তাওড়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে। তার মা নার্গিস বেগমও একজন মালয়েশিয়া প্রবাসী। দুই বছর দুবাই থাকার পর সম্প্রতি মাছুম দেশে ফিরেছিলেন।
স্থানীয় ও নিহতের স্বজনরা জানান, প্রবাসে যাওয়ার আগে থেকেই একই এলাকার রাসেল মিয়ার সাথে মাছুমের পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ চলছিল। সোমবার রাতে মাছুম ও তার বন্ধু রমজান মোটরসাইকেলে করে নরসিংদীর উদ্দেশ্যে বের হলে বাড়ির সামনে ঘোড়াশাল-পাঁচদোনা সড়কের পাশে ওত পেতে থাকা রাসেল, মাহবুব, উজ্জ্বল ও তুষারসহ একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা মাছুমকে চাপাতি ও ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এসময় রমজানের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। তাদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। মুমূর্ষু অবস্থায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মাছুম মারা যান। আহত রমজান বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর অভিযুক্তদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা অভিযুক্তদের ঘরবাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘাতক চক্রটি মাদকাসক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে সোহেল হত্যা মামলাসহ একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় না, যার চূড়ান্ত পরিণতি এই হত্যাকাণ্ড।
রূপগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোক্তার হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি, একটি অপরাধের বিচার করতে গিয়ে যেন অন্য অপরাধের জন্ম না হয়, তাই দ্রুত প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মাছুম মিয়া (২২) নামে এক দুবাই প্রবাসী যুবককে নৃসংশভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এসময় তার বন্ধু রমজান মিয়ার হাত ও পায়ের রগ কেটে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। সোমবার রাতে উপজেলার ভোলাবো ইউনিয়নের তাওড়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্তদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে, যা পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
নিহত মাছুম মিয়া তাওড়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে। তার মা নার্গিস বেগমও একজন মালয়েশিয়া প্রবাসী। দুই বছর দুবাই থাকার পর সম্প্রতি মাছুম দেশে ফিরেছিলেন।
স্থানীয় ও নিহতের স্বজনরা জানান, প্রবাসে যাওয়ার আগে থেকেই একই এলাকার রাসেল মিয়ার সাথে মাছুমের পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ চলছিল। সোমবার রাতে মাছুম ও তার বন্ধু রমজান মোটরসাইকেলে করে নরসিংদীর উদ্দেশ্যে বের হলে বাড়ির সামনে ঘোড়াশাল-পাঁচদোনা সড়কের পাশে ওত পেতে থাকা রাসেল, মাহবুব, উজ্জ্বল ও তুষারসহ একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
হামলাকারীরা মাছুমকে চাপাতি ও ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এসময় রমজানের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। তাদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। মুমূর্ষু অবস্থায় নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মাছুম মারা যান। আহত রমজান বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর অভিযুক্তদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা অভিযুক্তদের ঘরবাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘাতক চক্রটি মাদকাসক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে সোহেল হত্যা মামলাসহ একাধিক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় না, যার চূড়ান্ত পরিণতি এই হত্যাকাণ্ড।
রূপগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোক্তার হোসেন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরিবার ও এলাকাবাসীর দাবি, একটি অপরাধের বিচার করতে গিয়ে যেন অন্য অপরাধের জন্ম না হয়, তাই দ্রুত প্রকৃত খুনিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
লোড হচ্ছে...