নারায়ণগঞ্জ
বিজয় দিবসে সিপিবি'র শ্রদ্ধা নিবেদন-র্যালি
NewsView

নিউজ ভিউ
মহান বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র ও সংবিধানের মূলনীতিসমূহ পুরোপুরি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে র্যালি ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) নারায়ণগঞ্জ শাখা। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তারা চাষাঢ়া বিজয়স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
জেলা সিপিবি’র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শিবনাথ চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক শ্রমিক নেতা এম. এ. শাহীনের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাড. মন্টু ঘোষ, জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য বিমল কান্তি দাস, শাহানারা বেগম, জেলা কমিটির সদস্য দুলাল সাহা, ইকবাল হোসেন, শিশির চক্রবর্তী, শহর কমিটির সভাপতি আঃ হাই শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক বিজয় রায় চৌধুরী সহ অসংখ্য নেতাকর্মী।
নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের ৫৪ বছর পরও স্বাধীনতার সময় প্রতিশ্রুত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের রাষ্ট্র এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাঁরা উল্লেখ করেন, এবারের বিজয় দিবসের অঙ্গীকার হওয়া উচিত ৭১-এর ঘাতকদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ এবং গণতান্ত্রিক, শোষণ-বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা।
মহান বিজয় দিবসে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র ও সংবিধানের মূলনীতিসমূহ পুরোপুরি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে র্যালি ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) নারায়ণগঞ্জ শাখা। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তারা চাষাঢ়া বিজয়স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
জেলা সিপিবি’র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শিবনাথ চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক শ্রমিক নেতা এম. এ. শাহীনের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাড. মন্টু ঘোষ, জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য বিমল কান্তি দাস, শাহানারা বেগম, জেলা কমিটির সদস্য দুলাল সাহা, ইকবাল হোসেন, শিশির চক্রবর্তী, শহর কমিটির সভাপতি আঃ হাই শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক বিজয় রায় চৌধুরী সহ অসংখ্য নেতাকর্মী।
নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের ৫৪ বছর পরও স্বাধীনতার সময় প্রতিশ্রুত সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের রাষ্ট্র এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাঁরা উল্লেখ করেন, এবারের বিজয় দিবসের অঙ্গীকার হওয়া উচিত ৭১-এর ঘাতকদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ এবং গণতান্ত্রিক, শোষণ-বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা।
লোড হচ্ছে...