রাজনীতি
৫ মে জানা যাবে শামীম ওসমানের বিচার শুরুর দিনক্ষণ
NHP NewsView

নিউজভিউ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত ১০টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ৫ মে দিন ধার্য করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল দীর্ঘ শুনানি শেষে এই সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে যে মামলার আসামিরা বর্তমানে পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন। শুনানিকালে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা শামীম ওসমানসহ অন্যদের মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানান। তাদের দাবি ছিল যে কেবল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের মক্কেলদের এই মামলায় জড়ানো হয়েছে এবং প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ দাখিল করতে পারেনি। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এই দাবির তীব্র বিরোধিতা করে আদালতকে জানায় যে জুলাই মাসের রাজপথে সহিংসতা ও সাধারণ মানুষকে হত্যার ক্ষেত্রে এই আসামিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা ছিল।
প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম শুনানিতে উল্লেখ করেন যে আসামিপক্ষের অব্যাহতির আবেদনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যা আইনি ও নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য। প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে তিনটি পৃথক ঘটনায় ১০ জনকে হত্যার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই চাষাড়া ও সাইনবোর্ড এলাকায় ছয়জন এবং ২১ জুলাই ও ৫ আগস্ট ভূইগড়সহ বিভিন্ন স্থানে বাকিদের হত্যা করা হয়। এই সকল হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে শামীম ওসমান ও তার সহযোগীদের যোগসাজশ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন এবং ভাতিজা আজমেরী ওসমানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা। এদের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় এবং একই দিনে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত ও শুনানি চলার পর এখন মামলাটি অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে রয়েছে যা নিয়মিত বিচার শুরুর প্রথম ধাপ হিসেবে গণ্য করা হয়।
উভয়পক্ষের যুক্তি ও তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার পর ট্রাইব্যুনাল আগামী ৫ মে এই বিষয়ে চূড়ান্ত আদেশের তারিখ ঘোষণা করায় সবার দৃষ্টি এখন আদালতের দিকে। নারায়ণগঞ্জের এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম ঠিক কোন পথে যাবে তা ওই দিনের আদেশের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো দীর্ঘ সময় ধরে এই ন্যায়বিচারের প্রতীক্ষায় রয়েছেন এবং আদালতের এই দিন নির্ধারণের ফলে বিচার প্রক্রিয়ায় নতুন গতির সঞ্চার হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত ১০টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ আসামির বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ৫ মে দিন ধার্য করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল দীর্ঘ শুনানি শেষে এই সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে যে মামলার আসামিরা বর্তমানে পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন। শুনানিকালে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা শামীম ওসমানসহ অন্যদের মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানান। তাদের দাবি ছিল যে কেবল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের মক্কেলদের এই মামলায় জড়ানো হয়েছে এবং প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ দাখিল করতে পারেনি। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এই দাবির তীব্র বিরোধিতা করে আদালতকে জানায় যে জুলাই মাসের রাজপথে সহিংসতা ও সাধারণ মানুষকে হত্যার ক্ষেত্রে এই আসামিদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা ছিল।
প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম শুনানিতে উল্লেখ করেন যে আসামিপক্ষের অব্যাহতির আবেদনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যা আইনি ও নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য। প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে তিনটি পৃথক ঘটনায় ১০ জনকে হত্যার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই চাষাড়া ও সাইনবোর্ড এলাকায় ছয়জন এবং ২১ জুলাই ও ৫ আগস্ট ভূইগড়সহ বিভিন্ন স্থানে বাকিদের হত্যা করা হয়। এই সকল হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে শামীম ওসমান ও তার সহযোগীদের যোগসাজশ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন এবং ভাতিজা আজমেরী ওসমানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা। এদের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় এবং একই দিনে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত ও শুনানি চলার পর এখন মামলাটি অভিযোগ গঠনের পর্যায়ে রয়েছে যা নিয়মিত বিচার শুরুর প্রথম ধাপ হিসেবে গণ্য করা হয়।
উভয়পক্ষের যুক্তি ও তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার পর ট্রাইব্যুনাল আগামী ৫ মে এই বিষয়ে চূড়ান্ত আদেশের তারিখ ঘোষণা করায় সবার দৃষ্টি এখন আদালতের দিকে। নারায়ণগঞ্জের এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার কার্যক্রম ঠিক কোন পথে যাবে তা ওই দিনের আদেশের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো দীর্ঘ সময় ধরে এই ন্যায়বিচারের প্রতীক্ষায় রয়েছেন এবং আদালতের এই দিন নির্ধারণের ফলে বিচার প্রক্রিয়ায় নতুন গতির সঞ্চার হয়েছে।
লোড হচ্ছে...